স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র ও সোনার বাংলা

সুপ্রিম কোর্ট চত্বরে গ্রিক দেবী থেমিসের মূর্তি স্থাপন করা হয়েছিল। কেন এই দেবীকে সুপ্রিম কোর্ট চত্বরে স্থাপন করা হলো? মূর্তিটিকে শাড়ি পরিয়ে যে বাঙালিকরণ করা হয়েছে, তা হাস্যকর ও ছলনা ছাড়া কিছুই নয়। বাংলাদেশের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম।
৯২ শতাংশ মুসলিমের দেশে সুপ্রিম কোর্ট চত্বরে মূর্তি স্থাপন জনগণের আকাক্সক্ষা বহিঃপ্রকাশ নয়। অনেকে ভাস্কর্য সরানোর প্রতিবাদকারীদের ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী’ বলেছেন। হাদিসটির ব্যাখ্যা কী হবে, ‘আর যে ব্যক্তি ভাস্কর্য তৈরি করে, কিয়ামাতের দিন তাকে শাস্তি দেয়া হবে এবং আল্লাহ বলবেন, তুমি যা সৃষ্ট করেছ তাতে জীবন দাও’Ñ বুখারির হাদিস নম্বর ৩২২৪। বাংলা একাডেমির ব্যবহারিক বাংলা অভিধানের ৯২৯ নম্বর পৃষ্ঠায় আছে, ‘প্রস্তরাদি থেকে যিনি মূর্তি নির্মাণ করেন, তাকে ভাস্কর বলা হয়।’ অথচ সেকুলার ও বামপন্থীরা ভাস্কর্য আর মূর্তি এক নয় বলে প্রচারণা চালাচ্ছেন।
মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত এই দেশে যখন মুক্তিযোদ্ধারা লাঞ্ছিত, এমনকি সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হচ্ছেন, তখন দু-একটা বিবৃতি ছাড়া তাদের প্রতিবাদ করতে দেখা যায় না। ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল ঘোষিত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র মোতাবেক আমাদের মুক্তিযুদ্ধের মূলনীতি সত্য, মানবিক মর্যাদা ও বিশ্বাস প্রতিষ্ঠা করা জরুরি। তাহলে জাতির স্থপতি বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
মো: রাসেল হোসেন
শিক্ষার্থী, নওয়াপাড়া মডেল কলেজ,
অভয়নগর, যশোর

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.