১৭ নভেম্বর ২০১৯

টেস্ট সিরিজ সামনে আসলো, পেসারদের নিয়েও বাড়লো দুশ্চিন্তা

এটি আর নতুন কিছু নয়। টেস্ট সিরি সামনে আসলেই চোটের কারণে পেস বোলারদের কেউ না কেউ দল থেকে ছিটকে পড়ছেন। গেল তিন সিরিজে ভিন্ন ভিন্ন সংস্করণে সাইফউদ্দিন, মাশরাফি, ইয়াসিন আরাফাত স্কোয়াডে থেকেও চোটের কারণে বাদ পড়ছেন শেষ মুহূর্তে। একই কারণে আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট দলে বিবেচিত হননি মোস্তাফিজ। পেসারদের চোট চিন্তায় ফেলেছে নির্বাচকদের।

ভারত সফরের জন্য টি-টুয়েন্টি ও টেস্ট দল ঠিক করতে নির্বাচকদের মাথায় রাখতে হচ্ছে পেসারদের চোট সমস্যা। প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন জানালেন, পেসারদের চোটের মিছিল ভোগাচ্ছে তাদের।

‘গত ছয় মাস ধরে আমরা পেস বোলারদের নিয়ে যথেষ্ট শঙ্কায় আছি। এখন এমন একটি অবস্থা দাঁড়িয়েছে যে, অনেকগুলো খেলোয়াড় ইনজুরিতে। যদি এক থেকে দশ জনের একটি তালিকা করি, দেখা যাবে পাঁচজনই ইনজুরিতে আছে। এইচপিতে অনেকগুলো তরুণ খেলোয়াড় আছে, তারাও ইনজুরিতে পড়েছে। এটি আমাদের যথেষ্ট ভোগাচ্ছে।’

‘এখন কিছু খেলোয়াড় সেরে উঠছে। আমাদের পেস বোলারদের নিয়ে সবসময় একটি প্রশ্ন আছে যে, আমাদের ফিটনেস নেই। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট থেকে আমরা যেভাবে ফিটনেসের জন্য গুরুত্ব দিচ্ছি, এক-দুই বছরের মধ্যে এর ফলাফল অবশ্যই পাওয়া যাবে। ফিটনেসটা না থাকলে দুই ইনিংস বল করা আসলেই অনেক কঠিন।’

নভেম্বরে দুই সংস্করণের সিরিজ খেলতে ভারত সফরে যাবে বাংলাদেশ। কোমর ও গোড়ালির চোটে ভোগা মোস্তাফিজুর রহমানকে সেই দলে থাকতে হলে দিতে হবে ফিটনেসের পরীক্ষা। হোম ভেন্যুতে খুলনার হয়ে রাজশাহীর বিপক্ষে বৃহস্পতিবার জাতীয় লিগের দ্বিতীয় রাউন্ড খেলতে নামবেন এ বাঁহাতি পেসার। মিনহাজুল জানিয়েছেন, ম্যাচ ফিটনেস দেখেই মোস্তাফিজের ব্যাপারে নেয়া হবে সিদ্ধান্ত।

‘ফিজিও আমাকে একটি গাইডলাইন দিয়েছে। ওর (মোস্তাফিজ) প্রথম ম্যাচ থেকে খেলার কথা ছিল। যেহেতু গোড়ালিতে একটু সমস্যা আছে, এ কারণে পুরোপুরি লোড সে নিতে পারছে না। পুরোপুরি লোড না নিতে পারলে দ্বিতীয় ম্যাচেও খেলতে পারবে না। এখন সে সেরে উঠেছে। দেখার বিষয় কত ওভার বল করতে পারে। ফিজিও গাইডলাইন দিয়েছে যে, ১৫ ওভারের বেশি বল করতে পারবে না দ্বিতীয় ম্যাচটিতে। সেই হিসেবে আমরা এটি দেখবো এবং ওর ফিটনেসের ব্যাপারে চিন্তা করবো।’


আরো সংবাদ