বল নিয়ে ছুটছেন ঢাকা আবাহনীর সানডে চিজুবা। তার পেছনে সাইফ স্পোর্টিংয়ের হেমন্ত  : নয়া দিগন্ত
বল নিয়ে ছুটছেন ঢাকা আবাহনীর সানডে চিজুবা। তার পেছনে সাইফ স্পোর্টিংয়ের হেমন্ত : নয়া দিগন্ত

ওয়েডসন শেরিংহামে সাইফের রেসে ফেরা

সাইফ স্পোর্টিং ২:১ ঢাকা আবাহনী (ওয়েডসন, শেরিংহাম) ( সানডে)
ক্রীড়া প্রতিবেদক

মধ্যবর্তী দলবদলে নতুন বিদেশী নিয়েছিল দুই দলই। গতকাল শুরু হওয়া সাইফ পাওয়ার ব্যাটারি প্রিমিয়ার ফুটবলের ফিরতি পর্বে গোল পেয়েছেন নতুনভাবে রেজিস্ট্রেশন হওয়া তিন ভিনদেশীই। তবে শেষ পর্যন্ত ঢাকা আবাহনীর সানডে চিজুবাকে ছাড়িয়ে ম্যাচের নায়ক হয়ে গেলেন সাইফ স্পোর্টিংয়ের ওয়েডসন ও চার্লস শেরিংহাম। প্রিমিয়ারে নবাগত দলটির শিরোপার রেসে ফেরা এবং পয়েন্ট টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে চলে আসার নেপথ্য তারা। ওয়েডসন ও সানডে ঢাকার মাঠের পুরনো। কাল বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের ফুটবলে অভিষেক ইংলিশ ফুটবলার শেরিংহামের। এমন অভিষেকই তো চায় সবাই। নিজে করলেন দর্শনীয় গোল এবং দলও পেয়েছে জয়। প্রতিশোধ মাখানো জয় সাইফ স্পোর্টিং-এর। ১২ ম্যাচে ২৫ পয়েন্ট তাদের। হেরে হোঁচট খাওয়া ঢাকার আকাশি-নীল শিবির নেমে গেল তৃতীয় স্থানে। সমান ম্যাচে ২৪ পয়েন্ট তাদের। প্রথম পর্বে আবাহনী ৩-২-এ জিতেছিল।
ম্যাচে হ্যান্ডবল থেকে দুই পেনাল্টি। দুই শটেই পরাস্ত করেছে গোলরক্ষককে। প্রথমটিতে ওয়েডসনের শটে সাইফের এগিয়ে যাওয়া। খেলার শেষ দিকে সানডের এই স্পটকিকের শটে গোল হলে ম্যাচে প্রাণ ফিরেছিল মাত্র। এর পরই ইনজুরি টাইমে রায়হানের থ্রু থেকে এই নাইজেরিয়ানের হেড পোস্টে লেগে ফেরত আসায় ড্র করার সুযোগ হারায় আবাহনী। ৮২ মিনিটে জীবনের শট সাইফের গোল রক্ষক পাপ্পু হাসান ঠেকিয়ে দেন। সারা ম্যাচে বর্তমান লিগ চ্যাম্পিয়নরা সুযোগ পেয়েছে এই তিনটাই। বাকি সময় পুরো খেলা ছিল সাইফের দখলে। আবাহনীর মিডফিল্ডারদের দুর্বলতায় মাঝ মাঠ চষে বেড়ায় বিপক্ষ কাউন্টার পার্টরা, যা একের পর এক গোলের সুযোগ এনে দেয় সাইফ স্পোর্টিংকে। তপু বর্মণ জামাল ভূঁইয়া, ওয়েডসনরা তা থেকে গোল না পেলেও ৩২ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল। জুয়েল রানার শট ডিফেন্ডার সামাদ ইউসুফের হাতে লাগলে রেফারি ভুবন মোহন তরফদার পেনাল্টি দেন। এতে গত কয়েক মওসুম শেখ জামালে কাটানো ওয়েডসনের শট উল্লাসে মাতায় সাইফকে।
৭৫ মিনিটে জামাল ভূঁইয়ার কর্নারে চার্লস শেরিংহামের হেডের স্টাইল ও গোলের ধরন তার জাতই চিনিয়েছে। ২-০ তে পিছিয়ে পড়া আবাহনী ৮৯ মিনিটে ব্যবধান কমায়। সানডে শট আরিফের হাতে লাগলে পেনাল্টি এবং তার শটে গোল। গত বছর আবাহনীতে খেলা সানডে এত দিন ছিলেন ইনজুরিতে।
হারের জন্য আবাহনীর কোচ ড্রাগো মামিচ মিডফিল্ডার রুবেল মিয়া ও ইমন বাবুর বাজে খেলাকে দায়ী করার পাশাপাশি প্রতিপক্ষের দুই বিদেশীর প্রশংসা করলেন। সাইফের কোচ রায়ান নর্থমোর জানান, আমাদের শেরিংহামের চমৎকার খেলেছেন। সে যেকোনো দলের ডিফেন্ডারদের জন্যই বিপজ্জনক। আমাদের নতুন দুই বিদেশি ভালো খেলেছে।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.