১৯ এপ্রিল ২০১৯
মাদরাসাছাত্রীকে পুড়িয়ে হত্যাচেষ্টা

মাদরাসাছাত্রীকে পুড়িয়ে হত্যাচেষ্টা : বীভৎস এই ঘটনার পেছনে কারা

নুসরাত জাহান রাফি - ছবি : নয়া দিগন্ত

ফেনীর সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসায় নুসরাত জাহান রাফি নামের এক শিক্ষার্থীকে পুড়িয়ে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। বীভৎস্য এ ঘটনার পেছনে কারা? এ নিয়ে সর্বত্র ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে। গতকাল রোববার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তদন্ত কাজের অগ্রগতি তদারকি করেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি মো: আবুল ফয়েজ।

এ দিকে গতকাল রোববার মাদরাসা গভর্নিং বডির এক জরুরি সভায় কারাবন্দী অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাকে সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত হয়। তিনি ওই ছাত্রীকে যৌন হয়রানি মামলায় ২৭ মার্চ থেকে জেলহাজতে রয়েছেন। বারবার হুমকি-ধমকির পরও মামলা প্রত্যাহার না করায় নুসরাতের এ পরিণতি বলে ধারণা করা হচ্ছে।

পুলিশ, প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় বিভিন্ন সূত্র জানায়, অগ্নিদগ্ধ ওই ছাত্রীর চিৎকার শুনে পরীক্ষাকেন্দ্রে কর্তব্যরত পুলিশ ও মাদরাসার দায়িত্বরত কর্মচারীরা এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। সে মাদরাসার কম্পাউন্ডে অবস্থিত সাইক্লোন শেল্টারের ছাদে আক্রান্ত হয়ে দগ্ধ হয়। তাকে তাৎক্ষণিক সোনাগাজী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। অবস্থা গুরুতর দেখে সেখান থেকে তাকে ফেনী আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়। মুমূর্ষু অবস্থায় শনিবার বিকেলেই তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে প্রেরণ করা হয়।

এখানে সে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছে। হাসপাতালে নেয়ার সময় অ্যাম্বুলেন্সে নুসরাত তার ভাইকে জানায়, তার বান্ধবী নিশাতকে মারধর করা হচ্ছে বলে পরীক্ষার হল থেকে তাকে ডেকে তৎসংলগ্ন সাইক্লোন শেল্টারের ছাদে নেয়া হয়। এ ভবনের দ্বিতীয় তলায় আলিম শ্রেণিকক্ষ ও অধ্যক্ষের কার্যালয়। সেখানে আগ থেকে বোরকা পরা চার ব্যক্তি ওঁৎ পেতে ছিল। তারা তাকে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে দেয়া অভিযোগ প্রত্যাহার করার জন্য চাপ প্রয়োগ করে। নুসরাত এটা করতে অস্বীকার করে। তার ভাষ্য মতে, ‘আমি যা বলেছি সত্য বলেছি। মৃত্যু পর্যন্ত এ অন্যায়ের প্রতিবাদ করে যাব। শিক্ষক হয়ে তিনি কিভাবে গায়ে হাত দিলেন...। এ সময় তিনজন হাত ধরে আরেকজন কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়।’ এতে চিৎকার দিয়ে নুসরাত সিঁড়ি বেয়ে নিচের দিকে দৌড় দেয়। হামলাকারীদের একজনের কণ্ঠ তার চেনা বলে সে দাবি করে। তাহলে পরীক্ষার হল থেকে ডেকে নেয়া ওই শিক্ষার্থী এবং ঘটনায় জড়িত চারজন কারাÑ এ নিয়ে প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। পরীক্ষা শুরু হওয়ার ঠিক আগ মুহূর্তে সংরক্ষিত পরীক্ষাকেন্দ্রে কিভাবে এমন জঘন্য ঘটনা ঘটল এ নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনের দায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে দায়িত্বরত কেউ হামলাকারীদের আসা-যাওয়ার সময় দেখেননি বলে তদন্তকারী কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন।

দায়িত্বরত একটি সূত্রের দাবি, ওই ছাত্রী পরীক্ষার হল থেকে নিজেই বেরিয়ে ছাদে যায় এবং কেরোসিন ঢেলে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। চিৎকার শুনে তারা এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে। এ সময় ছাদ থেকে কেরোসিন বহনকারী পলিথিন, দিয়াশলাই কাঠি ও আগুনে পোড়া বোরখার টুকরো উদ্ধার করা হলেও হামলাকারীদের কাউকে দেখা যায়নি।
তবে মাদরাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের কয়েকজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, নুসরাতকে আগুন লাগিয়েই হামলাকারীরা দক্ষিণ দিকে দ্রুত পালিয়ে যায়। অনেকে দেখলেও প্রাণভয়ে তা গোপন রাখছেন। ওই সূত্র আরো জানায়, ঘটনার দিন সকাল ৮টার দিকে মাদরাসার প্রভাষক মো: আফছার উদ্দিন মোবাইল ফোনে নুসরাতের ভাই আবদুল্লাহ আল নোমানকে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে দেয়া মামলা সম্পর্কে জানতে চান। মামলাটি সমঝোতা করার জন্য তিনি নোমানকে তাগিদ দেন। এ ছাড়া মাদরাসা শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি শাহাদাত হোসেন শামীম অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাটি প্রত্যাহারের জন্য নুসরাতের পরিবারকে অব্যাহতভাবে হুমকি-ধমকি দেয় বলে জানায় নোমান।

