১৪ ডিসেম্বর ২০১৯

গ্রামীণফোনের কাছে বিটিআরসির পাওনা আদায়ের আদেশ ১৮ নভেম্বর শর্তসাপেক্ষে ২০০ কোটি টাকা পরিশোধে আগ্রহী জিপি

-

টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসির নিরীক্ষা দাবির ১২ হাজার ৫৭৯ কোটি ৯৫ লাখ টাকার মধ্য থেকে শুধু ২০০ কোটি টাকা শর্তসাপেক্ষে পরিশোধ করতে চায় গ্রামীণফোন।
প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন ছয় বিচারপতির অ্যাপিলেট ডিভিশন বেঞ্চকে গতকাল বৃহস্পতিবার এ কথা জানান গ্রামীণফোনের আইনজীবী ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস। এর বিরোধিতা করে বিটিআরসির আইনজীবী মাহবুবে আলম কোম্পানিটির কাছে পাওনা আদায়ে বিটিআরসির নোটিস স্থগিত করে দেয়া হাইকোর্টের আদেশ স্থগিতের আরজি জানান। তবে আদালত তাতে সায় না দিয়ে এ বিষয়ে আদেশের জন্য আগামী ১৮ নভেম্বর সোমবার দিন রেখেছেন। গ্রামীণফোনের পক্ষে শুনানিতে আরো ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী এ এম আমিন উদ্দিন, আইনজীবী মেহেদী হাসান চৌধুরী, শরীফ ভূঁইয়া ও আইনজীবী তানিম হোসেইন শাওন। বিটিআরসির পক্ষে আরো ছিলেন খন্দকার রেজা-ই-রাকিব।
শুনানিতে গ্রামীণফোনের আইনজীবী ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস বলেন, অর্থমন্ত্রীসহ দুই মন্ত্রীর উপস্থিতিতে প্রতিনিধিদের নিয়ে গত ৩ অক্টোবরের বৈঠকে ২০০ কোটি টাকা দেয়ার প্রস্তাব করা হয়। শর্ত ছিল গ্রামীণফোনের ওপর বিটিআরসির আরোপ করা প্রতিবন্ধকতাগুলো তুলে দেয়ার। এই প্রস্তাব অনুসারে দুই কিস্তিতে গ্রামীণফোন ওই টাকা বিটিআরসিকে দিতে সম্মত হয়। অন্য দিকে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, অন্তত পাওনার ৫০ ভাগ অর্থ গ্রামীণফোন জমা দিক। তারপর কমিটির মাধ্যমে বাকি অর্থ পরিশোধের বিষয়ে আলোচনা হতে পারে। মাহবুবে আলম হাইকোর্টের আদেশ স্থগিতের আরজি জানান। এ সময় আদালত বলেন, নমনীয় দৃষ্টিতে দেখতে হবে। বিটিআরসির পাওনা দাবি নিয়ে গ্রামীণফোন নিম্ন আদালতে একটি মামলা করে। পাওনা দাবির অর্থ আদায়ের ওপর অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা চায় গ্রামীণফোন। এই নিষেধাজ্ঞার আবেদন নামঞ্জুর হলে তারা হাইকোর্টে আপিল করে।
গত ১৭ অক্টোবর হাইকোর্ট আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করে ওই অর্থ দাবি আদায়ের ওপর দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা দেন। এই আদেশ স্থগিত চেয়ে বিটিআরসি আবেদন করে, যা চেম্বার বিচারপতির আদালত হয়ে আপিল বিভাগে শুনানির জন্য আসে।


আরো সংবাদ