২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০
সংসদে অর্থমন্ত্রীর প্রতিবেদন

কমেছে রাজস্ব আহরণ বেড়েছে সরকারি ব্যয়

-

চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে রাজস্ব আদায় হয়েছে ৫৫ হাজার ৪৯৩ কোটি টাকা, যা গত অর্থবছরের চেয়ে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ কম। অন্য দিকে এই প্রান্তিকে সরকারি ব্যয় বেড়েছে ১৫ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ।
গতকাল সংসদে উত্থাপিত ২০১৯-২০ অর্থবছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রথম প্রান্তিকে সামষ্টিক অর্থনীতির গতি-প্রকৃতি বিশ্লেষণ সংক্রান্ত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানান অর্থমন্ত্রী আ হম মুস্তফা কামাল।
প্রতিবেদনে বলা হয়, চলতি অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ৩ লাখ ৭৭ হাজার ৮১১ কোটি টাকা। এর মধ্যে প্রথম প্রান্তিকে আদায় হয়েছে ৫৫ হাজার ৪৯৩ কোটি টাকা। এ সময়ে কর রাজস্ব আহরণের পরিমাণ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়েছে এবং করবহির্ভূত রাজস্ব আহরণের পরিমাণ ৪৫ দশমিক ১ শতাংশ কমেছে।
প্রতিবেদন অর্থমন্ত্রী বলেন, রাজস্ব আহরণ বাড়ানোর লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। রাজস্ব আহরণ বাড়াতে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণের ফলে চলতি অর্থবছরে অবশিষ্ট সময় রাজস্ব আহরণের গতি আনবে বলে আশা করা যাচ্ছে। এতে বলা হয়, ২০১৮-১৯ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকের তুলনায় চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে মোট সরকারি ব্যয় বেড়েছে ১৫ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ। বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) তথ্য অনুযায়ী চলতি অর্থবছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি ব্যয়ের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২৩.৩ শতাংশ এবং বাস্তবায়নের হার দাঁড়িয়েছে মোট বরাদ্দের ৮.৩ শতাংশ যা বিগত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ছিল ৭.৯ শতাংশ।
চলতি অর্থবছরের নতুন ভ্যাট আইন কার্যকর করা হয়েছে জানিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, এর বাস্তবায়নের প্রস্ততিজনিত কারণে এনবিআরের তথ্যমতে প্রথম প্রান্তিকে এনবিআর কর রাজস্ব আয়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১.৬২ শতাংশ। প্রবাসী আয়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৬.৫৯ শতাংশ, যা বিগত একই সময়ে ছিল ১৪.০৯ শতাংশ। সরকারের ২ শতাংশ প্রণোদনার সিদ্ধান্তের কারণে প্রবাসী আয় বিপুলভাবে বেড়েছে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কার্যকর ও গতিশীল নির্দেশনায় চলতি অর্থবছরের বাজেট বাস্তবায়ন, সামস্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষা ও উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে সরকারের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।


আরো সংবাদ