২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯

বাড়ি ও স্থাপনায় এডিসের বংশবিস্তার

-

এডিস মশা নির্মূলে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) চলমান চিরুনি অভিযানে ৫৩ শতাংশ বাড়ি ও স্থাপনায় এডিস মশার বংশবিস্তারের উপযোগী পরিবেশ পাওয়া গেছে। এডিস মশা নির্মূলে ২৫ আগস্ট ‘এডিস মশা ধ্বংসকরণ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান’ বা ‘চিরুনি অভিযান’ শুরু করে ডিএনসিসি। সংস্থাটি জানায়, কর্মসূচির অংশ হিসেবে গত শুক্রবার পর্যন্ত ডিএনসিসির ৩৬টি ওয়ার্ডের ৬৩ হাজার ২৭৭টি বাড়ি ও স্থাপনা পরিদর্শন করা হয়। এর মধ্যে এক হাজার ৩৭৮টি বাড়ি ও স্থাপনায় এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেছে। আর ৩৩ হাজার ৫৬৪টি বাড়ি ও স্থাপনায় এডিস মশার বংশবিস্তারের উপযোগী পরিবেশ পাওয়া গেছে, যা পরিদর্শন করা বাড়ি ও স্থাপনার ৫৩ শতাংশ।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, এডিস মশার বংশবিস্তারের উপযোগী পরিবেশ না রাখতে বারবার অনুরোধ করা হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে জনগণকে এগিয়ে আসতে হবে। এ অভিযানের ফলাফল পর্যালোচনা করে পরবর্তী কার্যক্রম নির্ধারণ করা হবে।
ডিএনসিসি জানায়, অভিযান চালিয়ে সিটি করপোরেশনের পরিদর্শক দল দেখতে পায়, অনেক আবাসিক ভবনে এডিস মশা বংশবিস্তারের অনুকূল পরিবেশ আছে। অনেক বাড়ির ছাদের পরিবেশ ছিল নোংরা। সেখানে পানি জমে থাকা মাটি ও প্লাস্টিকের পাত্র, বালতি, ড্রাম, অব্যবহৃত টায়ার ও কর্কশিট এবং আগাছার জঙ্গল, পরিত্যক্ত খোলা টিন ও কমোড পাওয়া যায়। নির্মাণাধীন ভবনের ভূগর্ভস্থ পানির সংরক্ষণাগার, ফেলে রাখা পাত্র, রঙের কৌটা, পাইপে জমে থাকা পানিতে এডিস মশার লার্ভা জন্মাচ্ছে।
চিরুনি অভিযানের পর ডিএনসিসি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বেশির ভাগ নির্মাণাধীন ভবনের বিভিন্ন পাত্র ও জলাধারে পানি জমে থাকতে দেখা যাচ্ছে। এগুলোতে মশার লার্ভা পাওয়া যাচ্ছে। অনেক বাড়িতে মালিক থাকেন না। নিরাপত্তারক্ষী বা তত্ত্বাবধায়কেরা বাড়িগুলো দেখভাল করেন। তাদের দেখাশোনায় ঘাটতি আছে বলে মনে করেন ওই কর্মকর্তা। ডিএনসিসি সূত্রে জানা যায়, ২০ আগস্ট ডিএনসিসির ১৯ নম্বর ওয়ার্ডে পরীক্ষামূলকভাবে চিরুনি অভিযান শুরু হয়। এ কর্মসূচিতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, পরিচ্ছন্নতা এবং এলাকার মানুষকে সচেতন করার কাজ করছে ডিএনসিসির প্রতিনিধিদল। পরীক্ষামূলক কর্মসূচিতে সাড়া পাওয়ায় ৩৬ ওয়ার্ডেই ১০ দিনব্যাপী চিরুনি অভিযান শুরু করা হয়।
অভিযানের মধ্যে ২৭ আগস্ট সবচেয়ে বেশি স্থাপনা পরিদর্শন করেছে ডিএনসিসির প্রতিনিধিদল। সেদিন ১১ হাজার ৪৬০টি বাড়ি ও স্থাপনা পরিদর্শন করা হয়। এর মধ্যে ছয় হাজার ৬৮৩টি স্থাপনাতেই এডিস মশার বংশবিস্তারের উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়। পরিদর্শক দল এডিস মশার বংশবিস্তারের উপযোগী জায়গাগুলো ধ্বংস করে বা পরিষ্কার করে দেয়। মাঠপর্যায়ে এ অভিযান তদারক করছেন স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলররা। ডিএনসিসির ১১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর দেওয়ান আবদুল মান্নান বলেন, বাসার বিড়ালকে পানি খাওয়ানোর পাত্র ও মিটার বক্সের মতো জায়গাতে লার্ভা পাওয়া যাচ্ছে। অভিযানে এডিস মশা জন্ম নেয়ার ক্ষেত্রগুলো সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করা হচ্ছে। আগের চেয়ে জনগণ এখন মশার প্রজননস্থল নিয়ে অনেক সচেতন। এটি ধরে রাখতে হবে।
অভিযানে কোনো স্থাপনায় এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেলে কীটনাশক দিয়ে লার্ভাগুলো ধ্বংস করা হচ্ছে। আর যে বাড়ি বা স্থাপনায় লার্ভা পাওয়া যাচ্ছে, সেখানে এডিস মশার অস্তিত্ব পাওয়া গেছে লেখা স্টিকার লাগানো হচ্ছে। স সুমনা শারমিন


আরো সংবাদ

৯২তম অস্কারে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে ‘আলফা’ হাসান-আফ্রিদিকে ছাড়া শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দল ঘোষণা করল পাকিস্তান শফিকুল আলম ফিরোজকে কৃষক লীগ থেকে বহিষ্কার মহারাষ্ট্র ও হরিয়ানায় নির্বাচন ২১ অক্টোবর জি কে শামীমের বিরুদ্ধে তিন মামলা অনৈতিক কাজে জড়ালে কাউকে ছাড় দেয়া হবেনা : এলজিআরডি মন্ত্রী মানিকগঞ্জে পানিতে ডুবে দুই চাচাতো ভাইয়ের মৃত্যু নয়া দিগন্তে সংবাদ প্রকাশের পর গরু পেলেন কিশোরগঞ্জের অতুল উদ্দিন যে কারণে সাতজন বডিগার্ড রাখতেন জি কে শামীম যুবলীগ চেয়ারম্যা‌নের পদত্যাগ দা‌বি কর‌ল মু‌ক্তিযুদ্ধ মঞ্চ ময়মনসিংহ রেঞ্জে আবারো সেরা সার্কেল অফিসার সাখের হোসেন সিদ্দিকী

সকল