স্থানীয় বিভিন্ন সূত্র জানায়, মাদরাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা তার প্রভাব ধরে রাখতে একদিকে সরকারদলীয় কিছু নেতার সাথে গভীর সখ্য বজায় রাখেন এবং অন্য দিকে মাদরাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের একটি অংশকেও নানা সুবিধা দিয়ে লালন করেন। ২৭ মার্চ নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে যৌন হয়রানির অভিযোগে নুসরাতের মায়ের করা মামলায় ওইদিনই গ্রেফতার হন অধ্যক্ষ। ঘটনার পর তার শাস্তি ও মুক্তির দাবিতে পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি পালন হয়ে আসছে।

ওই সূত্রের মতে, ঘটনার পর থেকে অধ্যক্ষের সমর্থিত লোকজন বেপরোয়া হয়ে উঠে। এ নিয়ে সরকারি দলের দু’টি অংশ মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে। শনিবারের বর্বর ঘটনাটি ওই ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ বলে ধারণা করছেন স্থানীয়রা। এ ছাড়া সদ্য গঠিত কমিটি নিয়েও সরকার দলীয় স্থানীয় পৌর কাউন্সিলরসহ প্রভাবশালী একটি অংশের অসন্তোষ রয়েছে। কমিটিতে দীর্ঘদিনের সহসভাপতি সামছুল হক এম কমকে বাদ দিয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি রুহুল আমিনকে স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছে। এছাড়া সদস্য পদে স্থানীয় কাউন্সিলর শেখ মামুন বাদ পড়েছেন। মাদরাসায় নিজের ছেলেমেয়ে না পড়িয়েও অভিভাবক সদস্য হয়েছেন অপর কাউন্সিলর মকসুদ আলম। সম্প্রতি নুসরাতের ঘটনাকে ইস্যু করতে দুইটি পক্ষের প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ ইন্ধন রয়েছে। যারা মনে করছেন, নুসরাত নিজেই আত্মহত্যা করতে চেয়েছিল তারাও বলছে, এর পেছনেও কারো প্ররোচনা থাকতে পারে। যারা মাদরাসায় অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলার ফিরে আসার পথ রুদ্ধ করতে চায় তারা ঘটনা সাজাতে নুসরাতকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করতে পারে।

গতকাল রোববার চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি মো: আবুল ফয়েজ ঘটনাস্থল পরিদর্শনে এলে জেলা ও থানা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সামনে ওসি মো: মোয়াজ্জেম হোসেন জানান, নুসরাত আত্মহত্যা করতে চেয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ সময় বিপুলসংখ্যক গণমাধ্যমকর্মীও উপস্থিত ছিলেন। স্থানীয় এক গণমাধ্যমকর্মী অগ্নিদগ্ধ নুসরাতের রেকর্ডকৃত একটি বক্তব্য এ সময় উপস্থাপন করেন। একাধিক গণমাধ্যমকর্মী জানান, পরীক্ষাকেন্দ্রে এ ধরনের বীভৎসতায় পুলিশের ব্যর্থতা ঢাকতে ওসি মোয়াজ্জেম হোসেন ঘটনাটি ভিন্ন খাতে প্রবাহের চেষ্টা করছেন।
১৬ এপ্রিল পর্যন্ত মাদরাসা ছুটি : সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসায় শনিবার এক আলিম পরীক্ষার্থী ছাত্রীর গায়ে আগুন দিয়ে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় গতকাল রোববার শ্রেণিকার্যক্রম বন্ধ ছিল। বিনা নোটিশে মাদরাসা বন্ধ থাকায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা বিভ্রান্তিতে পড়ে।

শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, শনিবার সকালে তারা ক্লাস শেষ করে বাড়িতে চলে যায়। এরপর কখন মাদরাসা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে তা তারা শোনেনি। এজন্য তারা যথারীতি সকালে ক্লাস করতে আসে। গেট বন্ধ দেখে তারা মাদরাসার সামনের সড়কে অবস্থান করে। কিছুক্ষণ পর অফিস সহকারী এসে মাদরাসা বন্ধের বিষয়টি তাদের জানায়।

