১৪ ডিসেম্বর ২০১৯

মৎস্যজীবী লীগে পরীক্ষিত ও ত্যাগী নেতৃত্ব চায় তৃণমূল

-

মৎস্যজীবী লীগের জাতীয় সম্মেলন আগামী ২৯ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। সম্মেলন ঘিরে সংগঠনটির হালের রাজনীতি চাঙা হয়ে উঠেছে। শীর্ষ নেতৃত্বে আসতে জোর তৎপরতা চালাচ্ছেন সংগঠনটির বেশ কয়েকজন নেতা। পদপ্রত্যাশী নেতারা নিয়মিত শোডাউন ও মিছিল নিয়ে হাজিরা দিচ্ছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউ ও আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে। রাজধানীজুড়ে শোভা পাচ্ছে পদপ্রত্যাশীদের রঙ-বেরঙয়ের ব্যানার-ফেস্টুন।
তৃণমূলপর্যায়ের নেতাকর্মীরা মনে করেন, দুঃসময়ের কাণ্ডারী, মেধাবী, ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাদের মধ্যে থেকে যাচাই বাছাই করে এবার সম্মেলনে মৎসজীবী লীগের শীর্ষ নেতৃত্ব তুলে আনা হবে। ইতোমধ্যে যারা বিতর্কিত তারা কৃষকলীগ, জাতীয় শ্রমিক লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ থেকে ছিটকে পড়েছেন। ওই সব সংগঠনের নতুন নেতৃত্ব দেয়া হয়েছে। আওয়ামী লীগের হাইকমান্ডও ত্যাগী ও পরীক্ষিতদের মূল্যায়ন করবেনÑ এমন প্রত্যাশা আছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সম্মেলনকে কেন্দ্র করে সব ধরনের প্রস্তুতি প্রায় শেষপর্যায়ে এসেছে। গঠিত আটটি উপ-কমিটির সদস্যরা প্রতিনিয়ত বৈঠক করে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ ও বাস্তবায়ন শুরু করেছেন। রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটশন মিলনায়তনে সম্মেলনের মূল আয়োজন করা হচ্ছে। সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। যার কারণে মঞ্চ ও গোটা ফার্মগেট এলাকা ঘিরে নানা ধরনের ব্যতিক্রমী পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সংগঠনটি। আজ শনিবার সন্ধ্যায় গণভবনে সম্মেলনের সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে সংগঠনটির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ দেখা করার কথা রয়েছে।
মৎস্যজীবী লীগ সূত্র বলছে, এবারের সম্মেলনে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতি ভিন্ন মাত্রা এনে দিবে। নতুন নেতৃত্বের পাশাপাশি আওয়ামী লীগের শক্ত অঙ্গ সংগঠন হিসেবে স্বীকৃতি পাবে মৎস্যজীবী লীগ। যার কারণে সংগঠনটির নতুন নেতৃত্ব ঘিরে এক ধরনের লড়াই শুরু হয়েছে। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে আসতে জোর লবিং-তদবির করছেন একাধিক নেতা। এর মধ্যে সভাপতি পদে আলোচনায় আছেন বর্তমান কমিটির আহ্বায়ক ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ, সদস্য সচিব ও সাবেক কার্যকরী সভাপতি শেখ আজগর নস্কর ও যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল আলম মানিকসহ অন্তত একডজন নেতা। সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় আছেন যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট হারুন অর রশিদ, গিয়াস খান, ফিরোজ খান ও মো: ইউনুসসহ ডজন নেতা। এর মধ্যে সাবেক কার্যকরী সভাপতি শেখ আজগর নস্কর রাজধানীর বৃহত্তর সবুজবাগ থানা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক এবং ২০০৪ সালে মৎস্যজীবী লীগের প্রতিষ্ঠাকালীন কমিটির সহ-সভাপতি ছিলেন। নিজ জেলা ঠাকুরগাঁও জেলায় ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে যুক্ত ছিলেন বলে জানা গেছে। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে শেখ আজগর নস্কর বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করেছি। এরপর ২০০৪ সাল হতে মৎস্যজীবী লীগের রাজনীতি করি। ওয়ান-ইলেভেনের আমলে মৎস্যজীবী লীগের ব্যানারে আমরা সক্রিয় ছিলাম, যার প্রমাণ ওই সময়ের পত্রপত্রিকা দেখলে পাওয়া যাবে। তিনি বলেন, ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন বিরোধী আন্দোলন করতে গিয়ে নির্যাতন ও মামলার শিকার হই। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মা তৈয়বা মজুমদারের করা মামলায় আমাকে আসামি করা হয়। আমার বাবা মরহুম শেখ ইদ্রিস আলী একজন খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা। তিনি সারাজীবন আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে যুক্ত ছিলেন। আশা করি, নেত্রী এবারের সম্মেলনে মূল্যায়ন করবেন।
সম্মেলন প্রস্তুতি নিয়ে বিদায়ী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও আহ্বায়ক কমিটি সদস্য শফিকুল আলম শফিক সাংবাদিকদের বলেন, আমরা একটি সফল সম্মেলন করার জন্য সব ধরনের উদ্যোগ নিয়েছি। এবারের সম্মেলনের মধ্য দিয়ে দলের জন্য নিবেদিত, ত্যাগী এবং পরীক্ষিত নেতৃত্ব নেত্রী আমাদের উপহার দেবেন। মৎস্যজীবীদের অধিকার আদায় ও মৎস্যসম্পদ বিকাশে ২০০৪ সালের ২২ মে মৎস্যজীবী লীগের যাত্রা শুরু হয়।মনিরুল ইসলাম রোহান


আরো সংবাদ

জার্মানিতে গুপ্তচরবৃত্তি : ভারতীয় দম্পতির শাস্তি ভারতে নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ অব্যাহত দাম কমলেও পেঁয়াজ নিয়ে অস্বস্তি কমেনি ভারতের নতুন নাগরিকত্ব আইন বৈষম্যমূলক : জাতিসঙ্ঘ শ্রমিকদের বেতন ন্যূনতম ১৫ হাজার টাকা নির্ধারনসহ ৪ দফা দাবি গাজীপুরে ডায়রিয়ার রোগীর সংখ্যা বাড়ছে খালেদা জিয়া ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত : লেবারপার্টি সোনারগাঁওয়ে বিজয় র্যালি ও আলোচনা অনুষ্ঠিত রোহিঙ্গা গণহত্যা নিয়ে আইসিজের শুনানিতে বাংলাদেশের সন্তোষ রাজস্ব বোর্ডের নির্দেশনা ৫ মাসেও বাস্তবায়ন হয়নি বেনাপোল চেকপোস্টে আইটি খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে বাংলাদেশী-ব্রিটিশদের প্রতি আহ্বান হাইকমিশনারের

সকল