০৯ ডিসেম্বর ২০১৯

৩ আইন কর্মকর্তার নিয়োগ প্রশ্নে রুল

-

দুই ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল (ডিএজি) হারুনুর রশীদ ও কামালউদ্দীন আহমেদ এবং এক সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল (এএজি) আল মামুন কোন কর্তৃত্ব বলে পদে আছেন তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
এ ছাড়া আরো ছয় সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্তির তারিখ ভেরিফাই (যাচাই) করে চার সপ্তাহের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সচিবের প্রতি নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
গতকাল বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি খন্দকার দিলীরুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ আইন কর্মকর্তা নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ তুলে এক আইনজীবীর দায়ের করা রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে রুলসহ এই আদেশ দেন।
আইন সচিব, সলিসিটর, বার কাউন্সিলের সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। এর আগে গত ৪ নভেম্বর আইনজীবী ফরহাদ উদ্দিন আহমেদ ভূঁইয়া বাদি হয়ে এই রিট করেন। আদেশের পরে ফরহাদ আহমেদ বলেন, সংশোধিত ল’ অফিসার্স অ্যাক্ট-২০০১ এর আর্টিকেল ৩(২) অনুযায়ী ডিএজি নিয়োগ পাবেন যারা বিচারপতি হওয়ার যোগ্যতা রাখেন তারা। অর্থাৎ আইনজীবী হিসেবে ১০ বছরের প্রাকটিসের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে এবং বয়স ৬৭ বছর অতিক্রম করা যাবে না। এ ছাড়া এই আইন অনুযায়ী সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হতে হলে আইনজীবী হিসেবে পাঁচ বছরের প্রাকটিসের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। কিন্তু ডিএজি হারুন-অর রশিদ ও কামাল উদ্দিন আহমেদের বয়স ৬৭ বছর অতিক্রম করেছে। এ ছাড়া এএজি আল মামুনের আইনজীবী হিসেবে প্রাকটিস পাঁচ বছর পূর্ণ হয়নি। তাই তাদের ব্যাপারে রুল দিয়েছেন হাইকোর্ট। এ ছাড়া ছয়জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের নিয়োগ আদেশের পাশে আইনজীবী অন্তর্ভুক্তির তারিখ উল্লেখ নেই। এ কারণে হাইকোর্ট বার কাউন্সিলের সচিবকে তাদের এনরোলমেন্টের ডেট যাচাই করে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলেছেন। এই ছয়জন হচ্ছেনÑ মো: আব্দুল আজিজ মাসুদ, মাসুদ রানা মোহাম্মদ হাফিজ, মো: আবুল হাসান, মো: হুমায়ূন কবির বাবুল, রায়হান কবির ও সাহিদা বেগম। গত ৭ জুলাই সরকার এসব ডিএজি ও এএজিদের নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে।


আরো সংবাদ