নয়টি বিপন্ন বৃক্ষ

নয়া দিগন্ত ডেস্ক

৫০ বছরে বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে অনেক গাছ পুরোপুরি বিলুপ্ত হয়ে গেছে। জলবায়ুর ক্রমাগত পরিবর্তনে অনেক গাছই ধীরে ধীরে বংশ বিস্তার করতে পারছে না। যেমন প্রাচ্যে অশ্বত্থ বৃক্ষ ঘিরে নগর সভ্যতা গড়ে উঠেছিল, এখন সেখানেই এ বৃক্ষ প্রায় দেখতেই পাওয়া যায় না। এ ধরনের নয়টি বিপন্ন গাছ হলো:

অ্যাটেনবার্গ পিচার গাছ : ফিলিপাইনের ভিক্টোরিয়া পর্বতে দেখতে পাওয়া যায় এ গাছ। বিশ্বের আর কোথাও এ গাছের সন্ধান পাওয়া যায় না। 

আত্মঘাতী তালগাছ : মাদাগাস্কারের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের প্রত্যন্ত অঞ্চলেই একমাত্র এ গাছ দেখতে পাওয়া যায়। এক একটি গাছ অন্তত ৫০ বছর জীবিত থাকে। বিশ্বে এখন এ গাছের সংখ্যা মাত্র ৯০টি।

ওয়েস্টার্ন আন্ডারগ্রাউন্ড অর্কিড : পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার ব্রুমবুশ এলাকায় এ গাছ দেখতে পাওয়া যায়। অন্য সব গাছের মতো এরা দিনের বেলা সূর্যের আলো থেকে শক্তি সঞ্চয় করে না। এ গাছ মাটির ভেতর থেকে শক্তি সঞ্চয় করে।

গলফ বল : মেক্সিকোর কুয়ারেতারো পাহাড়ে জন্মায় গলফ বল নামের এ গাছ। বিগত ২০ বছরে আশঙ্কাজনক হারে এ গাছের সংখ্যা কমেছে।

ভেন্ডা সাইকাড : চুলের মতো দেখতে গাছটি মূলত দক্ষিণ আফ্রিকার লিম্পোপো প্রদেশে দেখতে পাওয়া যায়। বর্তমানে হাতে গোনা কয়েকটি গাছ জীবিত আছে।

জেলিফিস ট্রি : প্রথমে ধারণা করা হয়েছিল যে গাছটি পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হয়ে গেছে। কিন্তু ১৯৭০ সালে গাছটির আবারো সন্ধান মেলে। সিসিলি দ্বীপপুঞ্জের মাহে দ্বীপে এ গাছ এখন পাওয়া যায়। 

 পোক মি বয় ট্রি : যুক্তরাজ্যের টরটোলা রাজ্যের জুনিয়র ওনেইল বোনানিক্যাল গার্ডেনে বিলুপ্ত হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় থাকা গাছটির সংরক্ষণে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

অ্যাসেনসন আইসল্যান্ড পার্সলি ফ্রেন : দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরের আগ্নেয়গিরি অঞ্চলে এ ক্ষুদ্রাকৃতির গাছের আবাস। বর্তমানে এ গাছের মাত্র একটি জাতই জীবিত আছে।

কোরাল ট্রি : দক্ষিণ-পূর্ব তাঞ্জানিয়ার গহিন বনাঞ্চলে মূলত এ গাছ দেখতে পাওয়া যায়। ২০০১ সালে একই বনে আবারো গাছটির সন্ধান মেলে। ইন্টারনেট।

 

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.