পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে কুলসুমকে

এইচ এম হুমায়ুন কবির

এইচএসসি পাস কুলসুম বেগম ছিলেন কেফায়েতের দ্বিতীয় স্ত্রী। স্ত্রী হিসেবে কুলসুম কখনো মর্যাদা পাননি। অবশেষে কেফায়েত কুলসুম বেগমকে (২০) বাড়িতে ডেকে নিয়ে পিটিয়ে হত্যা করে। ৯ মাস পরও ধরা পড়েনি ঘাতকরা। সবাই গ্রেফতার এড়াতে গা-ঢাকা দিয়েছে। পাষণ্ড বিয়ে পাগলা স্বামী মধ্যবয়সী কেফায়েত উল্লাহ মুন্সী, তার প্রথম স্ত্রী হালিমা, প্রথম স্ত্রীর ছেলে রাকিবুল ও নায়েম নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটায় বলে কুলসুমের বাবা নূর মোহাম্মদ ও মা ফিরোজা বেগম দায়ের করা হত্যা মামলায় উল্লেখ করেছেন। বর্তমানে এ মামলার আসামিরা কুলসুমের বাবাকে মামলা নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করতে নিষেধ করে আসছে। হুমকি দিয়ে আসছে মামলা পরিচালনা না করার জন্য। এমনকি এসব করলে ফের কুলসুমের মতো আরো অনেকের প্রাণ দিতে হবে বলেও খুন-জখমের হুমকি দেয়া হচ্ছে। এসব লিখিত অভিযোগ পাঠ করে বুধবার দুপুরে কলাপাড়া প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন কুলসুমের মা ফিরোজা বেগম। তিনি জানান, ২০১৬ সালের ২ অক্টোবর রাত আনুমানিক ১০টার দিকে কুলসুমকে পিটিয়ে অচেতন অবস্থায় পুকুরে ফেলে দেয়। চম্পাপুর ইউনিয়নের কানাই মৃধা গুচ্ছগ্রামে (নাপিতকান্দা) বসবাস ছিল কুলসুমের। একই গ্রামে বসবাস কেফায়েতের। স্ত্রীসহ একাধিক সন্তান থাকা সত্ত্বেও তিন বছর আগে কুলসুমকে গোপনে বিয়ে করে কেফায়েত উল্লাহ। কুলসুমকে কখনো কেফায়েত বাড়িতে নেয়নি। ২ অক্টোবর রাতে কুলসুমকে খবর দিয়ে কেফায়েত উল্লাহ বাড়িতে আসতে বলে। সে তার বাবাকে নিয়ে কেফায়েতের বাড়ির আঙিনায় পৌঁছলেই কেফায়েত তার ছেলেদের নিয়ে কুলসুমের ওপর হামলে পড়ে। পুলিশ রাতেই মৃতদেহ উদ্ধার করে। কুলসুম বিএ ক্লাসে ভর্তির প্রস্তুতি নিচ্ছিল।
কলাপাড়া থানার ওসি জিএম শাহনেওয়াজ জানান, আসামিরা সবাই এলাকা ছাড়া। তার পরও কৌশলে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। আর কুলসুমের পরিবারের সব নিরাপত্তা দিতে পুলিশ সচেষ্ট।

 

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.