ফারাক্কায় বাংলাদেশকে দেয়ার মতো যথেষ্ট পানি থাকে না

শফিউল আযম, বেড়া (পাবনা) সংবাদদাতা 

গোমুখিতে উৎপন্ন হয়ে ভারত সীমান্ত পর্যন্ত দুই হাজার ৩৪২ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যরে গঙ্গা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে ভারত একতরফা পানি প্রত্যাহার করে নিচ্ছে। সে কারনে ফারাক্কা পয়েন্টে বাংলাদেশকে দেয়ার মতো যথেষ্ট পরিমান পানি থাকেনা। ফলে পানির অভাবে প্রমত্তা পদ্মা শুকিয়ে মরা নদীতে পরিনত হচ্ছে। সেই সঙ্গে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তরাঞ্চলের পদ্মা সংযুক্ত প্রধান-শাখা-প্রশাখানদীগুলো নদী শুকিয়ে গেছে। এতে নদ-নদীতে কমেছে মাছ ও জলজ প্রাণী। শিল্প, ব্যবসা-বানিজ্য, জীববৈচিত্র্য ও কৃষি খাত হুমকীর মুখে পড়েছে। 

প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যায়, শুধুমাত্র ফারাক্কার প্রভাবে বাংলাদেশের কৃষি, শিল্প-কারখানা সবকিছুতে মারাত্মক ক্ষতি করেছে। মিঠাপানি ছাড়া কৃষি তথা কোন ধরনের শিল্প-কারখানা চলতে পারে না। ফারাক্কার কারনে যশোর-খুলনা অঞ্চলে মিঠাপানির প্রবাহ কমে গেছে। পদ্মার তলদেশ ওপরে উঠে এসেছে। এখন পদ্মায় তেমন ইলিশ পাওয়া যায় না। ইলিশের বিচরনক্ষেত্র ছিল রাজশাহী থেকে পাবনা পর্যন্ত। মাছ আসার জন্য পানিতে যে পরিমান প্রবাহ থাকার কথা সেটি না থাকায় এখন আর পদ্মায় ইলিশ আসে না। গাঙ্গেয় পানি ব্যবস্থায় দুইশতাধিক প্রজাতির মিঠাপানির মাছ ও ১৮ প্রজাতির চিংড়ি ছিল। সেগুলোর অধিকাংশই এখন বিলুপ্তির পথে। পদ্মা নদীতে পানি স্বল্পতার কারণে উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলে মরুকরণ অবস্থা স্থায়ী রুপ নিতে যাচ্ছে।
পদ্মার প্রধান শাখা নদী হলো মাথাভাঙ্গা, কুমার, ইছামতি, গড়াই, আড়িয়ালখা প্রভৃতি। প্রশাখা হলো মধুমতি, পশুর, কপোতাক্ষ। উপনদী একটি মহানন্দা। মহানন্দা রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী থানায় পদ্মায় মিলিত হয়েছে। পদ্মার পানি দিয়ে শুকনো মওসুমে রাজশাহী, পাবনা, কুষ্টিয়া, যশোর, ফরিদপুর প্রভৃতি জেলায় সেচকাজ চালানো হয়। এ নদীর পানি দিয়ে প্রায় ২০ ভাগ জমির সেচকাজ চলে। বাংলাদেশের কৃষি, শিল্প, ব্যবসা-বানিজ্য, নৌযোগাযোগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে পদ্মা নদীর ভুমিকা গুরুত্বপূর্ণ।
গঙ্গা অববাহিকার মোট নিকাশি অঞ্চলের আয়তন ১০ লাখ ৮৭ হাজার ৪০০ বর্গকিলোমিটার। এর মধ্যে বাংলাদেশে গঙ্গার নিকাশি অঞ্চলের আয়তন ৪৬ হাজার ৩০০ বর্গকিলোমিটার। পৃথিবীতে আর কোন নদীর এত বিশাল সমতল ব-দ্বীপ নেই। এ নদীর অববাহিকায় বাস করে প্রায় ৩৩ কোটি মানুষ। গঙ্গার দুই তীরে ২৯টি প্রথম শ্রেনীর শহর রয়েছে। প্রতিটি শহরের জনসংখ্যা এক লাখের বেশি। দ্বিতীয় শ্রেনীর শহর রয়েছে ২৩টি। শহরগুলোর প্রতিটির জনসংখ্যা ৫০ হাজার থেকে এক লাখ। এ ছাড়া ৫০ হাজার কম জনসংখ্যা অধ্যুষিত শহর রয়েছে ৪৮টি। উত্তর প্রদেশের কানপুরে গঙ্গা নদীর উপর নির্মিত হয়েছে ‘লব-কুশ ব্যারাজ’। এই বাঁধ দিয়ে ভারত প্রতিদিন ১৯ হাজার মিলিয়ন লিটার পানি সরিয়ে নিচ্ছে। এই পানি বিশুদ্ধ করে খাবার পানি হিসেবে ব্যবহার করছে।
