২০ ফেব্রুয়ারি ২০২০

সমতায় ফিরতে চান মাহমুদুল্লাহ

মোহাম্মদ রিজওয়ানের শটে মিড উইকেটে সহজ ক্যাচ, কিন্তু মোহাম্মদ মিঠুন পারলেন না হাতে জমাতে। ওই শটেই দুই রান নিয়ে জিতে গেল পাকিস্তান। ম্যাচের শেষটা বাংলাদেশের জন্য হয়ে রইল যেন প্রতীকী।

ব্যাটিং-বোলিংয়ে বাংলাদেশ ক্ষেত্র তৈরি করেছে দারুণ কিছুর, কিন্তু বারবার নিজেরাই ফসকে ফেলেছে সুযোগ। পাকিস্তান সিরিজ শুরু করেছে জয়ে। তবে দ্বিতীয় টি-২০ তে ঠিকই ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করেন টাইগার অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। সমতায় ফিরতে চান।

আরো ১০-১৫ রানের আফসোসটা শেষ পর্যন্ত থেকেই গেল মাহমুদুল্লাহর। বোলাররা তাদের কাজটা ঠিকমতো করতে পারলেও ব্যার্থ উইলোবাজরা।

বললেন, ‘আরো ১০-১৫ রান করতে পারলে ফলাফল ভিন্নরকম হতে পারতো। যেটি প্রকট হয়ে দেখা দিয়েছে ম্যাচ শেষে ১৯ ও ২০ তম ওভারে। মনে হয়েছে কাঙ্খিত ওই রানটা দরকার ছিল। ফিল্ডিংটাও ভালো হয়নি। কিছু বাউন্ডারি বেশি দিয়েছি। তবে বোলিংটা ভালো হয়েছে বলতে হবে। স্পিনার আমিনুল ইসলামের সঙ্গে পেসাররাও ভালো করেছে। উইকেট আমাকে কিছুটা বিস্মিত করেছে। বল পুরনো এবং নরম হয়ে যাওয়ায় শট খেলা বেশ কঠিন হয়ে যায়।’

টু-ইন-ওয়ান সাকিব আল হাসানকে মনে করতে ভুল করলেন না। পৃথিবী সেরা অলরাউন্ডার সাকিব থাকলেও হতে পারতো ভিন্ন আমেজ। স্পিন ও রানের অভাব অনুভব করেছেন মাহমুদুল্লাহ, ‘সাকিব থাকলে স্পিন সাইডটা আরো শক্তিশালী হতো যা ভালো ফলাফলে সাহায্য করতো। আর রানের ক্ষেত্রে ওই কমতিটাও হয়তো থাকতো না। সেটি নিয়ে বসে থাকলে হবে না। দ্বিতীয় ম্যাচে সমতায় ফিরতে বিশ্বাসি পুরো দল।’

পাকিস্তানের কোহলি খ্যাত বাবর আজম টানা ছয় ম্যাচ হারের পর প্রথম ম্যাচ জিতে আরো বেশি আত্মবিশ্বাসী। অধিনায়ক হিসেবে নামের পাশে কোন রান যোগ না হলেও দলের জয়ে নতুন করে প্রেরণা খুঁজে পেয়েছেন।

চোখ সিরিজ জয়ের দিকে তার, ‘টার্গেট ছিল ১৫০ রানের নিচে বাংলাদেশকে আটকে দেয়া। এমনটাই কথা হয়েছিল টিম মিটিংয়ে। বোলাররা সেটি পালন করতে পেরেছে এজন্য সকলকে ধন্যবাদ। ব্যাটসম্যানরা সেরাটা দিয়েই জয় নিজেদের করে নিয়েছে। পরের ম্যাচেও একই ফলাফলের দিকে চোখ থাকবে আমাদের।’

মন্থর পিচে শুরুতে উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপেই পড়েছিল পাকিস্তান। এ চাপটা বাধা হতে দেননি কদিন আগে বিপিএল খেলে যাওয়া পাকিস্তানি অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান শোয়েব মালিক।

ম্যাচ সেরার পুরস্কারও পাওয়া শোয়েব বলেন, ‘যখনি আমাদের প্রথম টার্গেট পুরন হলো ১৫০ রানের কমে আটকে দেয়া। তারপর বিশ্বাস ছিল জেতাটা সম্ভব। তাছাড়া বাংলাদেশের বোলার ব্যাটসম্যানদের জানা ছিল। সে সুযোগটাই কাজে লাগিয়েছি। তামিম-নাঈম উইকেটে সেট হয়েও বড় শটের জন্য ব্যাট চালাননি। পুরনো এবং নরম বলে খেলতে পারেননি মাহমুদুল্লাহ আফিফরা। উইকেট একটু মন্থর ছিল ঠিকই। আগামীকাল পরিকল্পনা ভিন্ন হতে পারে। তবে জয়ের বিকল্প ভাবছি না।’


আরো সংবাদ