২০ ফেব্রুয়ারি ২০২০

দল হিসেবে আমাদের এই জয় দরকার ছিল : বাবর আজম

ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার হাতে পাকিস্তানের অধিনায়ক বাবর আজম - পিসিবি’র ফেসবুক পেজ

১৬.৪ ওভারে অর্থ্যাৎ ২০ বল হাতে রেখেই ৯ উইকেটের বড় ব্যবধানে বাংলাদেশকে টানা দ্বিতীয় ম্যাচে হারিয়েছে পাকিস্তান। আর এর মাধ্যমে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচ জিতে সিরিজ জয়ও নিশ্চিত করেছে স্বাগতিক পাকিস্তান।

বাংলাদেশের ১৩৬ রান তাড়া করতে আহসান আলীকে সাথে নিয়ে ইনিংস ওপেন করতে নেমেছিলেন পাকিস্তানি অধিনায়ক বাবর আজম। তবে ইনিংসের শুরুতে আহসান আলী ফিরে গেলেও তিনে নামা মোহাম্মদ হাফিজকে সাথে নিয়ে ১৩১ রানের জুটি গড়ে জয় নিশ্চিত করেন বাবর-হাফিজ। এর আগে দুজনেই করেছেন হাফসেঞ্চুরি।

৪৪ বলে ৬৬ রান করে অপরাজিত ছিলেন বাবর আজম। ১৫০ স্ট্রাইক রেটে ৬৬ রান করার পথে বাবর আজম মারেন ৭টি চার ও একটি ছয়। আর এতেই তিনি বুঝিয়ে দিয়েছেন- কেন তিনি টি-২০ ক্রিকেটের এক নম্বর ব্যাটসম্যান। ম্যাচ সেরাও হয়েছেন বাবর আজম।

ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের অধিনায়ক বাবর আজম বলেন, আমি কেবল আমার খেলাটাই খেলেছি। এতেই আমি বেশি স্বাচ্ছন্দ বোধ করি। আলহামদুলিল্লাহ, আমি ভালো পারফরমেন্স করছি। এটা ধরে রাখতে চাই। প্রতিটি খেলায় দলকে আমি শতভাগেরও বেশি উজাড় করে দিতে চাই।

ব্যাটিং করার সময় কি শুধু ব্যাটিং নাকি অধিনায়কত্ব নিয়ে চিন্তা করেন- উপস্থাপক রমিজ রাজার এমন প্রশ্নের জবাবে বাবর আজম বলেন, ব্যাট হাতে উইকেটে নামলে আমার মনোযোগ কেবল ব্যাটিংয়ের দিকেই থাকে। তবে আমি দলের সিনিয়র খেলোয়াড়দের ধন্যবাদ দিতে চাই, তারা মাঠে আমাকে অনেক সহযোগিতা করেছেন।

বাবর বলেন, দল হিসেবে আমাদের এই জয় দরকার ছিল। এই সিরিজে নতুনরাও ভালো করছে। এটা ইতিবাচক দিক। এতে সামনের টি-২০ বিশ্বকাপে খেলোয়াড় নির্বাচনের ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতা বাড়বে। শেষ ম্যাচে আমরা একাদশে পরিবর্তন এনে নতুনদের সুযোগ দিতে চাই। এতে অন্যরাও ভালো করার সুযোগ পাবে।

এদিকে ম্যাচ শেষে মোহাম্মদ হাফিজ বলেন, ফের সুযোগ পাওয়া এবং ভালো খেলে দলের জয়ে অবদান রাখতে পেরে ভালো লাগছে। পাকিস্তানের আরো একটি জয়ের অংশ হতে পেরে আমি খুব খুশি।’

অনেকদিন পরে দলে এসে কোনো চাপ অনুভব করছিলেন কিনা- উপস্থাপকের এমন প্রশ্নের জবাবে হাফিজ বলেন, ‘প্রেসার সব সময়ই থাকে। কারণ মানুষ আপনার কাছে ভালো কিছু আশা করে। বিগত সিরিজগুলোতে আমরা বেশ কিছু সুযোগ হাতছাড়া করেছি। আমি শোয়েব মালিকের সাথে এসব নিয়ে কথা বলেছি। বরাবরই সে আমার সবচেয়ে ভালো বন্ধু। প্রথম ম্যাচে শোয়েব মালিক ভালো খেলে দলের জয়ে ভূমিকা রাখায় আমিও ভালো খেলার তাগিদ অনুভব করছিলাম। এবং আমি বিশ্বাস করি- ফিটনেস ভালো থাকলে ভালো খেলা সম্ভব।


আরো সংবাদ