ভারত গঙ্গায় বৃহদাকার তিনটি খাল খনন প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে। এরমধ্যে রয়েছে, আপারগঙ্গা ক্যানাল প্রজেক্ট, মধ্যগঙ্গা ক্যানাল প্রজেক্ট এবং নিন্মগঙ্গা ক্যানাল প্রজেক্ট। এসব প্রকল্পের হাজার হাজার কিলোমিটার খালের মাধ্যমে তারা গঙ্গার পানি সরিয়ে নিয়ে সেচ দেয়ার ব্যাপক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। আপারগঙ্গা ক্যানাল প্রজেক্টের মাধ্যমে উত্তর প্রদেশের তিন লাখ ৩৩ হাজার ৪০০ হেক্টর জমিতে সেচ দেয়ার লক্ষ্যে ছয় হাজার কিলোমিটারের বেশি খাল কেটে পদ্মার পানি সরিয়ে নিচ্ছে। মধ্যগঙ্গা ক্যানাল প্রকল্পে মূল ও শাখাসহ খননকৃত খালের মোট দৈর্ঘ প্রায় এক হাজার ৬০০ কিলোমিটার। নিন্মগঙ্গা ক্যানাল প্রজেক্টের জন্য ছয় হাজার কিলোমিটার খাল খনন করা হয়েছে।
ভারত ২০০৫ সালে উত্তর প্রদেশের তেহারি-গাড়ওয়াল জেলায় ৪৫ কিলোমিটারজুড়ে তেহারি ড্যাম নির্মান করেছে। এই ড্যামে বিপুল পানি জমিয়ে রেখে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সেচের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে। তেহারি ড্যামের কার্যক্রম শুরুর পর থেকে ভাটিতে বিশেষ করে ফারাক্কা পয়েন্টে পানির প্রবাহ অনেক কমে যায়। এদিকে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার গঙ্গার উজানে আরো ১৬টি বাঁধ দেবে। এ ধরনের বাঁধ নির্মাণের কারণে ভয়াবহ বিপর্যয়ে মুখে পড়বে ভাটির বাংলাদেশ। গঙ্গার উজানে বর্তমানে প্রায় ৪০০ ড্যাম-ব্যারেজসহ বিভিন্ন ধরনের অবকাঠামো রয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।
প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, সমুদ্র থেকে ৪২ ফুট উচুঁতে অবস্থিত হার্ডিঞ্জ ব্রীজ পয়েন্ট থেকে ভারত সীমান্ত ত্রিশ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের আঠার কিলোমিটার উজানে ফারাক্কা বাঁধ অবস্থিত। ভারতের গোমুখিতে ভূমিষ্ঠ হয়ে বাংলাদেশের মেঘনা সঙ্গম স্থান পর্যন্ত দুই হাজার ৬০০ মাইল ব্যাপী প্রবাহিত। এই নদীতে বাঁধ দেয়া হয়েছে হরিদ্বারে। সবশেষে ফারাক্কায়। মুর্শিদাবাদ জেলা থেকে গঙ্গার মূল অংশ চলে আসে বাংলাদেশে। রাজমহল পবর্তকে অতিক্রম করে বাংলার সমতল ভূমিতে নেমে আসে। রাজমহল থেকে ত্রিশ কিলোমিটার পূর্বে প্রবাহিত হয়ে গঙ্গা যায় গিরিয়ায়। তারপর বিভক্ত। একটি ধারা দক্ষিণ-পূর্বে। স্থানীয়রা বলেন ভাগিরথী। আর একটি ধারা পদ্মা। যা রাজশাহী, পাবনা ও ফরিদপুর জেলা হয়ে বঙ্গোপসাগরে গিয়ে পড়েছে। গঙ্গা পশ্চিম বঙ্গের দক্ষিণে গেছে সোজা। ডাইনে বেঁকে পূর্বগামী হয়ে পৌছায় কাটোয়ায়। আবার পশ্চিম দিকে যায় কালনা, ব্যান্ডেল-চন্দননগর, কলকাতা, বজবজ হয়ে ফলতা। তারপর ডায়মন্ড হারবারে গিয়ে মিশেছে।
