২২ নভেম্বর ২০১৯

দিল্লি-রাজকোট মিলিয়ে রেকর্ড বানিয়ে ফেললেন খলিল

টানা সাত বলে সাতটি চার দিয়ে ভিন্ন এক রেকর্ড গড়েছেন ভারতীয় পেসার খলিল আহমেদ। বৃহস্পতিবার রাজকোট সৌরাষ্ট্র ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন মাঠে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে নিজের প্রথম ওভার করতে এসে বাংলাদেশী ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ নাঈমের ব্যাটে প্রথম তিন বলেই বাউন্ডারি দেখেন খলিল। এর আগে দিল্লিতে নিজের করা শেষ ওভারে মুশফিকুর রহিমের ব্যাটে শেষ চার বলে বাউন্ডারি দেন এই পেসার। যার ফলে দিল্লি-রাজকোট দুই ম্যাচে টানা সাতটি চার দিয়ে ভিন্ন এক রেকর্ড গড়লেন এই ভারতীয় বোলার।

এমন রেকর্ড হয়তো খলিল নিজেও আশা করেননি। তবুও খেলা ভক্তদের বিনোদন দিয়ে থাকে। এটিও হয়তো তারই একটি অংশ।

আরো পড়ুন...

ভারতকে ১৫৪ রানের লক্ষ্য দিলো বাংলাদেশ

সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ভারতকে ১৫৪ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দিয়েছে বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার রাজকোটে সিরিজ জয় করে ইতিহাস রচনার মিশনে নামে মাহমুদুল্লাহ বাহিনী। টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৫৩ রান সংগ্রহ করে টাইগাররা। দলের হয়ে সর্বোচ্চ (৩৬) রান করেন মোহাম্মদ নাঈম।

রাজকোট সৌরাষ্ট্র ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন মাঠে মুদ্রা নিক্ষেপে টস জিতে বাংলাদেশকে প্রথমে ব্যাটিং করার আমন্ত্রণ জানান ভারতীয় অধিনায়ক রোহিত শার্মা।

টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন দুই ওপেনার লিটন দাস ও মোহাম্মদ নাঈম। ওপেনিং জুটিতে ৭.১ ওভারে দু’জনে তোলেন ৬০ রান।

কিন্তু অসচেতনতায় বল না দেখেই দৌড় দিয়ে ৬০ রানের মাথায় রান আউটের শিকার হয়ে সাজঘরে ফেরেন লিটন। ২১ বলে ২৯ রান আসে তার ব্যাট থেকে। লিটন ফিরলে ৮৩ রানের মাথায় ফেরেন আরেক ওপেনার নাঈমও। ৩০ বলে পাঁচ বাউন্ডারিতে ৩৬ রান আসে তার ব্যাট থেকে।

ওপেনারদের কাছ থেকে বড় সংগ্রহের সুবাস পেয়েও, পরবর্তী ব্যটসম্যানদের বর্থ্যতায় স্কোর আর বড় করা সম্ভব হয়নি।


গত ম্যাচের জয়ের নায়ক মুশফিকুর রহিম এদিন ব্যাট হাতে ছিলেন ব্যর্থ। চারে ব্যাট করতে নেমে ৬ বলে ৪ রান করে যুজবেন্দ্র চাহালের বলে ক্রুণাল পান্ডিয়ার তালুবন্দী হয়ে সাজঘরে ফেরেন তিনি।

ওয়াডাউনে ব্যাট করতে নামা সৌম্য সরকার দেখে-শুনে শুরু করলেও ইনিংস বড় করতে পারেননি। ২০ বলে ৩০ রান করে চাহালের ওভারে ঋষভ পান্তের স্ট্যাম্পিংয়ে ফেরেন তিনি।

আফিফ হোসেনের ব্যাটও ছিল ব্যর্থ। ৮ বলে ৬ রান করে খলিল আহমেদের বলে রোহিত শার্মাকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি।

২১ বলে ৩০ রান আসে অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের ব্যাট থেকে। শেষ দিকে মোসাদ্দেক হোসেনের ৬ ও আমিনুল ইসলামের ৬ রানে নির্ধারিত ২০ ওভারে ছয় উইকেট হারিয়ে ১৫৩ রান সংগ্রহ করতে সক্ষম হয় বাংলাদেশ।

ওপেনারদের দুর্দান্ত সূচনার পর মিডল অর্ডারের ব্যর্থতায় বড় ইনিংস গড়া সম্ভব হয়নি বাংলাদেশের। তবুও লড়াই করার মতো পুঁজি পেয়েছে বাংলাদেশ।

ভারতীয় বোলারদের মধ্যে যুজবেন্দ্র চাহাল ২টি, ওয়াশিংটন সুন্দর, খলিল আহমেদ ও দীপাক চাহার একটি করে উইকেট শিকার করেন।


আরো সংবাদ