ঝাপা বাঁওড় নিয়ে দ্বন্দ্বের জের

মনিরামপুরে মন্দিরে মূর্তি ভাঙচুর

মনিরামপুর (যশোর) সংবাদাদতা

মনিরামপুরের রামপুর মালো পাড়া সার্বজনীন দুর্গা মন্দিরে ৮-৯টি মূর্তি ভাঙচুর করার অভিযোগ উঠেছে। গত শুক্রবার রাতে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা এ ভাঙচুরের ঘটনা ঘটিয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা দাবি করেছেন।
জানা যায়, রামপুর মালো পাড়ার এ মন্দিরের সভাপতি মহেন্দ্র বিশ^াস গতকাল সকালে মন্দিরের প্রতীমা ভাঙচুরের বিষয়টি জানতে পারেন। তিনি ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্টদের অবগত করেন। খবর পেয়ে যশোর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আবু নাসের আল জামাল, ওসি মনিরামপুর মোকাররম হোসেন, উপজেলা পূজা পরিষদের সধারণ সম্পাদক সুনিল কুমার ঘোষ, সংগঠনিক সম্পাদক তরুণ কুমার শীলসহ সংশ্লিষ্ট একাধিক ব্যক্তি সরেজমিন মালো পাড়ার মন্দিরে যান।
একাধিক সূত্র দাবি করেছেন, ঝাপা বাঁওড়ের বিরোধের জের হিসেবে একটি মহল এলাকার পরিবেশকে ঘোলাটে করতে পরিকল্পিতভাবে মূর্তি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটিয়েছে। ঝাপা বাঁওড় নিয়ে ঝাপা বাঁওড় মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি ও সোনার বাংলা মৎস্যজীবী সমিতির মধ্যে বিরোধ চলে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মন্দিরের ভাঙচুরের মধ্য দিয়ে এলাকায় অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করতে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে। তবে এ ঘটনার পর ওই এলাকায় দুইটি সংগঠনের লোকজনের মধ্যে উত্তেজনা করছে। উপজেলা পূজা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সুনিল কুমার ঘোষ দাবি করেছেন মন্দিরের মূর্তি ভাঙচুরের ঘটনাটি বাঁওড় নিয়ে সৃষ্ট দ্বন্দ্বের কারণে ঘটেছে। এটি কোনো সাম্প্রদায়িক বিষয় নয়। জানতে চাইলে থানা ওসি মোকররম হোসেন জানান, প্রতীমা ভাঙচুরের বিষয়টি স্রেফ বাঁওড় নিয়ে দুই সমিতির দ্বন্দ্বের জের। তবে এ ব্যাপারে মামলা হবে।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.