২৩ জুলাই ২০১৯

নুসরাত হত্যার পরিকল্পনা করা হয় যেভাবে

নুসরাত হত্যার পরিকল্পনা করা হয় যেভাবে - সংগৃহীত

সোনাগাজীতে আগুনে পুড়িয়ে মাদরাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে হত্যার ঘটনায় সরাসরি জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দী দিয়েছে মো: আবদুর রহিম শরিফ। এ নিয়ে তিনজন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিলেন। 

গত বুধবার বিকেল সাড়ে ৩টায় ফেনীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শরাফ উদ্দিন আহমেদের আদালতে হাজির করা হয় শরিফকে। সেখানে তিনি দায় স্বীকার করে রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত জবানবন্দী দেন। মঙ্গলবার রাতে ঢাকার কামরাঙ্গীর চর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। 

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আবদুর রহিম স্বীকারোক্তিতে বলেন, মাদরাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলার নির্দেশে ও পরামর্শে রাফিকে হত্যার জন্য গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন লাগানো হয়। এ জন্য ২৮ ও ৩০ মার্চ দুই দফা কারাগারে থাকা অধ্যক্ষের সাথে দেখা করেন। ৪ এপ্রিল সকালে ‘অধ্যক্ষ মুক্তি পরিষদের’ সভা করা হয়। রাতে ১২ জনের এক বৈঠকে হত্যার পরিকল্পনা চূড়ান্ত ও দায়িত্ব বণ্টন করা হয়। তার দায়িত্ব পড়ে মাদরাসার গেটে। সেখানে নুর উদ্দিন, আবদুল কাদেরও ছিলেন। মাদরাসার ছাদে বোরকা পরে ছিলেন শাহাদাত, জোবায়ের ও জাবের। এ ছাড়া ছাদে ছিলেন মণি ও পপি।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পরিদর্শক মো: শাহ আলম বলেন, আবদুর রহিম স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছেন। এরপর তাকে কারাগারে পাঠিয়ে দেয়া হয়। আসামি নুর উদ্দিন ও শাহাদাত হোসেন শামীম এবং মো: আবদুর রহিম শরিফসহ তিনজন স্বীকারোক্তিতে একই ধরনের কথা বলেছেন। তাদের স্বীকারোক্তি থেকেও মণির নাম উঠে আসে।


আরো সংবাদ