১৯ জুলাই ২০১৯

সংক্ষিপ্ত সংবাদ

-

নড়াগাতিতে যুবকের লাশ উদ্ধার
নড়াইলের নড়াগাতি থানার জয়নগর গ্রামে শ্বশুরবাড়ি এলাকার একটি বাগান থেকে জামাতা আক্কেল মোল্যার (৩৫) রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল সকালে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। আক্কেল গোপালগঞ্জ সদরের চরতালা গ্রামের এলেম মোল্যার ছেলে। এ ঘটনায় কথিত প্রেমিকা মারুফা বেগমকে (৩০) আটক করা হয়েছে। তবে মারুফার স্বামী মাহবুব শেখসহ পরিবারের লোকজন পলাতক রয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, আক্কেল মোল্যার সাথে জয়নগর গ্রামের মাহবুব শেখের স্ত্রী মারুফার প্রায় এক বছর ধরে পরকীয়া চলছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। মাহবুবদের বাড়ির কাছেই দেবদুন গ্রামে আক্কেল মোল্যার শ্বশুরবাড়ি। তার শ্বশুরের নাম সরোয়ার মোল্যা। আক্কেল শ্বশুরবাড়িতে যাওয়া-আসার সূত্র ধরেই মারুফার সাথে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন। পেশায় কৃষক ছিলেন তিনি। আক্কেল মোল্যার বড় ভাই ওমর আলী এ হত্যাকাণ্ডের জন্য মারুফা ও তার স্বামীকে দায়ী করেন। নড়াইল সংবাদদাতা
তাহিরপুরের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যানের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার
সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ও তাহিরপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আনিসুল হকের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করেছে বিএনপি। সোমবার বিএনপির কেন্দ্রীয় উপ-দফতর সম্পাদক বেলাল আহমেদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। আনিসুল হক ছাড়াও দেশের বিভিন্ন জেলার বেশ কয়েকজন নেতার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে।বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের ফলে আনিসুল হকের বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় হতে আর কোনো বাধা থাকল না। আনিসুল হক বিএনপির দুর্দিনে দলীয় নেতাকর্মীদের পাশে ছিলেন। এ ছাড়াও দলীয় সব কার্যক্রম পালন করেন।
সর্বশেষ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিএনপি কেন্দ্রীয়ভাবে সিদ্ধান্ত নেয় নির্বাচনে অংশ না নেয়ার। কিন্তু কেন্দ্রের সিদ্ধান্ত না মেনে তৎকালীন জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আনিসুল হক নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন। সিদ্ধান্ত না মানায় দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে নির্বাচনের আগেই আনিসুল হকসহ সুনামগঞ্জ জেলার বেশ কয়েক জনকে বহিষ্কার করে কেন্দ্র। তাহিরপুর (সুনামগঞ্জ) সংবাদদাতা

গৌরীপুরে কৃষক হত্যায় পাঁচজনের যাবজ্জীবন
ময়মনসিংহের গৌরীপুরে কৃষক আলাউদ্দিন হত্যা মামলায় পাঁচজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার দুপুরে ময়মনসিংহের অতিরিক্ত দায়রা জজ ২য় আদালতের বিচারক মুহাম্মদ নূরুল আমীন বিপ্লব এ দণ্ডাদেশ দেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন গৌরীপুর উপজেলার সিধলা ইউনিয়নের টেংগুরিপাড়া এলাকার খোরশেদ আলমের ছেলে কালা চাঁন (৫৫), মৃত আব্দুস সামাদের তিন ছেলে রুহুল আমীন (৫৭), নূরুল হক (৫৫), মঞ্জুরুল হক (৫২) ও নাসির উদ্দিনের ছেলে নবী হোসেন (৫৫)। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন অতিরিক্ত পিপি রেজাউল করিম খান দুলাল ও আসামি পক্ষের আইনজীবী আব্দুর রহমান আল হোসেন তাজ। ময়মনসিংহ অফিস ও গৌরীপুর সংবাদদাতা


আরো সংবাদ