১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০

শ্রদ্ধার প্রতি শ্রদ্ধা বেড়ে গিয়েছিল সে দিনই : প্রভাস

শ্রদ্ধার প্রতি শ্রদ্ধা বেড়ে গিয়েছিল সে দিনই : প্রভাস - ছবি : সংগৃহীত

হিন্দি ছবিতে নাম লিখিয়েছেন বাহুবলী খ্যাত অভিনেতা প্রভাস। নতুন এই ধারার সাথে নিজেকে মানিয়ে নেয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি সংলাপ আর সিনগুলো হিন্দিতে পড়ি। আর স্ক্রিপ্ট পড়ি ইংরেজিতে। নয়তো অভিব্যক্তি ফুটিয়ে তুলতে সমস্যা হয়।’ বাহুবলীর মতো সফল একটি ছবির পর হিন্দী ছবি ‘সাহো’র জন্য কতটা চাপ ছিলো তার। এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, চাপ তো নিশ্চয়ই ছিলো। মিক্সড ফিলিংস বলতে পারেন। দুটো ছবির কোনো ভাবেই তুলনা হওয়া উচিত নয়। ‘বাহুবলী’ ইতিমধ্যেই ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। এমনকি, ভারতবর্ষের বাইরেও। আমি যখন কোনও ছবি বাছি, তখন প্রথমেই দেখি ছবির গল্পের সঙ্গে দর্শক কতটা কানেক্ট করতে পারবেন। সেই সঙ্গে ছবিটা ভরপুর বিনোদন জোগাতে পারবে কি না, সেটাও খেয়াল রাখি। ‘সাহো’র ট্রেলার আর গান দর্শক পছন্দ করেছেন এর মধ্যেই। অনেক ভাষাতে বানানোও হয়েছে ছবিটা।

‘বাহুবলী’র পর বদলে যাওয়া জীবন সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘এখন জীবনকে আগের চেয়ে অনেক বেশি উপভোগ করি। কোনও দিন ভাবিনি যে, ‘বাহুবলী’ এত বড় হিট হবে। এখনও পুরোপুরি বিশ্বাস হয় না ব্যাপারটা!’ তিনি বলেন, ‘আমি এমনিতে প্রাইভেট পার্সন। কিছু ঘনিষ্ঠ বন্ধু এবং পরিবারের সঙ্গেই বেশির ভাগ সময় কাটাই। আর খ্যাতি সামলানোর ব্যাপারে ‘বাহুবলী’র পরিচালক রাজামৌলি আমাকে একটা জিনিস শিখিয়েছিলেন। সেটা হল যে কোনও অবস্থাতেই নিজেকে নম্র এবং মার্জিত রাখা।’

বক্স অফিসের সাফল্য নিজেকে প্রভাবিত করে করে উল্লেখ করে প্রভাস বলেন, ‘বক্স অফিসের রেজ়াল্ট অবশ্যই প্রভাবিত করে আমায়। শুধু আমি কেন, ইন্ডাস্ট্রির সব অভিনেতাদেরই করে। ছবি তৈরি করা এমনিতেই খুব খরচসাপেক্ষ একটা কাজ। সেটা করে ফেলার পরে আর পিছু হঠার কোনও জায়গা থাকে না। তা ছাড়া, কোন অভিনেতার চাহিদা কতটা, সেটাও কিন্তু নির্ণয় করে দেয় বক্স অফিসই।’

ইদানীং হিন্দি ও আঞ্চলিক ছবির মধ্যে ব্যবধান কমে গেছে দাবি করে প্রভাস বলেন, ‘ব্যবধান কমে যাওয়ার সূচনাটা ‘বাহুবলী’ দিয়েই হয়ে গিয়েছে। তবে আমার মতে, ভাল সিনেমা সকলেই ভালবাসেন। শহর-শহরতলি-মফস্‌সল নির্বিশেষে। ‘ম্যায়নে প্যায়ার কিয়া’ আমার মায়ের গ্রামে ১৫০ দিনেরও বেশি চলেছিল। আমার দাদু দশ বারেরও বেশি ছবিটা দেখেছেন। অনেকেই আমাকে জিজ্ঞেস করেন, ‘সাহো’র পর আমি হিন্দি ছবিতে কাজ করব কি না। যদি ‘সাহো’ সফল হয়, কেন করব না?’

