০৯ ডিসেম্বর ২০১৯

আড়াই হাজার অসাধু ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

এখন পর্যন্ত আড়াই হাজার ‘অসাধু' ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে বাণিজ্য সচিব মো. জাফর উদ্দীন জানিয়েছেন। সরকারের নানা উদ্যোগে পেঁয়াজের বাজার ‘অতি দ্রুত' স্বাভাবিক হয়ে আসবে বলেও আশা করেছেন তিনি।

সোমবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে এক ব্রিফিংয়ে সচিব বলেন, ‘‘মিয়ানমার সম্প্রতি পেঁয়াজের রপ্তানি মূল্য চার গুণ বৃদ্ধি করেছে এবং ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের কারণে বাজারে পেঁয়াজের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে।''

এমন পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী বিমানে করে পেঁয়াজ আমদানির উদ্যোগ নেওয়ার কথা তুলে ধরে সচিব বলেন, আপৎকালীন ব্যবস্থা হিসেবে কার্গো বিমানে করে মিসর, তুরস্ক, চীনসহ বিভিন্ন দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আপনারা জেনে খুশি হবেন যে, এস আলম গ্রুপের পেঁয়াজের প্রথম চালান মঙ্গলবার কার্গো বিমানে করে বাংলাদেশে এসে পৌঁছাবে বলে আশা করা যায়।''

ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন জেলায় নতুন পেঁয়াজ বাজারে আসতে শুরু করেছে এবং ঢাকাসহ সারাদেশে টিসিবির কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলেও জানান বাণিজ্য সচিব।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও জেলা প্রশাসন তদরকি অব্যাহত রেখেছে জানিয়ে সচিব জাফর বলেন, ‘‘এ পর্যন্ত আড়াই হাজার অসাধু ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।'' তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেননি তিনি।

ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেওয়ার পর বাংলাদেশে পেঁয়াজের দাম বাড়তে থাকে। ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের পর পেঁয়াজের দাম হঠাৎ আরও বেড়ে যায়। এরপর সপ্তাহ পার না হতেই ২৫০ টাকায় উঠে যায় পেঁয়াজের কেজি।

ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়ার পর সরকার এলসি মার্জিন ও সুদের হার কমানোর পাশাপাশি বিভিন্ন উদ্যোগ নেয়। আমদানিকারকদের অন্যান্য দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানি করতে উদ্বুদ্ধ করা হয়। আমদানি করা পেঁয়াজ নির্বিঘ্নে খালাস করার জন্য বন্দর ও কাস্টমস কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্টদের প্রস্তুতও রাখা হয়েছে।

বাণিজ্য সচিব বলেন, ‘‘সরকারের পক্ষ থেকে জনগণকে আশ্বস্ত করতে চাই, এই সমস্ত উদ্যোগ গ্রহণের ফলে অতিদ্রুত পেঁয়াজের বাজার স্বাভাবিক হয়ে আসবে।''


আরো সংবাদ