১৪ অক্টোবর ২০১৯

ফু-ওয়াং ক্লাবে পুলিশের অভিযান

রাজধানীর তেজগাঁওয়ে অবস্থিত ফু-ওয়াং ক্লাবে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ। ক্লাবটিতে দীর্ঘদিন ধরে জুয়া ও ক্যাসিনো চলছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। সোমবার বিকেল ৫টার দিকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল মামুনের নেতৃত্বে এ অভিযান শুরু হয়।

ক্লাবটিতে একটি বৈধ বার রয়েছে বলে জানা যায়। তবে সেই বারের রেজিস্ট্রারের সাথে লিকারের সংখ্যার সামঞ্জস্যতা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এক্ষেত্রে কোনো ধরনের অসামঞ্জস্যতা থাকলে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন অভিযান পরিচালনাকারী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল মামুন।

গোয়েন্দা পুলিশের এডিসি আনিসুর রহমান বলেন,‘আমরা ক্যাসিনোর বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে এসেছি। এখানে অবৈধ অন্য কিছু পাওয়া গেলে সে বিষয়েও আমরা ব্যবস্থা নেব।’

গত ১৮ সেপ্টেম্বর (বুধবার) অবৈধ জুয়া ও ক্যাসিনো চালানোর অভিযোগে র‍্যাবের হাতে আটক হন ঢাকা দক্ষিণ মহানগর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া। পরে অস্ত্র ও মাদকের পৃথক দুই মামলায় তাকে সাতদিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ। এর দুই দিনের মাথায় শুক্রবার ঢাকার কলাবাগান ক্রীড়াচক্র ও ধানমণ্ডি ক্লাবেও অভিযান চালায় র‌্যাব। কলাবাগান ক্রীড়াচক্র থেকে ক্লাব সভাপতি কৃষক লীগ নেতা সফিকুল আলম ফিরোজসহ পাঁচজনকে অস্ত্র-গুলি ও ইয়াবাসহ গ্রেফতার করা হয়।

পাশাপাশি গত শুক্রবার রাজধানীর সবুজবাগ, বাসাবো, মতিঝিলসহ বিভিন্ন এলাকায় প্রভাবশালী ঠিকাদার হিসেবে পরিচিত যুবলীগ নেতা এস এম গোলাম কিবরিয়া শামীম ওরফে জি কে শামীমকে আটক করে র‍্যাব। এ সময় বেশ কয়েকটি আগ্নেয়াস্ত্র ও মাদকদ্রব্য ছাড়াও নগদ এক কোটি ৮০ লাখ টাকা, ১৬৫ কোটি টাকার ওপরে এফডিআর (স্থায়ী আমানত) করার নথি জব্দ করা হয়।

রোববার চারটি ক্লাবে অভিযান চালানো হয়। ক্লাবগুলো হলো- আরামবাগ ক্রীড়া সংঘ, দিলকুশা স্পোর্টিং ক্লাব, ভিক্টোরিয়া স্পোর্টিং ক্লাব ও মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। অভিযানে চারটি ক্লাবেই ক্যাসিনোর সরঞ্জাম পেয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। অবৈধভাবে ক্যাসিনো ও জুয়া চালানোর দায়ে এসব ক্লাবে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে পুলিশ।

পরে রোববার রাতে গুলশানের তিনটি স্পায় অভিযান চালিয়ে ১৯ জনকে আটক করে পুলিশ।


আরো সংবাদ