২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০

সরকার ২২টি ঝুঁকিপূর্ণ খাতকে শিশুশ্রম মুক্ত ঘোষণা করতে কাজ করছে

সরকার ২২টি ঝুঁকিপূর্ণ খাতকে শিশুশ্রম মুক্ত ঘোষণা করতে কাজ করছে - ছবি : সংগৃহীত

চলতি অর্থবছরের মধ্যে ২২টি ঝুঁকিপূর্ণ খাতকে শিশুশ্রম মুক্ত ঘোষণা করতে কাজ করছে সরকার। এর মধ্যে ৫টি খাতকে খুব শিগগিরই শিশুশ্রম মুক্ত ঘোষণা করা হবে।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর বিজয় নগরে নব নির্মিত শ্রম ভবনের সম্মেলনকক্ষে শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় শিশুশ্রম কল্যাণ পরিষদের ৮ম সভায় এ তথ্য জানানো হয়।

সভাপতির বক্তৃতায় প্রতিমন্ত্রী বলেন, আইএলও কনভেনশন এবং বাংলাদেশ শ্রম আইন অনুযায়ী ১৪ থেকে ১৮ বছরের শিশুরা ঝুঁকিপূর্ণ নয় এমন কাজে বাবা-মাকে সহযোগিতা করতে পারবে।

তিনি বলেন, প্রাতিষ্ঠানিক খাতে শিশুশ্রম কমেছে, অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে শিশুশ্রম রয়েছে এটি অস্বীকার করা যাবে না। ২০২৫ সালের মধ্যে দেশকে শিশুশ্রম মুক্ত করে সকলের সহযোগিতায় আমরা অভিষ্ঠ লক্ষ্যে পৌঁছে যাবো। আগামী প্রজন্মের জন্য নিরাপদ, উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে যা-যা করা দরকার সবকিছু করবে সরকার। ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম নিরসনে নেয়া প্রকল্পের চতুর্থ পর্যায়ের কাজ শুরু হয়েছে। ২০২০ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত এক লাখ শিশুকে প্রত্যাহার করা হবে বলে প্রতিমন্ত্রী জানান।

শ্রম প্রতিমন্ত্রী বলেন,টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ২০২১ সালের মধ্যে ৩৮টি ঝুঁকিপূর্ণ খাত এবং ২০২৫ সালের মধ্যে সকল খাতকে শিশুশ্রম মুক্ত করতে সরকার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

সভায় জানানো হয় ঝুঁকিপূর্ণ খাত হিসেবে জাহাজ ভাঙ্গা শিল্প, ট্যানারী ও চামড়াজাত শিল্প, সিল্ক, কাঁচ এবং সিরামিক শিল্পকে শিশুশ্রম মুক্ত করতে আন্তরিকভাবে কাজ করছে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীন কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর।

মন্ত্রণালয়ের সচিব কে এম আলী আজমের সঞ্চালনায় সভায় অতিরিক্ত সচিব মোল্লা জালাল উদ্দিন, ড. রেজাউল হক, সাকিউন নাহার, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক শিবনাথ রায়, শ্রম অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ কে এম মিজানুর রহমান, জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি ফজলুল হক মন্টু, বিকেএমইএ-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট ফজলে শামীম এহসান, বাংলাদেশ এমপ্লোয়ার্স ফেডারেশনের শ্রম উপদেষ্টা কে এস সাইফুদ্দিন প্রমুখ অংশগ্রহণ করেন। সূত্র : বাসস


আরো সংবাদ