১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯

দুই গোয়েন্দার অভিযান অভিযান

-

বাইশ.

ভেতরে গাড়ি ঢোকালেন গেদু চাচা। পাথরে তৈরি লম্বা পাক খাওয়া গাড়িপথ ধরে এগিয়ে চললেন।
‘বাপরে, কী বাড়ি!’ বিস্ময় চেপে রাখতে পারছে না সুজা।
‘ঘাস দেখো, কত্ত বড়!’ তিনটা ফুটবল মাঠের সমান লনটার দিকে তাকিয়ে নিরস কণ্ঠে বলল রেজা। ‘হিরণ কুমার যাওয়ার পর থেকে কোনোকালে বোধহয় আর ঘাস কাটেনি কেউ। জঙ্গলও সাফ করেনি।’
‘যাই বলো, হরর ছবির শুটিংয়ের জন্য এর চেয়ে ভালো লোকেশন আর আমাদের দেশে পাওয়া যাবে বলে মনে হয় না!’
ব্যাগ থেকে ক্যামেরা বের করল সুজা।
বাড়ির সামনের বিশাল গাড়ি-বারান্দায় গাড়ি রাখলেন গেদু চাচা।
এক মুহূর্ত সময় নষ্ট করল না সুজা। ক্যামেরা হাতে তাড়াহুড়ো করে গাড়ি থেকে নেমে গেল। ক্যামেরাটা কাঁধে বসিয়ে ভিউ ফাইন্ডারে ডান চোখ রাখল। অন্য হাতে চেপে ধরে বাঁ চোখটা বন্ধ করে দিলো, যাতে ভিউ ফাইন্ডারের ভেতর দিয়ে ভালোমতো দেখতে পারে। এটা অবশ্যই তার নিজস্ব উদ্ভট আবিষ্কার। হাসি পায় রেজার। বলে না কিছু। বললেই ‘ক্যামেরা আর ছবি তোলার তুমি কী বোঝো?’ জাতীয় হাজারখান কথা শুনিয়ে দেবে।
গাড়ি থেকে ব্যাগ-স্যুটকেস নামাচ্ছে রেজা, চোখ পড়ল দোতলার একটা জানালার দিকে। একটা ছায়া সরে গেল মনে হলো তার। মানুষের ছায়া।
ভালো করে আবার দেখতে গিয়ে দেখে, ছায়াটা নেই।
‘আঙ্কেল, বাড়িতে আর কেউ আছে নাকি?’ জিজ্ঞেস করল রেজা। (চলবে)


আরো সংবাদ