২৩ আগস্ট ২০১৯

সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে বন্দর চেয়ারম্যান চট্টগ্রামে সাম্প্রতিক সময়ের তীব্র যানজট বন্দরের কারণে নয়

-

সাম্প্রতিক সময়ের তীব্র যানজটের জন্য চট্টগ্রাম বন্দর দায়ী নয় দাবি করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল জুলফিকার আজিজ বলেছেন, জলাবদ্ধতা, পোর্ট কানেকটিং (পিসি) সড়ক সংস্কার, বারিক বিল্ডিং থেকে ফকিরহাট পর্যন্ত ওয়াসার পাইপ লাইন ও সিমেন্ট ক্রসিং এলাকায় এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কাজের জন্য মূল সড়ক সঙ্কুচিত হয়ে যানজট বেড়েছে।
গতকাল দুপুরে বন্দর ভবনের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে বন্দর চেয়ারম্যান এ কথা বলেন। এ সময় বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (প্রশাসন) জাফর আলম, সদস্য (হারবার অ্যান্ড মেরিন) ক্যাপ্টেন এম শফিউল বারী, পরিচালক (নিরাপত্তা) লে. কর্নেল তানভীর আহাম্মদ জায়গীরদার, বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব ওমর ফারুক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
মতবিনিময়কালে বন্দর চেয়ারম্যান বলেন, ১০-১২ দিন নগরে টানা বৃষ্টির কারণে বন্দরের বাইরে বিভিন্ন সড়কে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। এতে চট্টগ্রাম বন্দরসংলগ্ন সড়ক মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সড়কে বড় বড় গর্তের কারণে যান চলাচল বাধাগ্রস্ত হয়। বন্দরে ট্রাক, ট্রেইলার ও কাভার্ডভ্যান ঢোকার বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় বন্দরের বাইরে যানজটের সৃষ্টি হয়, যা কোনো অবস্থাতেই চট্টগ্রাম বন্দরের কারণে সৃষ্টি হয়নি। এ সময় বন্দর থেকে পণ্য ডেলিভারি চার হাজার টিইইউসের (২০ ফুট দীর্ঘ হিসেবে) কম ছিল। তাই তীব্র যানজটের জন্য মূলত প্রাকৃতিক দুর্যোগ, বন্দরের যানবাহন ও গণপরিবহনের একই সড়কে চলাচল ও শহরের জন্য বিকল্প সড়ক তৈরি না হওয়াকে চিহ্নিত করা যায়।
যানজট নিরসনে সম্মিলিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করে বন্দর চেয়ারম্যান বলেন, বন্দরের বাইরের তীব্র যানজট নিরসনে নগরের জন্য প্রস্তাবিত দু’টি রিং রোড বাস্তবায়ন জরুরি। একটি হলো আগ্রাবাদ এক্সেস রোড-বড়পুল-আনন্দবাজার-ইপিজেড সড়ক। অন্যটি জিইসি-সাগরিকা- বেড়িবাঁধ সড়ক। সড়ক দু’টি দ্রুত হলে চট্টগ্রাম শহরের লাইফ লাইন খ্যাত এয়ারপোর্ট-আগ্রাবাদ-লালখানবাজার সড়কে যানজটের তীব্রতা কমে আসবে। বন্দরের পক্ষ থেকে যানজট নিরসনে বে টার্মিনাল ইয়ার্ড নির্মাণের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সেখানে এফসিএল কনটেইনারের পণ্য ডেলিভারির পাশাপাশি একটি আধুনিক ট্রাক টার্মিনাল নির্মাণ করা হচ্ছে।

 


আরো সংবাদ