বাংলাদেশ সফরে আশাবাদী সোয়েপসন

নয়া দিগন্ত অনলাইন

বাংলাদেশের বিপক্ষে ২৭ আগস্ট থেকে শুরু হওয়া দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে অস্ট্রেলিয়া দলে ডাক পেয়েছেন লেগ-স্পিনার মিচেল সোয়েপসন। আসন্ন বাংলাদেশ সফরে উপ-মহাদেশের কন্ডিশনের কথা বিবেচনা করেই দলে তৃতীয় স্পিনার হিসেবে তিনি ডাক পেয়েছেন। বিষয়টি তিনি নিজেও বেশ ভালই উপলব্ধি করতে পারছেন, তবে বাংলাদেশের বিপক্ষে দলে সুযোগ পাওয়া নিয়ে দারুন আশাবাদী সোয়েপসন।
চলকি বছর শুরুর দিকে ভারত সফরে টেস্ট দলের সাথে ছিলেন সোয়েপসন, কিন্তু খেলার সুযোগ হয়নি। ২৩ বছর বয়সী এই লেগ স্পিনার বেশ ভালভাবেই জানেন অফস্পিনার ন্যাথান লিঁও ও বাঁহাতি স্পিনার এ্যাস্টন আগারই নির্বাচকদের বিবেচনায় তার থেকে কিছুটা হলেও এগিয়ে রয়েছেন। শনিবার ডারউইনে অস্ট্রেলিয়ার অনুশীলন ক্যাম্পে সোয়েপসন গণমাধ্যমে বলেছেন, ‘আমি শেষ মুহূর্তে দলে ডাক পেয়েছি। সে কারনেই এটা মনে আসতেই পারে এই মুহূর্তে বাকি দু’জন আমরর থেকে এগিয়ে রয়েছে। কিন্তু এখানে অনেক কিছুই ঘটতে পারে। এখন আমি শুধুমাত্র নিজেকে প্রস্তুত করে তুলতে ব্যস্ত আছি। আশা করছি ভাল কিছুই হবে, দলে সুযোগ পেতে স্বাভাবিক ভাবেই মুখিয়ে আছি।’
গত বছর গ্রীষ্ম মৌসুমে এই লেগ-স্পিনারের দিকে নজড় পড়ে কিংবদন্তী অসি স্পিনার শেন ওয়ার্নের। জাতীয় দলে তাকে অন্তর্ভূক্ত করতে ওয়ার্নই নির্বাচকদের পরামর্শ দিয়েছিলেন। তবে চলতি বছর ভারতীয় সফরের আগ পর্যন্ত অবশ্য কুইন্সল্যান্ডের এই বোলারকে দলভূক্ত করা হয়নি। ভারত সফরের অভিজ্ঞতা ক্যারিয়ারের অন্যতম একটি ইতিবাচক দিক হিসেবেই উল্লেখ করেছেন সোয়েপসন। তিনি বলেন, ভারতে আমি দলের সাথে থেকে বেশ কিছু বিষয় শিখতে পেরেছি। সফর থেকে ফিরে এসে প্রাক-মৌসুমে আমি মনে করি সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে পেরেছি।
এদিকে অসি অধিনায়ক স্টিভ স্মিথের মতে ভবিষ্যতে লোয়ার অর্ডারে ব্যাটিংয়ে দক্ষতাই আগারকে সোয়েপসনের থেকে কিছুটা হলেও এগিয়ে রাখবে। ১১ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ২০১৩ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অভিষেক টেস্টে ৯৮ রানের অসাধারণ এক ইনিংস উপহার দিয়েছিলেন আগার যা এখনো এই পজিশনে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড হয়ে আছে। ২৩ বছর বয়সী এই স্পিনার প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে দুটি সেঞ্চুরিসহ আটটি হাফ সেঞ্চুরিও করেছেন। স্মিথ মনে করেন ধীরে ধীরে আগার বোলার থেকে ব্যাটসম্যান হিসেবেই দলে নিজের জায়গা ধরে রাখবেন। এমনকি এক সময় সে ছয় নম্বরেই উঠে আসতে পারে বলে স্মিথ বিশ্বাস করেন।

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.