২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯
ছাত্রদলের কাউন্সিল

প্রার্থীদের উদ্দেশে সতর্ক বার্তা সাবেক সভাপতি-সম্পাদকদের

-

ছাত্রদলের আসন্ন কাউন্সিল উপলক্ষে প্রার্থীদের উদ্দেশে সতর্কমূলক বার্তা দিয়েছেন সংগঠনের সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা। প্রার্থীরা সাবেক ছাত্র নেতাদের কারো কারো নাম ভাঙিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছেন এবং ভোটারদের মনোযোগ আকর্ষণের চেষ্টা করছেন এমন অভিযোগের পরই এই বার্তা দেয়া হলো। এছাড়া ছাত্রদলের সাবেক দুইজন সভাপতি আওয়ামী পরিবারের একজন সন্তানকে সভাপতি করার ব্যাপারে নিজেরাই ফোন করে ভোট চাইছেন। এমনকি বিভিন্ন জেলার বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাদের ভোটের ব্যাপারে বলছেন মর্মে অভিযোগ উঠেছে। এসব কারণেই ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক ও নেতৃবৃন্দ যৌথ বিবৃতি দিয়েছেন।
সংগঠনের আসন্ন কাউন্সিলের প্রার্থী ও কাউন্সিলরদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বিবৃতিতে বলা হয়, ছাত্রদলের ৬ষ্ঠ কাউন্সিলকে কেন্দ্র করে আমরা সাবেক ছাত্রদল সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক বিশেষ করে ৬ষ্ঠ কাউন্সিলে নির্বাচন পরিচালনা, যাচাই-বাছাই ও আপিল কমিটির সাথে সংশ্লিষ্ট সাবেক ছাত্র নেতৃবৃন্দ অত্যন্ত উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করছি যে, কিছু প্রার্থী বা তাদের সমর্থকরা তাদের নির্বাচনী প্রচারণায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিশেষ করে ফেসবুকে সাবেক কোনো কোনো ছাত্র নেতার নাম ও বিভিন্ন প্রোগ্রামের পুরনো ছবি ব্যবহার করে নিজেদের অনুকূলে প্রচারণা চালাচ্ছেন, এর ফলে কারো মনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হতে পারে। যা কোনোভাবেই কাম্য নয়, বরং অত্যন্ত দুঃখজনক।
তারা বলেন, আমরা অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে উল্লেখ করতে চাই, একটি অবাধ, সুষ্ঠু, স্বচ্ছ, সুন্দর কাউন্সিল অনুষ্ঠানের স্বার্থে আমাদের অবস্থান নির্মোহ ও পক্ষপাতহীন এবং কোনোক্রমেই কোনো বিশেষ প্রার্থীর প্রতি আমাদের কোনো অনুরাগ বা আনুকূল্য নেই।
দলের অভ্যন্তরে গণতন্ত্র চর্চার এ প্রক্রিয়ায় আমরা বিশ্বাস করি একটি নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের হারানো গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে নেতৃত্বদানের যোগ্য নেতৃত্ব কাউন্সিলররা বেছে নিতে তাদের বিবেক ও প্রজ্ঞাকে কাজে লাগাবেন। আমাদের প্রাণপ্রিয় দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আজ ২০ মাস স্বৈরাচারের কারাগারে মিথ্যা ও সাজানো মামলায় অবিচারের শিকার হয়ে বন্দী রয়েছেন। এটি বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে একটি কালো অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। এমনি প্রেক্ষাপটে কাউন্সিলরদের প্রতি আমাদের আহ্বান তারা যেন আগামীর এমন এক ছাত্র নেতৃত্ব নির্বাচন করেনÑ যারা দেশনেত্রীর কারামুক্তির আন্দোলনকে বেগবান করে জনগণের ক্ষমতায়নের লড়াইকে যৌক্তিক লক্ষ্যে নিয়ে যেতে সক্ষম হয়।
আমরা সব প্রার্থী ও তাদের সমর্থকদের সতর্ক করে বলতে চাই কোনো মহল যেন ছাত্রদলের কাউন্সিল সংশ্লিষ্ট কমিটিভুক্ত সাবেক কোনো ছাত্র নেতার নাম কোনোক্রমেই ব্যবহার না করেন। এর অন্যথা হলে দায়ীদের ব্যাপারে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করা হবে।
সাবেক ছাত্র নেতৃবৃন্দ কাউন্সিলরদের প্রতি যোগ্য প্রার্থী নির্বাচনে তাদের রাজনৈতিক আদর্শ ও বিবেকের প্রতি দায়বদ্ধ থাকার আহ্বান জানান। বিবৃতিদারা হলেনÑ শামসুজ্জামান দুদু, ড. আসাদুজ্জামান রিপন, আমানউল্লাহ আমান, রুহুল কবির রিজভী, ফজলুল হক মিলন, খায়রুল কবির খোকন, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, কামরুজ্জামান রতন, হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, এ বি এম মোশাররফ হোসেন, আজিজুল বারী হেলাল, শফিউল বারী বাবু, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, আমিরুল ইসলাম খান আলীম, আব্দুল কাদির ভূঁইয়া জুয়েল, হাবিবুর রশিদ হাবিব, রাজিব আহসান, মো: আকরামুল হাসান।
প্রসঙ্গত, বেশির ভাগ প্রার্থীই ছাত্রদলের সাবেক নেতৃবৃন্দের ছবি যুক্ত করে অনলাইনে প্রচারণা চালাচ্ছেন। ভোটারদের কাছেও একইভাবে অমুক ভাইয়ের অনুসারী বলে উপস্থাপন করছেন। ফলে সাবেক নেতৃবৃন্দের মাঝে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে।


আরো সংবাদ

হামলাকারী দেশকে ‘মূল রণক্ষেত্র’ করা হবে : ইরান দফায় দফায় উচ্ছেদের পরও যৌবন ফিরেনি বুড়িগঙ্গায় এক মাসে ২০ হাজার কোটি টাকা মূলধন হারাল ডিএসই ধরা পড়লে কেউ চেনে না জুয়ার শীর্ষ নিয়ন্ত্রকেরা ধরাছোঁয়ার বাইরে জি কে শামীমের সাথে দু’টি ছবি নিয়ে না’গঞ্জে তোলপাড় কিশোর অপরাধ প্রতিরোধে পরিবার ও সমাজকে এগিয়ে আসতে হবে প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী নেতৃত্বে দেশ আজ উন্নয়নের মহাসড়কে : ড. আব্দুর রাজ্জাক এরশাদের স্মরণসভায় জি এম কাদের জাতি দুর্নীতিমুক্ত সমাজ দেখতে চায় সমুদ্র নিরাপত্তা ও ব্লু-ইকোনমি বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত জাতিসঙ্ঘের অধিবেশনে যোগ দিতে টেলিলিংক গ্রুপ চেয়ারম্যানের ঢাকা ত্যাগ

সকল