১৮ নভেম্বর ২০১৯

পুশ বাটন টাইম কাউন্ট-ডাউন সিগন্যাল

-

রাস্তা পার হতে চাইলে ফুটপাথের পাশে থাকা সুইচ চেপে অপেক্ষা করতে হবে। ১২৭ সেকেন্ড অপেক্ষা করতে হবে। এ সময় ডিজিটাল সময় গণনা চলবে আর লাল বাতি জ্বলবে। এরপর জ্বলবে সবুজ রঙের বাতি। জ্বলবে ২৮ সেকেন্ড। সবুজ বাতি পথচারীর পারাপারের সঙ্কেত। এ সময়ের মধ্যেই পার হয়ে যেতে হবে উভয় পাশের পথচারীকে। এরপর আবার লালবাতি জ্বলতে থাকবে।
গত বৃহস্পতিবার আসাদ অ্যাভিনিউয়ের এসএফএক্স গ্রিন হেরাল্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের সামনে সড়ক পারাপারের পরীক্ষামূলক এই পদ্ধতি চালু করেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। এর উদ্বোধন করেন ডিএনসিসির মেয়র আতিকুল ইসলাম। এই পদ্ধতিটি পুশ বাটন টাইম কাউন্ট-ডাউন সিগন্যাল নামে পরিচিত। নতুন ‘পুশ বাটন সিগন্যাল’ চালু উপলক্ষে স্কুলে একটি অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়।
ডিএনসিসির মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘পথচারীদের সড়ক পারাপার নির্বিঘœ করতে ডিএনসিসি দেশে প্রথমবারের মতো এই পদ্ধতি চালু করেছে। পুশ বাটন সিগন্যালে ক্যামেরা লাগানো আছে। এই বোতাম টিপে স্কুলের শিশুদের সাথে সাথে অভিভাবক ও পথচারীরা সড়ক পার হবেন। সে সময় কোনো গাড়ি চলতে পারবে না। সিগন্যাল না মেনে কোনো গাড়ি যদি চলে তাদের বিরুদ্ধে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ট্রাফিক আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন অভিভাবক বলেন, বোতাম চেপে সঙ্কেতের মাধ্যমে রাস্তা পারাপারের এ ব্যবস্থা ভালো। তবে এই ব্যবস্থার সাথে গাড়ির চালক ও পথচারীদের অভ্যস্ত হতে হবে। এই পদ্ধতিতে সড়ক পার হতে হলে ফুটপাথের এককোণে থাকা ট্রাফিক সঙ্কেতের সুইচ চেপে অপেক্ষা করতে হবে। এরপর নির্দিষ্ট সময় অপেক্ষা করে সবুজ বাতি চলার পর জেব্রা ক্রসিং দিয়ে রাস্তা পার হতে হবে পথচারীকে। গ্রিন হেরাল্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের সামনে এই সঙ্কেত বাতির অর্থায়ন করেছে ডিএনসিসি। এর কারিগরি সহায়তা দিয়েছে ট্রাফিক ইঞ্জিনিয়ারিং সার্কেল (টিইসি)।

 


আরো সংবাদ