বর্ষণ
বর্ষণ

এমন বর্ষণ থাকবে কয় দিন?

নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশের আকাশে মওসুমি বায়ু বেশ সক্রিয়। বৃষ্টির পরিমাণও বেড়েছে আগের চেয়ে বেশি। নদীতে পানির স্তরও ওপরের দিকে। পানি উন্নয়ন বোর্ড পর্যবেক্ষণ করে এমন নদীর ৮০টি পয়েন্টে গতকাল পানি বেড়েছে এবং পানি কমেছে মাত্র ১০ পয়েন্টে।

পানি বৃদ্ধির এ প্রবণতা ইঙ্গিত দিচ্ছে সামনের কয়েক দিন পানি বাড়বে। এ ছাড়া সারা দেশের বড় নদীর মধ্যে যমুনা, ব্রহ্মপুত্র, পদ্মা, সুরমা নদীর পানি বেড়েছে। এসব নদীর পানি এ সপ্তাহের পুরো সময় ধরেই বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যার পূর্বাভাস ও সতর্ক কেন্দ্রের প্রকৌশলীরা জানিয়েছেন, অভ্যন্তরীণ বর্ষণ এবং সীমান্তের ওপারের ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলের বর্ষণের পানি নামছে ধীরে ধীরে। সীমান্তের ওপারের পানি বাংলাদেশের উল্লেখিত নদীগুলো দিয়ে নেমে আসছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে। ফলে নদীর পানি বৃদ্ধির পাশাপাশি এসব নদীর তীরবর্তী এলাকায় বন্যারও আশঙ্কা রয়েছে।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, বাংলাদেশের আকাশে মওসুমি বায়ু বেশ সক্রিয় অবস্থায় রয়েছে। ফলে দেশের বিভিন্ন স্থানে গত সপ্তাহজুড়েই মাঝারি ধরনের বর্ষণ হয়েছে। কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণও হয়েছে। চলতি সপ্তাহজুড়ে বাংলাদেশের আবহাওয়া এরকমই থাকতে পারে। হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বর্ষণ থাকবে। তবে কোথাও কোথাও ভারী বর্ষণও হতে পারে।

আবহাওয়া অফিসের রিপোর্ট অনুযায়ী গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা ৬ট পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম ও রংপুর বিভাগে প্রচুর বৃষ্টি হয়েছে। সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড এলাকায়। এখানে রেকর্ড করা বৃষ্টির পমিাণ ২২৮ মিলিমিটার। চট্টগ্রামের ১৩০ মিলিমিটার, রাঙ্গামাটিতে ২২৫ মিলিমিটার, হাতিয়ায় ৮৩ মিলিমিটার, কুমিল্লায় ৮১ মিলিমিটার। গতকাল রংপুর বিভাগের সর্বত্র ভারী বর্ষণ হয়েছে। আবহাওয়া দফতরের রেকর্ড অনুযায়ী সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে ডিমলায় ১৮৯ মিলিমিটার। এরপর তেঁতুলিয়ায় ১৬৯ মিলিমিটার, রংপুরে ১২২ মিলিমিটার, সৈয়দপুরে ১০৭ মিলিমিটার, রাজারহাটে ৮২ মিলিমিটার এবং দিনাজপুরে ৬০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। এ ছাড়া দেশের অন্যত্র ৫০ থেকে ১০০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।

আজ শনিবারের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আজ সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের সর্বত্র হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণেরও আশঙ্কা রয়েছে। বৃষ্টির কারণে গতকাল শুক্রবারের মতো আজো দেশের সর্বত্র দিন ও রাতের তাপমাত্রা হ্রাস পেতে পারে।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.