২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯

মুরসির স্ত্রীর আবেগঘন স্ট্যাটাস

নাগলা মাহমুদ ও ড. মোহাম্মাদ মুরসি - ছবি : সংগৃহীত

মিসরের গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত একমাত্র প্রেসিডেন্ট মোহাম্মাদ মুরসি সোমবার ইন্তেকাল করেছেন স্বৈরশাসকের কারাগারে। ক্ষমতাচ্যুতির পর থেকেই তাকে বিভিন্ন মামলায় আটক করে রেখেছিল সামরিক শাসন আবদুল ফাতাহ সিসি।

মোহাম্মাদ মুরসির মৃত্যুর পর তার স্ত্রী ও মিসরের সাবেক ফার্স্টলেডি নাগলা মাহমুদ টুইটারে এক আবেগঘন স্ট্যাটাস দিয়েছেন। সেখানে তিনি মোহাম্মাদ মুরসিকে ‘শহীদ’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। টুইটারে তিনি লিখেছেন, ‘আমার স্বামী, প্রেসিডেন্ট মোহাম্মাদ মুরসিকে একজন শহীদ হিসেবেই দেখি আমরা।’

তিনি আরো লিখেছেন, ‘জানাজায় শুধুমাত্র পরিবারের সদস্যদেরই অংশ নিতে দেয়া হয়েছে। পশ্চিমা কায়রোর নাসর সিটি এলাকার কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়েছে যেখানে শায়িত আছেন ব্রাদারহুডের অনেক নেতা।’

তবে মোহাম্মাদ মুরসির শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী তাকে শারকিয়া প্রদেশে তার নিজ গ্রামের বাড়িতে দাফন করতে দেয়নি জান্তা সরকার। এমনটাই জানিয়েছেন তার স্ত্রী। মুসির ছেলে আহমাদও টুইটারে জানিয়েছেন একই কথা।

৬৭ বছর বয়সী মুরসি সোমবার আদালতে মামলার শুনানির সময় অসুস্থ হয়ে পড়েন। হাসপাতালে নেয়ার পর তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। ২০১২ সালে আরব বসন্তের প্রভাবে মিসরের ৩০ স্বৈরশাসক হুসনি মোবারকের পতনের পর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে ক্ষমতায় আসেন মুরসি; কিন্তু মাত্র এক বছরের মাথায় তাকে ক্ষমতাচ্যুত করে ক্ষমতা দখল করে সেনাপ্রধান আবদুল ফাতাহ আল সিসি। এরপর অনেকগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় তাকে কারাবন্দী করা। ব্যাপক দমন-নির্যানত করা হয় তার দল মুসলিম ব্রাদারহুডের নেতাকর্মীদের ওপর। আনাদোলু


আরো সংবাদ