মোহাম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরী (ফাইল ফটো)
মোহাম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরী (ফাইল ফটো)

বঙ্গবন্ধু হত্যার পর সুপ্রিম কোর্ট কোথায় ছিল, প্রশ্ন ওমর ফারুক চৌধুরীর

নিজস্ব প্রতিবেদক

আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরী বলেছেন, বাংলাদেশের প্রথম প্রধান বিচারপতি ছিলেন বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম। ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্টে যখন একজন নির্বাচিত রাষ্ট্রপ্রধানকে হত্যা করা হলো তখন তার তরবারি কোথায় ছিল?

তিনি বলেন, যখন খন্দকার মোশতাক মৌলিক মানবাধিকার সংক্রান্ত সংবিধানের ধারা স্থগিত করলেন, তখন কোথায় ছিলো সুপ্রিম কোর্টের নিঃসঙ্কচ চিত্তের বিচারপতিরা?

বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যার পর খুনী জিয়া-মোশতাক জারী করলো ঘৃণ্য কালো আইন ‘ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ’। তখন আমাদের সুপ্রিম কোর্ট কেন নির্বিকার ছিল?

কেউ কি বলেছিলেন, এই ক্ষমতা গ্রহণ অবৈধ, সংবিধানের মৌলিক চেতনার সাথে সাংঘর্ষিক?

আজ শনিবার আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরী এক বিবৃতিতে একথা বলেন।

তিনি বলেন, বিচারপতি কামাল উদ্দিন আহমদ দেশের তৃতীয় প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নেন ১ ফ্রেব্রুয়ারি ১৯৭৮ সালে। তিনি শপথ নেন উর্দি পরা জেনারেল জিয়ার কাছ থেকে। ওই শপথ কি বৈধ ছিল?

যুবলীগ চেয়ারম্যান বলেন, এরশাদের অবৈধ ক্ষমতা দখলের পর তার ‘অবৈধ রাষ্ট্রপতি’ পদ অলংকৃত করেন বিচারপতি আহ্সান উদ্দিন চৌধুরী। ১৪ জানুয়ারি ১৯৯০ এ প্রধান বিচারপতি হন সাহাবুদ্দিন আহমদ। তিনি এ শর্তে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হন যে, তাকে আবার স্বপদে ফিরিয়ে আনা হবে। ব্যক্তির স্বার্থে সংবিধানের বলিদান, অগ্নি তলোয়ার চুপটি করে দেখে। সংবিধানের একাদশ সংশোধনী কি সংবিধান চেতনার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ?

তাই আমি জানতে চাই, সুপ্রিম কোর্ট কি সংবিধানের রক্ষক নাকি সব অবৈধ ক্ষমতা দখলকে বৈধতা দেয়ার প্রতিষ্ঠান? ষোড়শ সংশোধনীর রায় নিয়ে আমার প্রশ্ন, কাকে খুশি করতে এই রায়?

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.