গঙ্গার নি¤œস্রোত ধারার নাম পদ্মা। রাজশাহী চারঘাটের প্রায় দশ কিলোমিটার ভাটিতে আলাইপুর পর্যন্ত পঞ্চাশ কিলোমিটার। চাপাইনবাবগঞ্জ জেলার বরাঙ্ক মোহনপুর, রাণীনগর ও আলাতুলি এলাকায় নদী সম্প্রারিত ছিল। এখন তা চরে পরিণত হয়েছে। চারঘাট থেকে নাটোরের লালপুর পর্যন্ত ৩৩ কিলোমিটার। এর পরেই ঈশ্বরদীর সাহেব বাজারের পাশ দিয়ে এ নদী পাবনায় ঢোকে। পাবনা সদর, সুজানগর থানা সদর অতিক্রম করার পর বেড়া উপজেলার নতিবপুরের কাছে বারকোদালিয়া নামক স্থানে যমুনা নদীর সাথে মিশেছে। এর মিলিত প্রবাহকে পদ্মা নামে অভিহিত করেন নদী গবেষকেরা। অবশ্য গঙ্গা বাংলাদেশে আসার পর থেকেই পদ্মা নামে পরিচিত। পাবনায় পদ্মা ১৪৫ কিলোমিটার দীর্ঘ।
মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুর মহকুমায় ছাপঘাটির কাছে গঙ্গা বিভক্ত হয়ে ভাগিরথী ও পদ্মা হয়েছে। পদ্মা জলঙ্গি হয়ে নদীয়ার মধুগাড়ি পর্যন্ত আসে। এই এলাকার দৈর্ঘ ১২০ কিলোমিটার। এরপর পদ্মা বাংলাদেশে ঢোকে। পশ্চিম বাংলায় পদ্মার কোন উপনদী নেই। শাখা নদীর মধ্যে ভাগিরথী, ভৈরব ও জলঙ্গি। পদ্মা নদীকে ঘিরে পাকশি ভেড়ামারা-সাড়া আর রায়টার একটা যুগ ছিল। রফতানির যুগ। সাড়াঘাটে নৌকা নিয়ে নেতৃত্ব চলেছে শতাধিক বছর ধরে। সে সব এখন ইতিহাস। এ অঞ্চলে রেলপথ স্থাপিত হওয়ার আগে পদ্মা পাড়ের সাড়া ও রায়টা ঘাট ছিল ভারতবর্ষের যোগসূত্র।
অভিশপ্ত ফারাক্কা ব্যারেজের বিরুপ প্রভাবে উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের পদ্মা পারের মানুষ বহুমুখি সঙ্কটে পড়েছেন। পদ্মার অর্ধশত শাখা নদী মজে যাওয়ায় পরিবেশ হয়ে উঠেছে অস্বাস্থ্যকর। পশ্চিম বাংলার ভাগীরথী আর হুগলি নদীর প্রভাব ছেড়ে গঙ্গার পানি অপর অংশ পূর্ব দিকে পদ্মা নদী দিয়ে বাংলাদেশে চলে আসে। ভারত সরকার গঙ্গার পানি রোধে ১৯৫১ সালে মুর্শিদাবাদ জেলায় ফারাক্কা ব্যারেজ নির্মাণের উদ্যোগ নেয়। ১৯৭৫ সালে শুরু হয় ফারাক্কা ব্যারেজের কর্যকারিতা। এরপর থেকেই মজে যেতে থাকে পদ্মা ও শাখা নদীগুলো।
ফরাক্কা ব্যারেজের ভাটিতে মুর্শিদাবাদের জঙ্গীপুরে আরো একটি ব্যারেজ তৈরি করা হয়েছে। এর সঙ্গে আনুষাঙ্গিক যুক্ত হয়েছে নানা লকগেট, বাঁধ প্রভৃতি। ফিডার ক্যানেলও তৈরি করা হয়। লম্বায় ৩৮ দশমিক ৩ কিলোমিটার। ফারাক্কা বাঁধ থেকে গঙ্গার পানি এই ক্যানেল পথেই ভাগীরথীতে পৌছে দেয়া হচ্ছে। ফারাক্কা বাঁধ প্রকল্পের মাধ্যমে ভাগীরথী-হুগলি নদীর প্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে ফিডার ক্যানেলে দৈনিক ৪০ হাজার কিউসেক পানি ছাড়া হয়। ঠিক এ পরিমাণ পানি বহন করার ক্ষমতার কথা মনে রেখেই ফিডার ক্যানেলটি তৈরি করা হয়েছে। তবে শুস্ক মওসুমের সময় কিছু কম পানি ছাড়তে হয়। শুস্ক মওসুম বলতে জানুয়ারি থেকে মে মাস। তখন ফিডার ক্যানেলে পানি ছাড়ার পরিমাণ ৪০ হাজার কিউসেক থেকে কমিয়ে ৩০ থেকে ২৮ হাজার কিউসেকে নামিয়ে আনা হয়। প্রচন্ড খরা হলে উজান থেকে গঙ্গার পানি কম বয়ে আনলে ফিডার ক্যানেলে কম পানি ছাড়া হয়। এক মজা নদীকে জীবন দিতে গিয়ে পৃথিবীতে এ পর্যন্ত যতগুলো বৃহত্তম বাঁধ তৈরি করা হয়েছে ফারাক্কা বাঁধ তাদের মধ্যে অন্যতম।
