২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০

দশ দিন ধরে চলছে চাকরিতে প্রবেশের বয়স বৃদ্ধির অনশন

দশ দিন ধরে চলছে চাকরিতে প্রবেশের বয়স বৃদ্ধির অনশন - ছবি : নয়া দিগন্ত

সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স বৃদ্ধির দাবিতে দশম দিনের মতো অনশন কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে । বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র পরিষদের ব্যানারে টানা দশম দিনে অনশন ও প্রচন্ড ঠান্ডায় ইতোমধ্যে আবেদ হাসান ও নাহিদা নামে দুইজন অসুস্থ হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি আছে ।

জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অনশনে অংশ নেয়া শিক্ষার্থীরা বলেন, লাখ লাখ শিক্ষার্থী চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩০ থেকে বাড়িয়ে ৩৫ করার জন্য আন্দোলন করে আসছে, কিন্তু এখনো পর্যন্ত কোনো সুফল পাওয়া যায়নি। সাধারণ ছাত্র পরিষদের দাবি, বিশ্বের ১৬২টি দেশে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ ঊর্ধ্বে। বিশ্বে বাংলাদেশ ছাড়া হাতে গোনা কয়েকটি দেশে চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩০ বছর । বাংলাদেশের পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্র সহ এশিয়ার সকল দেশে চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩০ এর চেয়ে বেশি ।

বাংলাদেশে প্রথম চাকরিতে প্রবেশের বয়স সীমা বাড়ানো হয়েছিল ১৯৭৩ সালে ২৫ থেকে ২৭ বছর, জুলাই ধারাবাহিকতায় ১৯৯১ সালের ২১ জুলাই ২৭ থেকে ৩০বছর করা হয়েছিল ।

এর যুক্তি ছিল মানুষের গড় আয়ু বেড়েছে । ২০১১ সালের ২৬শে ডিসেম্বর অবসরের বয়সসীমা ৫৭থেকে ৫৯করা হয়েছে । তখনো যুক্তি ছিল মানুষের গড় আয়ু বেড়েছে, তাহলে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র পরিষদ ২০১২ সাল থেকে আন্দোলন করে আসছে চাকরি পাওয়ার জন্য নয়, শুধু চাকরিতে প্রবেশের সুযোগ পাওয়ার জন্য। সর্বোপরি বর্তমান সরকার ১১ তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে প্রবেশের বয়স বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, কিন্তু তার বাস্তবায়ন এখনো হচ্ছে না। আমরা চাই সরকার তাদের জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির 8 বারের সুপারিশ ও নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের আবেদনের সুযোগ দেবে।


আরো সংবাদ