২২ জানুয়ারি ২০২০

দুই গোয়েন্দার অভিযান অভিযান

-

চৌদ্দ.
কয়েকজন আমেরিকান টুরিস্টের সাথে একজন জ্যামাইকানকে দেখে কী হয়েছে জিজ্ঞেস করল ডোনাল্ড। জেনে নিয়ে ইংরেজিতে অনুবাদ করে বন্ধুদের শোনাল সে, ‘গত রাতে শৌখিন গুপ্তধন শিকারিদের একটা বোট ঝড়ের কবলে পড়ে ডুবে গেছে। রাডারের সাহায্যে খোঁজ করে ওটার সন্ধান পাওয়া গেছে। বহুকাল আগে ডুবে যাওয়া আরেকটা স্প্যানিশ কাঠের জাহাজের পাশে পড়ে আছে ওটা। বোট বাঁচাতে পারবে না বুঝতে পেরে সাগরে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল বোটের তিনজন আরোহী।’
‘কেউ মারা গেছে?’ জানতে চাইল রিড।
মাথা নাড়ল ডোনাল্ড। ‘না, তিনজনই বেঁচে গেছে।’
‘এ রকম ঝড়ের মধ্যে বেঁচে যাওয়াটা সত্যিই আশ্চর্য!’ জিমি বলল।
‘ঢেউয়ের বাড়ি খেয়ে ভেঙে চুরমার হয়ে গেছে বোটটা,’ ডোনাল্ড বলল।
‘সেটার টুকরো-টাকরাই খুঁজতে এসেছে নাকি?’ জটলারত লোকগুলোকে দেখিয়ে জিজ্ঞেস করল জেরি।
‘উঁহুঁ। স্প্যানিশ জাহাজটা একটা গ্যালিয়ন। আগের দিনে ওগুলোতে করে সোনার মোহর আর অন্যান্য ধনরতœ বহন করা হতো। ঝড়ের সময় এখনো সেসব ধনরতœ মাঝে মধ্যে সৈকতে এসে পড়ে। সেগুলো খুঁজতে এসেছে এরা।’
‘তাহলে বসে আছি কেন?’ জিমি বলল। ‘এসো, আমরাও খোঁজা শুরু করি।’
লম্বা এক চিলতে বালির সৈকত। রোদে ঝলমল করছে বালি। কিনারে এসে আছড়ে পড়ছে ঢেউ। পানি যেখানে বালির কিনারা ছুঁয়ে যাচ্ছে বারবার, ঠিক সেই রেখাটা ধরে এগোতে লাগল ছেলেরা। নজর যেন আঠা দিয়ে লাগিয়ে দেয়া হয়েছে নিচের দিকে।
(চলবে)


আরো সংবাদ