১৬ জুলাই ২০১৯

কর্মসূচি দিন রাস্তায় নামব : ফারুক

-

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুক বলেছেন, পুলিশের ভয়ে ঘরে বসে থাকলে আন্দোলনে সফলতা আসবে না। রাস্তায় নামতে হবে। দলের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে হবে। জনগণের মধ্যে আন্দোলনের আকাক্সক্ষা আছে। কিন্তু দলের শক্ত কর্মসূচি নেই।
গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে এক মানববন্ধন কর্মসূচিতে ফারুক বলেন, ‘জনগণ বলতে শুরু করেছে, কিছু কর্মসূচি দেন। মাঠে নামতে আমরা প্রস্তুত। স্বৈরাচার হঠিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় রাজপথের আন্দোলনে নামতে সাহস আমাদের সবারই আছে। আমাদের কৌশল নিতে হবে, রাস্তায় নামতে হবে, আন্দোলন করতে হবে। মানুষ আমাদের সাথে আছে। যাদের দিয়ে ৩০ তারিখের ভোট ২৯ তারিখে শেষ করেছে, যাদের অস্ত্র ও লাঠির আক্রমণে জনগণ রাস্তায় দাঁড়ানো যায়নি, সেই পুলিশকে ভয় পেয়ে যদি আমরা ঘরে বসে থাকি তাহলে দেশনেত্রীর মুক্তি অসম্ভবপর হবে।
জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে অপরাজেয় বাংলাদেশ নামক সংগঠনের উদ্যোগে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে এই মানববন্ধন হয়।
ভিপি ইব্রাহিমের সভাপতিত্বে মানববন্ধন কর্মসূচিতে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য অধ্যাপক সিরাজ উদ্দিন আহমেদ, সহসাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ, সহ-শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক ফরিদা মনি শহীদুল্লাহসহ নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।
দলের নেতৃত্বের কাছ থেকে কর্মসূচি দাবি করে জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, আমার সংগ্রামী মহাসচিব বলেছেন, সাহস হারানো যাবে না, ধৈর্য ধরতে হবে। কত দিন আমরা ধৈর্য ধরব? মহাসচিবকে বলতে চাই তৃণমূল প্রস্তুত। আমরা ৫৭০ জনের কমিটি (কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি) কমসূচিতে আসি না। গ্যাসের দাম, বিদ্যুতের দাম, গুম-হত্যা-শিশু ধর্ষণের প্রতিবাদ জানাতে জনগণ আপনাদের (নেতাদের) কাছে কর্মসূচি চায়। নেতাদের বলব, আমাদের কর্মসূচি দেন।
সরকার ও সরকারি দলের নেতদের উদ্দেশ্যে সাবেক এই বিরোধীদলীয় চিফহুইপ বলেন, বেগম খালেদা জিয়া ১৮ মাসের উপরে কারাগারে আছে। কী কারণে তাকে আপনাদের এত ভয়। তারেক সাহেবকে কেন এত ভয়। তাকে (তারেক রহমান) দেশে আসতে দেন। রাজনীতি করতে দেন। যদি কোনো অন্যায় করে থাকে, দেশের প্রচলিত আইন আছে। তারেক রহমানকে নির্বাসিত করে রেখে তার বিরুদ্ধে কথা বলবেন সেটি তো এত প্রাচীন একটি রাজনৈতিক দলের মুখে শোভা পায় না। এমন আচরণই প্রমাণ করে একটি রাজনৈতিক দলের দেউলিয়াত্ব, রাতের অন্ধকারের সরকার কত অসহায়।
জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, ক্ষমতাসীনদের বলছি, আপনারা পদত্যাগ করেন। না করলে কী হবে তা আপনাদের ভালোই জানা আছে। আমার মনে পড়ে, নব্বইতে এরশাদও পদত্যাগের কয়েক ঘণ্টা আগে কোথায় ব্রিজ উদ্বোধন করতে গিয়ে হাসতে হাসতে বলেছিলেন কিসের পদত্যাগ? সেই এরশাদেরও পতন হয়েছে। অবশ্য সে এখন মৃত্যুশয্যায়, আল্লাহ তাকে হায়াত-দারাজ করুক।

 


আরো সংবাদ

এ মুহূর্তে বন্যায় কৃষিতে ক্ষতি কম হবে : কৃষিমন্ত্রী এ বছরই ঢাবি থেকে সাত কলেজের অধিভুক্তি বাতিলের দাবি বন্যায় ৭ শিশুর মৃত্যু মিয়ানমারকে অবশ্যই রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে হবে : প্রধানমন্ত্রী ‘৬ না ৫ রান’ নিয়ে তুমুল বিতর্ক বিশ্বকাপ শিরোপা বঞ্চিত করা হয়েছে নিউজিল্যান্ডকে! বিচারকের খাস কামরায় আসামিকে কুপিয়ে হত্যা সাত দিনে ডিএসইর মূলধনের ১৯ হাজার কোটি টাকা হাওয়া আস্থাহীন পুঁজিবাজারে এবার বিপর্যয়ের আতঙ্ক উল্লাপাড়ায় ট্রেনের ধাক্কায় বর-কনেসহ নিহত ৯ অন্যান্য স্থানে নিহত আরো ৯ খালেদা জিয়ার মুক্তি ও পুনর্নির্বাচন দাবি নিয়ে মাঠে নামছে বিএনপি অস্তিত্বসঙ্কটে দেশীয় ডেবিট-ক্রেডিট কার্ড উৎপাদকেরা আমদানি কার্ডে শুল্ক প্রত্যাহার, শত কোটি টাকার রাজস্ব হারানোর শঙ্কা ডাম্পিং স্টেশনে মিলল নারীর ৬ টুকরো লাশ

সকল