২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০

ধীর ব্যাটিংয়েই হার বাংলাদেশের

পাওয়ার প্লে’র ৬ ওভারে বাংলাদেশ রান তুলেছে ৩৫। কোন উইকেট না হারালেও রানটা ঠিক টি-টোয়েন্টি সুলভ ছিলো না। ছিলো অতিরিক্ত ডট বল দেয়ার প্রবণতা। তবে হাতে উইকেট ধরে রাখার কাজটি ঠিকই করেছিলেন দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও নাইম শেখ।

সেই সুবিধাটি কাজে লাগিয়ে শেষ দিকে প্রতিপক্ষের বোলাদের ওপর চড়াও হতে পারেনি বাংলাদেশের মিডল অর্ডার। আর তাতেই লাহোরে বাংলাদেশকে থামতে হয়েছে ১৪১ রানে। যেটি যথেষ্ট হয়নি পাকিস্তানকে আটকতে।

পাওয়ার প্লের ছয় ওভার শেষে দুই ওপেনারের সংগ্রহও ছিল যথাক্রমে ১৯ বলে তামিম ইকবালের ১৫ আর নাইমের সংগ্রহ ছিল ১৭ বলে ২০ রান। গত বিপিএলেও তামিম ইকবালের ধীর গতির ব্যাটিং নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। কিন্তু লাহোরে যেন দলের সবাই ছিলেন তামিম। পুরো দলে কারো ব্যাটিংই টি-টোয়েন্টি মেজাজের ছিল না।

উদ্বোধনী জুটিতে একটি উড়ন্ত সূচনা টি-টোয়েন্টিতে বড় স্কোর গড়তে ভূমিকা রাখে। সেটি পারেননি বাংলাদশের দুই ওপেনার। তারা খেলেছেন ওয়ানডে সুলভ ইনিংস। যে কারণে প্রথম ১০ ওভারে কোন উইকেট না পরলেও বাংলাদেশের স্কোর বোর্ডে রান উঠেছে ৬২। এই চাপ থেকে বের হতে গিয়েই হয়তো তামিম ইকবাল এগারোতম ওভারের প্রথম বলেই ছক্কা হাকিয়ে শুরু করেছিলেন হাত খোলার। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক রান আউটে তাকে ক্রিজ ছাড়তে হয়েছে।

এরপর ১১ ওভারে ১ উইকেটে ৭১ রানের স্কোরটাকে শেষ নয় ওভারে ১৬০-১৭০-এ নিয়ে যাওয়ার দায়িত্বটা পালন করতে পারেনি মিডল অর্ডার। ১৫ ওভার শেষে স্কোর বোর্ডে রান উঠেছে ঠিক ১০০। হাতে তখনো উইকেট ৭টি।

পাকিস্তানের বোলাররা নিয়ন্ত্রিত বোলিং করেছেন পুরো ইনিংসেই। তবে শেষ দিকে পাওয়ার হিটিংয়ের যে দুর্বলতা বাংলাদেশ দলে তা যেন আরো একবার চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখালো এই ম্যাচ। টি-টোয়েন্টিতে এক দুই ওভারের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ম্যাচের গতিপথ পাল্টে দেয়ার যে প্রবণতা তা বাংলাদেশের কোন কালেই খুব একটা দেখা যায়নি।

আবার পুরো ইনিংসে ক্যালকুলেটিভ ব্যাটিংও দেখাতে পারেনি দল। সব মিলে ৪৫টি ডট বল দিয়েছেন পাকিস্তানের বোলাররা। ১২০ বলের ইনিংসে ৪৫টি বল থেকে কোন রান না আসার ক্ষতি আর পুষিয়ে উঠতে পারেনি মাহমুদুল্লাহর দল।


আরো সংবাদ