১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯

চট্টগ্রাম থেকে ফের আমদানি অনুমতিপত্র (আইপি) ইস্যুর অনুমোদন

-

চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী সমাজের পক্ষে চট্টগ্রাম চেম্বারের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে আবার চট্টগ্রামের উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্র থেকে চট্টগ্রাম জেলাধীন সব আমদানিকারকদের অনুকূলে আইপি সনদ ইস্যুর অনুমোদন দেয়া হয়েছে। গত রোববার চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরস্থ উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপপরিচালকের কার্যালয় থেকে চেম্বার সভাপতিকে এক পত্রের মাধ্যমে এ বিষয়ে অবগত করা হয়। পত্রে বলা হয়Ñ ‘উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্র, সমুদ্রবন্দর, চট্টগ্রাম কার্যালয় থেকে চট্টগ্রাম জেলাধীন আমদানিকারকদের আবেদন বিবেচনা করে সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রাম থেকে আমদানি অনুমতিপত্র (আইপি) ইস্যুর নিমিত্ত উদ্ভিদ সংগনিরোধ আইন, ২০১১ এর দ্বিতীয় অধ্যায়ের ধারা-৫ মোতাবেক পরিচালক, উদ্ভিদ সংগনিরোধ উইং, খামারবাড়ী, ঢাকা কর্তৃক উপপরিচালক, উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্র, সমুদ্রবন্দর, চট্টগ্রামকে আমদানি অনুমতিপত্র (আইপি) ইস্যুর ক্ষমতা অর্পণ করা হয়েছে।”
চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম চট্টগ্রাম থেকে আবার আইপি ইস্যুর অনুমোদন প্রদান করায় বর্তমান সরকার, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দফতরের প্রতি অকৃত্রিম ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। একই সাথে চেম্বার সভাপতি দেশের সব অঞ্চলের ব্যবসায়ীদের সমান সুযোগ তথা ব্যবসা সহজীকরণের লক্ষ্যে অবিলম্বে আইপি ইস্যু কার্যক্রমের পূর্ণাঙ্গ অটোমেশন বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।
উল্লেখ্য, বর্তমান সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ নির্মাণের লক্ষ্য পূরণের অংশ হিসেবে আইপি ইস্যুকরণ অটোমেশনের আওতায় আনা হয়েছিল। কিন্তু ব্যবসাকে সহজীকরণের উদ্দেশ্যে আইপি ইস্যুকে অটোমেশনের আওতায় আনা হলেও পদ্ধতিগতভাবে তাতে আগের সনাতনী ব্যবস্থার ছাপ রয়ে গিয়েছিল। অর্থাৎ অনলাইনে ফরম পূরণ করলেও ব্যাংক চালানের মূল কপি ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রাদি ঢাকাস্থ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরে সরাসরি দাখিল করা হতো। অন্য দিকে আইপি ফরম পূরণে কোনো ভুলত্রুটি পরিলক্ষিত হলে তা ফরম জমা দেয়ার দুই থেকে চার দিন পর জানা যায় এবং সংশোধনের জন্য আবার ঢাকাস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যেতে হয়; যা ঢাকার বাইরের আমদানিকারক বা ব্যবসায়ীর জন্য ব্যয় ও সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। কিন্তু একজন আমদানিকারক এলসি খোলার জন্য রফতানিকারক হতে যে সময় পান, তা খুবই স্বল্প (সাধারণত সাত দিন) যা আইপি সনদ পেতে পেতে অতিক্রম হয়ে যায় এবং এর ফলে রফতানিকারক কর্তৃক পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি করার প্রবণতা লক্ষ করা যায়। অথচ চট্টগ্রাম বা খুলনার আঞ্চলিক কার্যালয় থেকে আমদানিকারকেরা এ কাজ আরো কম সময় ও ব্যয়ে করে আসছিলেন। এমন পরিস্থিতিতে চট্টগ্রামের সর্বস্তরের ব্যবসায়ীর পক্ষ থেকে চট্টগ্রাম চেম্বার বিভিন্ন সভা সেমিনারে দাবি জানানোর পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দফতরে পত্র মারফত প্রকৃত অটোমেশন না হওয়া পর্যন্ত ব্যবসায়ীদের সময় ও ব্যয় সাশ্রয়ের নিমিত্তে চট্টগ্রাম থেকে আইপি ইস্যুর আবেদন জানিয়ে এসেছে।

 


আরো সংবাদ