২১ অক্টোবর ২০১৯

বাস চালাতে দৈনিক চাঁদা ২২০০ টাকা

-

ঢাকা মহানগরের অভ্যন্তরীণ পথে এবং রাজধানী থেকে দূরপাল্লার বাস চালাতে প্রতিদিন চাঁদা দিতে হয় এক হাজার ২০০ থেকে দুই হাজার ২০০ টাকা। মালিক ও শ্রমিক সমিতির নামে এ চাঁদাবাজি চলছে। প্রতিদিন এক কোটি ৬৫ লাখ টাকা চাঁদা ওঠে ঢাকায়। এক দশক আগেও বাসপ্রতি দৈনিক চাঁদা দিতে হতো ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা।
নবগঠিত সংগঠন সড়ক পরিবহন মালিক-শ্রমিক ঐক্য লীগের সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়। গত মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলন হয়। লিখিত বক্তব্যে চাঁদাবাজির জন্য মালিকদের সংগঠন সড়ক পরিবহন সমিতিকে দায়ী করা হয়। এ সময় চাঁদাবাজি বন্ধসহ ৯ দফা দাবি জানিয়ে বলা হয়, একজন ‘গডফাদার’ সমিতিকে নিয়ন্ত্রণ করছেন। তিনি গত কয়েক বছরে নিজস্ব পরিবহন সংস্থার ব্যানারে শত শত বাস নামিয়েছেন। মালয়েশিয়া, কানাডা ও থাইল্যান্ডে বিপুল সম্পদ পাচার করেছেন।
সংগঠনের সদস্য সচিব ইসমাইল হোসেন বাচ্চু সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে দাবি করেন, সড়ক পরিবহন সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্লাহ ও তার অনুসারীরা চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণ করছেন। ঐক্য লীগের নেতাদের দাবি, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খন্দকার এনায়েত সংগঠনে ‘অনুপ্রবেশকারী’।
সদস্য সচিব অভিযোগ করেন, গাড়ির কাগজপত্র দেখার নামে পুলিশ প্রতিদিন চালক-মালিকদের হয়রানি করছে। এ হয়রানি বন্ধের দাবি জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে চাঁদাবাজি বন্ধ, টার্মিনালগুলো থেকে ‘পিস্তল বাহিনী’ উৎখাত, পরিবহন শ্রমিকদের মাসিক বেতনে নিয়োগ, চালকদের সহজে লাইসেন্স দেয়া, দৈনিক আট ঘণ্টা কর্মঘণ্টা নির্ধারণ ও টার্মিনালে বিশ্রামাগার নির্মাণসহ ৯ দফা দাবি জানানো হয়। ঐক্য লীগের আহ্বায়ক এম শাহ আলম, যুগ্ম আহ্বায়ক মোজাহারুল ইসলাম সোহেল ও নজরুল ইসলাম মন্টু, সদস্য বদিউজ্জামান মন্টু প্রমুখ সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেন।


আরো সংবাদ