মাদরাসার দশম শ্রেণীর শাহ নেওয়াজ জানায়, মাদরাসা বন্ধের বিষয়ে তাদের কিছুই জানানো হয়নি। তাই তারা ক্লাস করতে মাদরাসায় এসে বন্ধের কথা শুনে বাড়ি ফিরে যায়।
অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী আকলিমা আক্তার জানায়, আলিম পরীক্ষা চলাকালে সকাল ৭টা থেকে সাড়ে ৯টা পর্যন্ত মাদরাসায় তাদের নিয়মিত ক্লাস হয়।
মাদরাসার শিক্ষক আবুল খায়ের ও রেজাউল হক বলেন, তারাও মাদরাসা বন্ধের বিষয়টি শুনেননি। তারা ক্লাস নিতে মাদরাসায় যান।
মাদরাসার অফিস সহকারী মো: নুরুল আমিন বলেন, শনিবার দুপুরে সিদ্ধান্ত নিয়ে অনিবার্য কারণে মাদরাসা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। শুধু আলিম পরীক্ষা চলবে।
মাদরাসা পরিচালনা পর্ষদ সভাপতি ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) পি কে এম এনামুল করিম জানান, ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত আলিম পরীক্ষা চলাকালীন শ্রেণী কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।
অধ্যক্ষ বরখাস্ত : সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসায় ছাত্রীকে যৌন হয়রানি ও ওই ছাত্রীকে পুড়িয়ে হত্যা চেষ্টার ঘটনায় অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। গতকাল রোববার পরিচালনা পর্ষদের জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) ও পর্ষদ সভাপতি পি কে এম এনামুল করিম সভাপতিত্ব করেন। ওই সভায় দগ্ধ নুসরাত জাহান রাফির চিকিৎসা সহযোগিতার জন্য মাদরাসা তহবিল এবং শিক্ষকদের পক্ষ থেকে দুই লাখ টাকা অনুদান প্রদানের সিদ্ধান্ত হয়। এ ছাড়া মাদরাসার নিরাপত্তার জন্য দ্রুত ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা স্থাপন, আলিম পরীক্ষা চলার সময় শ্রেণী কার্যক্রম বন্ধ এবং মাদরাসার প্রবীণ শিক্ষক হোসাইন আহম্মদকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব প্রদান করা হয়। অগ্নিসংযোগকারী দুষ্কৃতকারীদের গ্রেফতার এবং আদালতে সোপর্দ করার জন্য মাদরাসার পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করা হবে বলে সভায় সিদ্ধান্ত হয়।
ঢামেকে মেডিক্যাল বোর্ড গঠন : সোনাগাজী মাদরাসায় দগ্ধ ছাত্রীর চিকিৎসার জন্য ৯ সদস্যের মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করেছে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিট। গতকাল রোববার সকাল ১০টায় এই বোর্ড গঠন করা হয়।

শনিবার চিকিৎসকেরা বলেছিলেন, আগুনে মেয়েটির শরীরের ৭৫ শতাংশ পুড়ে গেছে। এর মধ্যে ৪০-৪৫ শতাংশই গভীর। সোনাগাজী থেকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আনার পরপরই তার একটি অস্ত্রোপচার হয়েছে। এখন আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
মেডিক্যাল বোর্ডের মধ্যে রয়েছেন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জাতীয় সমন্বয়ক অধ্যাপক সামন্ত লাল সেন, অধ্যাপক আবুল কালাম, অধ্যাপক রাইহানা আউয়াল, অধ্যাপক নওয়াজেশ খান, অধ্যাপক লুৎফর কাদের, অধ্যাপক বিধান সরকার, অধ্যাপক মহিউদ্দিন, ডা: জাহাঙ্গীর আলম ও জহিরুল ইসলাম।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের সহকারী অধ্যাপক নাসির উদ্দিন বলেন, মেডিক্যাল বোর্ডের মতামতের ভিত্তিতে চিকিৎসা শুরু হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী গতকাল রোববার থেকে নল দিয়ে তাকে খাবার দেয়া হচ্ছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।

জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের অনুদান
মাদরাসা শিক্ষক-কর্মচারীদের সংগঠন বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের পক্ষ থেকে সংগঠনের মহাসচিব অধ্যক্ষ শাব্বীর আহমদ মোমতাজী দগ্ধ নুসরাত জাহান রাফিকে ৫০ হাজার টাকা অনুদান দিয়েছে। আলিম পরীক্ষা দিতে গিয়ে দুর্বৃত্তদের দেয়া আগুনে ঝলসে যাওয়া নুসরাতকে ঢাকা মেডিক্যালের বার্ন ইউনিটে দেখে তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। সেখানে থাকা রাফির বাবা মাওলানা আবু মুছাকে তিনি সান্ত্বনা দিয়ে ধৈর্য ধারণ করতে বলেন। নুসরাত জাহানের পাশে সবসময় বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীন থকবে বলে প্রতিশ্রুতি দেন।
এ দিকে বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর এ কে এম ছায়েফ উল্যাও তাকে দেখতে যান। সেখানে থাকা রাফির পরিবারের সদস্যদের প্রতি তিনি সমবেদনা জানান এবং বলেন, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড সর্বদা নুসরাত জাহান রাফির পাশে থাকবে। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের রেজিস্ট্রার সিদ্দিকুর রহমান, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কামাল উদ্দীন, উপ-রেজিস্ট্রার মুজিবুর রহমান প্রমুখ।


আরো সংবাদ




rize escort bayan didim escort bayan kemer escort bayan alanya escort bayan manavgat escort bayan fethiye escort bayan izmit escort bayan bodrum escort bayan ordu escort bayan cankiri escort bayan osmaniye escort bayan