২২ জানুয়ারি ২০২০

মিয়ানমারের ওপর আস্থা রাখা যায় না : গাম্বিয়া

রোহিঙ্গাদের ওপর গণহত্যা চালানো সেনা কর্মকর্তাদের বিচারের বিষয়ে মিয়ানমারে ওপর আস্থা রাখা যায় না এবং ওই অঞ্চলে সহিংসতা বন্ধে জরুরি পদক্ষেপ নেয়া উচিত। আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে রোহিঙ্গা গণহত্যার বিচারের শেষ দিনে এমনটাই বলেছন, গাম্বিয়ার এক আইনজীবী।

বৃহস্পতিবার শুনানির তৃতীয় দিনে ছিলো যুক্তিখণ্ডন। আগের দুই দিন দুই পক্ষ নিজেদের বক্তব্য উপস্থাপন করেছে। তৃতীয় প্রথম অধিবেশনে মিয়ানমারের যুক্তি খণ্ডন করে বক্তব্য রাখেন গাম্বিয়ার আইনজীবীরা।

এদিনও বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন বন্ধ করতে অন্তবর্তীকালীন ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান গাম্বিয়ার আইনজীবীরা।

গাম্বিয়ার আইনজীবী পল এস রাইখলার বলেন, মিয়ানমার শুনানির সময়ও তাদের সামরিক বাহিনী তাতমাদোর বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ অস্বীকার করতে পারেনি। এমনকি রোহিঙ্গাদের গণহারে দেশ ত্যাগের ঘটনাও অস্বীকার করেনি। তিনি বলেন, মিয়ানমার আগে বিবৃতিতে বলেছি কোন সেনা অপরাধ করে থাকলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

যুদ্ধাপরাধ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ আইনজীবী রাইখলার ১৭ সদস্যের বিচারক প্যানেলের উদ্দেশ্যে বলেন, কিভাবে বিশ্বাস করা যায় যে তাতমাদো নিজেদেরকে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে চালানো গণহত্যার জন্য দায়ী করবে। অথচ এই বাহিনীর কমান্ডার ইন চিফ সিনিয়র জেনারেল মিন অং হ্লাইংসহ শীর্ষ ছয় কর্মকর্তাকে গণহত্যার সাথে জড়িত থাকার জন্য দায়ি করেছে জাতিসঙ্ঘের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশন এবং একই সাথে তাদের অপরাধের বিচারেরও সুপারিশ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, তাই তারা তাদের নিজেদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে এমনটা আশা করা যায় না। এ জন্য আন্তর্জাতিক আদালতেই বিচার হতে হবে। রয়টার্স


আরো সংবাদ