হুগলিতে প্রবাহ আনতে গিয়ে পদ্মাকে রুগ্ন করা হয়েছে। যশোর-কুষ্টিয়ার নদীগুলো পদ্মার সঙ্গে সংযোগ হারিয়ে ফেলেছে। পাবনার বড়াল, ছোট যমুনা, পূনভবা, আত্রাই, ইছামতি, গুমানী, গোমতী, ভদ্রবতী, গোহালা, নন্দকুজা, গাড়াদহ, কাকন, কাকেশ্বরী, সরস্বতী, মুক্তাহার ঝবঝবিয়া, ফুলজোর এবং রাজশাহী ও নাটোরের মহানন্দা, আত্রাই, বারনই, শিব, রানী ও ছোট যমুনাসহ ১২টি নদী রয়েছে। পদ্মার প্রধান শাখা নদীগুলোর মধ্যে রয়েছে মধুমতী, আড়িয়াল খাঁ, ভৈরব, মাথা ভাঙ্গা, কুমার, কপোতাক্ষ, পশুর ও বড়াল। নদী কিশেষজ্ঞরা বলেন, পানি প্রবাহের মাত্রা ৪০ হাজার কিউসেক হলে নদীতে আর পলি জমতে পারে না। তলদেশও ভরাট হয় না। প্রবাহ কম বলে পদ্মার বুকে মাইলের পর মাইল চর জেগে উঠছে।
বাংলাদেশ-ভারত গঙ্গা নদীর পানি বন্টন চুক্তি ১৯৯৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হওয়ার পর পানি সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌছে যায়। ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর তৎকালিন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী এইচ ডি দেবে গৌড়া গঙ্গা নদীর পানি বন্টন সংক্রান্ত ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষর করেন নতুন দিল্লির হায়দারাবাদ হাউজে। ৩০ বছর দীর্ঘ মেয়াদী এই চুক্তিতে স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়েছে তীব্র শুষ্ক সময়ে বাংলাদেশ ৩৫ হাজার কিউসেক পানি পাবে। কিন্তু বাংলাদেশ কোন বছরই চুক্তির শর্ত অনুয়ায়ী পানি পাচ্ছে না।
ফারাক্কা পয়েন্টে পানির প্রবাহ ৫০ হাজার কিউসেক এর কম দেখা গেলে দুই দেশের সরকার তাৎক্ষনিক ভাবে জরুরি ভিত্তিতে আলোচনা করে সমন্বয় সাধন করতে পারবে বলা হলেও কার্যত কিছুই হচ্ছে না। ভারত তার দাদাগিরি মনোভাব বজায় রেখেছে। অনুচ্ছেদ-২ এ বলা হয়েছে উভয় পক্ষ থেকে সমান সংখ্যক সদস্য নিয়ে একটি যৌথ কমিটি গঠন করবে। এই কমিটি ফারাক্কা পয়েন্ট হার্ডিঞ্জ ব্রিজ এলাকা ও ফিডার ক্যানেল এলাকায় পানির প্রবাহ পর্যবেক্ষণের জন্য একটি টিম নিয়োগ করবে। এই টিম উভয় সরকারের কাছে পানি প্রবাহের সংগৃহিত ডাটা-উপাত্ত পেশ করবে। তা যদি করত তাহলে পদ্মায় পানি প্রবাহ থাকত। প্রতি বছরই বাংলাদেশ পানি পেয়েছে চুক্তির অনেক কম।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী নদী বিশেষজ্ঞ কামরুন নেছা জানান, বাংলাদেশের পদ্মার যে বিপুল আয়তন তাতে স্বাভাবিক প্রবাহ থাকলে প্রাকৃতিক ও পরিবেশগত বিপর্যয় সৃষ্টির কথা উঠতো না। কিন্তু ভারত নেপালের কোশি থেকে শুরু করে মুর্শিদাবাদের জঙ্গীপুর পর্যন্ত সুদীর্ঘ পথে পানি প্রত্যাহারের যে একতফা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে- তাতে বাংলাদেশের বিপর্যয় অবশ্যম্ভাবী হয়ে উঠেছে।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.