১৪ অক্টোবর ২০১৯

দুই গোয়েন্দার অভিযান অভিযান

-

এক.

মনি চাচীর জোরাজুরিতে শেষ পর্যন্ত হাসপাতালে যাওয়া লাগল রেজার। ডাক্তারের চেকআপ ছাড়া মনি চাচী কোনোভাবেই নিশ্চিন্ত হতে পারছিলেন না। সামান্য কিছু কাটাছেঁড়া ছাড়া আর কিছুই হয়নি।
রেজার ক্ষতস্থানে ওষুধ লাগিয়ে ড্রেসিং করে দিলো নার্স।
ফেরার পথে বারবার মাপ চাইতে লাগল সুজা, রেজাকে ওভাবে একা ছেড়ে দেয়ার জন্য।
‘এমন ভাব করছো, যেন আমি একটা কচি খোকা!’ দুর্বল কণ্ঠে বলল রেজা।
সকাল সকালই সেদিন রাতের খাবার খাইয়ে প্রায় জোর করে ওদেরকে বেডরুমে পাঠিয়ে দিলেন মনি চাচী।
কিন্তু ঘরে পাঠালে কী হবে, যথারীতি ক্যামেরা নিয়ে বসল সুজা। রেজাকে ঘুমোতে বলল।
বললেই কি আর ঘুম আসে? বিছানায় খানিক ছটফট করে উঠে পড়ল রেজা।
মুখ তুলে তাকাল সুজা। ‘কোথায় যাচ্ছ?’
জবাব দিলো না রেজা। স্যাণ্ডেল পায়ে দিয়ে বাইরে বেরোল। বারান্দায় খোলা হাওয়ায় দাঁড়িয়ে থাকবে খানিক। তাতে মগজের ভার হয়ে থাকা ভাবটা কেটে গিয়ে ঘুম আসতে পারে।
নিচ থেকে কথার শব্দ ভেসে এলো। মনি চাচী আর গেদু চাচা। কারো কথা আড়ি পেতে শোনা ঠিক না। কিন্তু রেজার মনে হলো, ওদের কথাই আলোচনা করছেন দু’জনে।
কৌতূহল দমন করতে না পেরে পা টিপে টিপে সিঁড়ির গোড়ায় নামল। ডাইনিং রুমে মনি চাচী টেবিল পরিষ্কার করছেন। গেদু চাচা প্লেট ধুতে সাহায্য করছেন তাকে। এত নীরবতার মাঝে তাদের নিচুস্বরের কথাবার্তাও স্পষ্ট শোনা যাচ্ছে। (চলবে)

 


আরো সংবাদ