১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯

কৃষিমন্ত্রীকে নর্থ এন্ড-এফএও বিশ্ব মানের কফি বাংলাদেশে

-

কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, ধাননির্ভর কৃষির পাশাপাশি অপ্রচলিত লাভবান কৃষির দিকে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। ধানের ন্যায্য মূল্য না পাওয়ায় কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। তাই কৃষকদের কফি, কাজুবাদাম, অ্যাবোকাডোসহ বিভিন্ন বেশি মূল্যের ফসল চাষে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।
গতকাল বুধবার সচিবালয়ে মন্ত্রীর সাথে মন্ত্রণালয়ে তার অফিস কক্ষে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিষ্ঠান নর্থ এন্ড (প্রাইভেট) লিমিটেডের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর রিক হার্বাড সাক্ষাৎ করতে এলে মন্ত্রী এ কথা বলেন। প্রতিনিধিদলে ছিলেন চিফ ওপারেটিং অফিসার এরিয়েল মার, স্ট্রাটেজিক অ্যাডভাইজার ও হিলট্রাক কফি প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর মোস্তফা হোসেইন ফারাজী।
রিক হার্বাড বলেন, আমরা ২০১১ সালে বান্দরবানের রুমা উপজেলায় কৃষকদের মাধ্যমে ৫০০টি কফি গাছের চারা দিয়ে কফি চাষ শুরু করি। বর্তমানে সাজেক ভ্যালিসহ আমাদের মোট গাছের সংখ্যা দেড় লাখ। বিগত দুই বছর যাবৎ সারা বাংলাদেশের কফি বাজারজাত করছি এবং রফতানি করছি। নর্থ এন্ড ও এফএও মনে করে, বাংলাদেশের কফি বিশ্ব মানের। এই কফি চাষ পরিবেশের জন্য উপযোগী, পানি কম লাগে, পোকামাকড় ও রোগজীবাণুর আক্রমণ নেই। কফিগাছ তিন বছর বয়স থেকে ফলন দেয় এবং ৯০ বছর পর্যন্ত অব্যাহত থাকে। এ ছাড়া কফি প্রসেসিং মেশিনের দাম ছিল মাত্র ৫০০ ডলার। বর্তমানে এফএও এই মেশিন ফ্রি দিচ্ছে।
মন্ত্রী বলেন, আমরা কফি উৎপাদন করছি। একই সাথে দেশে কফি উৎপাদন বাড়ানোর জন্য কাজ করছি। এজন্য আমরা কিছু কৃষককে ভিয়েতনামে পাঠাবো হাতেকলমে অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য। আমরা বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে কৃষিজাত পণ্য রফতানি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে চাই।
রিক হার্বাড বলেন, আমাদের কফি রফতানির ক্ষেত্রে ডিউটি ফি কমানো হলে আমাদের এই ব্যবসার জন্য ভালো হবে। এর পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রী জানান, কৃষিজাত পণ্যের ওপর সরকার প্রণোদনা দিয়ে থাকে, সে ক্ষেত্রে কফিকেও এর আওতায় আনা হবে। তিনি নর্থ এন্ডকে সব ধরনের সহযোগিতা দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। এ ছাড়া ভিয়েতনাম থেকে উন্নত জাতের কফি চারা এনে দেশে চাষ করা হবে বলে জানান তিনি।

 


আরো সংবাদ