২২ নভেম্বর ২০১৯
রিফাত হত্যা 

জামিনে থাকা শ্রাবণকে কারাগারে প্রেরণ, বিচারের জন্য প্রস্তুত মামলাটি

আদালতে হাজির হয়েছিলেন আরিয়ান হোসেন শ্রাবন ও রিফাতের স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি - ছবি : নয়া দিগন্ত

আলোচিত বরগুনার রিফাত হত্যা মামলার প্রাপ্তবয়স্ক আসামিদের বিচারের জন্য মামলাটি বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

আজ বুধবার সকালে বরগুনার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাটিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম গাজী এ আদেশ দেন।

এছাড়াও এ মামলার জামিনে থাকা অপ্রাপ্তবয়স্ক আসামি আরিয়ান হোসেন শ্রাবনের জামিন বাতিল করে শিশুকিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে।

একই দিনে বরগুনার শিশু আদালতের বিচারক মো: হাফিজুর রহমান এ আদেশ দিয়েছেন।

এ বিষয়ে রিফাত হত্যা মামলার বাদিপক্ষের আইনজীবী মো: মজিবুল হক কিসলু বলেন, বুধবার রিফাত হত্যা মামলার ধার্য তারিখে বরগুনা জেলা কারাগারে থাকা প্রাপ্তবয়স্ক আট আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। এছাড়াও এ মামলার জামিনে থাকা আসামি নিহত রিফাতের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দকা মিন্নি আদালতে হাজির হন। পরে আদালত প্রাপ্তবয়স্ক আসামিদের অভিযোগপত্রটি বিচারের জন্য প্রস্তুত করে বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ আদালতে প্রেরণ করেন।

এছাড়াও আদালত এ মামলার প্রাপ্তবয়স্ক আসামি কামরুল হাসান সাইমুনকে অনার্স পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করার অনুমতি দিয়েছেন। এ মামলার পরবর্তী তারিখ আগামী ২০ নভেম্বর ধার্য করা হয়েছে।

এদিকে, রিফাত হত্যা মামলার জামিনে থাকা অপ্রাপ্তবয়স্ক আসামি আরিয়ান হোসেন শ্রাবনকে শিশুকিশোর সংশোধনাগারে পাঠানো প্রসঙ্গে তার আইনজীবী গোলাম মোস্তফা কাদের বলেন, গত ৩১ অক্টোবর রিফাত হত্যা মামলার অপ্রাপ্তবয়স্ক আসামিদের অভিযোগপত্র বিচারের জন্য প্রস্তুত করে বরগুনার শিশু আদালতে প্রেরণ করে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। পরে বুধবার এ মামলার ধার্য তারিখে জামিনে থাকা আসামি আরিয়ান হোসেন শ্রাবণ আদালতে হাজির হন। এরপর আদালতের বিচারক মো: হাফিজুর রহমান তার জামিন বাতিল করে শিশুকিশোর উন্নয়ন কেন্দ্র পাঠানোর নির্দেশ দেন।

গত ২৬ জুন রিফাত শরীফ হত্যাকাণ্ড সংগঠিত হয়। এরপর গত ১ আগস্ট এ মামলার তদন্ত শেষে ১০ জন প্রাপ্তবয়স্ক এবং ১৪ জন অপ্রাপ্তবয়স্ককে অভিযুক্ত করে আদালতে পৃথক দুটি অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। এ মামলার ২৪ জন আসামির মধ্যে প্রাপ্তবয়স্ক আসামি মুসা এখনো পলাতক রয়েছেন।


আরো সংবাদ