অনুস্কা শেট্টির সাথে সম্পর্ক তিনি বলেন, ‘অনুষ্কা আমার ভীষণ কাছের বন্ধু। একসাথে চারটে ছবিতে কাজ করেছি আমরা। একে অপরকে খুব ভাল ভাবে বুঝি এবং চিনি। তবে আমরা ডেট করছি না। করলে বলেই দিতাম। লুকিয়ে কেন রাখব? ‘বাহুবলী’তে আমাদের কেমিস্ট্রি দেখে ভক্তরা আমাদের একসঙ্গে দেখতে চায় সব সময়। এ বার দেখছি আমি কিংবা অনুষ্কা, কোনও একজনকে বিয়েটা করেই ফেলতে হবে। তবে যদি এই গুজব থামে।’

বাহুবলীর পর অনেক জনপ্রিয় হয়েছেন প্রভাস। তবে এই জনপ্রিয়তা বলিউডের খানদের ধারে কাছেও না উল্লেখ করে প্রভাস বলেন, ‘আমি ওঁদের ধারেকাছেও নেই। গত তিরিশ বছর ধরে ইন্ডাস্ট্রিতে রাজত্ব্ করছেন ওঁরা। সেটা কি ছেলেখেলা? ভারতের চলচ্চিত্র জগতে এঁরা প্রত্যেকেই স্বনামধন্য। ৫০ বছর পরেও যখন হিন্দি ছবি নিয়ে লোকে কথা বলবে, তখনও সালমান, শাহরুখ, আমির খানের কথা সকলে মনে রাখবেন।’

ছবিতে রোম্যান্টিক দৃশ্যে নায়িকাদের সাথে কাজ করতে প্রথম দিকে কিছুটা অসুবিধা হলেও এখন স্বাভাবিকই মনে হয় তার কাছে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কেরিয়ারের শুরুর দিকে রোম্যান্টিক দৃশ্যে খুব অসুবিধে হত ঠিকই। মনে আছে, আমি তখন ইন্ডাস্ট্রিতে নতুন। নায়িকাদের সাথে ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে আমি এতটাই জড়সড় হয়ে গিয়েছিলাম যে, পুরো সিনটাই নষ্ট হয়ে গিয়েছিল! ভাবতে পারেন, সেই সময়ে আমি মেয়েদের স্পর্শ পর্যন্ত করতাম না। তবে ‘সাহো’তে শ্রদ্ধার (কপূর) সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা দারুণ! রোম্যান্টিক সিনে ও আমার চেয়ে অনেক বেশি অভিজ্ঞ। সেটে শ্রদ্ধাকে দেখে প্রথমটায় খুব অবাক হয়েছিলাম। এত ছোটখাটো চেহারা, অথচ অ্যাকশন সিনে কী দৃঢ়তার সঙ্গে কাজ করেছে! শ্রদ্ধার প্রতি শ্রদ্ধা বেড়ে গিয়েছিল সে দিনই।


আরো সংবাদ

চিরকুট ঘিরে তদন্ত ইউএনওর মাধ্যমে রাজাকারের তথ্য সংগ্রহ করা হবে : সংসদে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী শ্লীলতাহানি মামলায় সাক্ষ্য দিতে না আসায় ৩ সাক্ষীকে দণ্ড টিএসসিতে নাগরিক পরিষদের মানববন্ধন পুলিশি বাধায় পণ্ড মুজিববর্ষ উপলক্ষে মুক্তিযোদ্ধা সাংস্কৃতিক সংসদের প্রতিযোগিতা জাতীয় দিবসে ইংরেজির পাশাপাশি বাংলা তারিখ ব্যবহারে হাইকোর্টের রুল খালেদা জিয়ার প্যারোলের বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া মেনে চলতে হবে : আইনমন্ত্রী সাংবাদিক হেনস্তাকারী সেই ছাত্রলীগ নেতা ইয়াবাসহ গ্রেফতার কাউন্সিলর রতনকে দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ হুইপের মামলায় পুলিশ কর্মকর্তার জামিন নারী ক্ষমতায়নে সৌদি আরবের প্রশংসা করলেন ইভানকা ট্রাম্প

সকল