পাবনায় ১৩ হাজার টন গ্রীষ্মকালীন তিল উৎপন্ন

এস এম আলাউদ্দিন পাবনা

পাবনায় চলতি মওসুমে ১৩ হাজার ৩৪০ টন গ্রীষ্মকালীন তিল উৎপন্ন হয়েছে। এবার ফলনও হয়েছে ভালো। জেলার ৯ উপজেলায় ১৩ হাজার ৩৪০ হেক্টর জমিতে এবার তিলের আবাদ করা হয়। প্রতি হেক্টরে এক টন করে তিল উৎপন্ন হয়েছে বলে কৃষি দফতর দাবি করেছে। অল্প খরচে প্রতি বিঘায় পাঁচ-ছয় মণ তিল পাওয়া গেছে। প্রতি মণ তিল বাজারে প্রকারভেদে তিন-চার হাজার টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। কৃষকদের মধ্যে তিল চাষের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে।
পাবনা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফরের উপপরিচালক বিভূতি ভূষণ সরকার জানান, বহুবিধ ব্যবহারের এ ফসলটির আবাদ পাবনায় দিন দিন বাড়ছে। তিলের আবাদ বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করার জন্য দেয়া হচ্ছে প্রদর্শনী মাঠ।
কৃষি দফতরের তথ্য মতে, পাবনা জেলার ৯টি উপজেলার মধ্যে সদর উপজেলায় গ্রীষ্মকালীন তিল আবাদ করা হয়েছিল তিন হাজার ৭৫০ হেক্টর জমিতে এবং উৎপাদন হয়েছে তিন হাজার ৭৫০ টন, আটঘড়িয়ায় আবাদ করা হয় ৮৫০ হেক্টর জমিতে আর উৎপাদন হয়েছে ৮৫০ টন তিল, ঈশ্বরদী উপজেলায় আবাদ করা হয় ৫০০ হেক্টর জমিতে আর উৎপাদন হয়েছে ৫০০ টন, চাটমোহরে আবাদ করা হয় ৭৬৫ হেক্টর আর উৎপাদন হয়েছে ৭৬৫ টন, ভাঙ্গুড়ায় আবাদ করা হয় ৭১৫ হেক্টর আর উৎপাদন হয়েছে ৭১৫ টন, ফরিদপুরে আবাদ করা হয় ৭৭৫ হেক্টর আর উৎপাদন হয়েছে ৭৭৫ টন, বেড়ায় আবাদ করা হয় দুই হাজার ৩৫৫ হেক্টর আর উৎপাদন হয়েছে দুই হাজার ৩৫৫ টন, সাঁথিয়ায় আবাদ করা হয় দুই হাজার ৮৮০ হেক্টর আর উৎপাদন হয়েছে দুই হাজার ৮৮০ টন ও সুজানগরে আবাদ করা হয় ৭৫০ হেক্টর আর উৎপাদন হয়েছে ৭৫০ টন তিল। বর্তমানে বাজারে তিলের দাম ভালো পাচ্ছেন কৃষক। আটঘড়িয়া উপজেলার কুষ্ঠিয়া পাড়া গ্রামের তিলচাষি মিরাজ আলী জানান, তিনি প্রদর্শনীর মাধ্যমে বারি-৪ জাতের তিল আবাদ করে ভালো ফলন পেয়েছেন। অল্পখরচে প্রতি বিঘায় পাঁচ-ছয় মণ তিল পাওয়া গেছে। বাজারে প্রকারভেদে তিন-চার হাজার টাকা দরে তিল বিক্রি হচ্ছে। পাবনায় তিলের আবাদ ভালো হওয়ায় দিন দিন চাষ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
প্রতি হেক্টরে এক টন করে তিল উৎপন্ন হয়েছে বলে কৃষি দফতর দাবি করেছে। অল্প খরচে প্রতি বিঘায় পাঁচ-ছয় মণ তিল পাওয়া গেছে। প্রতি মণ তিল বাজারে প্রকারভেদে তিন-চার হাজার টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। কৃষকদের মধ্যে তিল চাষের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে।

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.