পেয়ারার কথা

আজ তোমরা জানবে পেয়ারা সম্পর্কে। তোমাদের অনেকের বাড়িতে পেয়ারাগাছ আছে, তাই না? পেয়ারা খাও কি? এটি কিন্তু খুবই উপকারী ফল। লিখেছেন মুহাম্মদ রোকনুদ্দৌলাহ
তোমরা তো জানোই আমাদের দেশে পেয়ারা একটি সুপরিচিত ফল। এ দেশের সব এলাকায় এ ফল জন্মে। ডাসা অবস্থায় পেয়ারার আকার কেমন হয়? নাশপাতি আকারের। কাঁচা অবস্থায় এ ফল কোন রঙের হয়? সবুজ রঙের। আর পাকতে শুরু হলে এর রঙ কেমন হয়? হালকা সবুজ বা হলুদাভ রঙ ধারণ করে। তোমরা হয়তো জেনে থাকবে পেয়ারা দিয়ে বিভিন্ন ধরনের খাবার তৈরি করা যায়। টাটকা পরিপক্ব ফল থেকে তৈরি করা যায় সালাদ, পুডিং ইত্যাদি। বর্তমানে প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশে পেয়ারা থেকে সুস্বাদু মোরব্বা (জেলি), শরবত, পাউডার, আচার, আইসক্রিস ইত্যাদি তৈরি করা হচ্ছে। পেয়ারার পাতা দিয়ে ডায়রিয়ার ওষুধ তৈরি করা যায়। পেয়ারায় বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান থাকে। এ ফল পরিণত হলে খেতে হয়। কাঁচা ও পাকা উভয় অবস্থাতেই এটি খাওয়া যায়। এতে রয়েছে পানি, আমিষ, শ্বেতসার, খনিজলবণ, চর্বি, ভিটামিন বি-১, ভিটামিন বি-২, ভিটামিন সি, ক্যালসিয়াম, ক্যারোটিন, লৌহ ইত্যাদি।
কোন কোন দেশে পেয়ারা চাষ করা হয়? ভারত, ব্রাজিল, থাইল্যান্ড, মিয়ানমার, বাংলাদেশ, মালয়েশিয়া প্রভৃতি দেশে। পেয়ারার ইংরেজি guava.

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.