উদ্ভট জাদুঘর

নয়া দিগন্ত ডেস্ক

কৌতূহলোদ্দীপক বিষয়বস্তু সংগ্রহ ও সমাবেশ করে জাদুঘরের নামে এমন স্থাপনা অনেক গড়ে উঠেছে যার কোনোটি চিত্তা কর্ষক কোনোটি কাণ্ডজ্ঞানহীন। একই সাথে উদ্ভট। এমন কয়েকটি জাদুঘরের বর্ণনা নিচে তুলে ধরা হলো:
সকস মিউজিয়াম : দুনিয়ার সবচেয়ে বড় মোজার মিউজিয়ামটি জাপানের টোকিও শহরে। এখানে ছোট বড় ২০ হাজারের বেশি নানা রকমের মোজা দর্শনার্থীদের জন্য সাজানো আছে।
প্রসাধন ও শৌচাগার মিউজিয়াম : এমন অদ্ভুত মিউজিয়ামটির প্রতিষ্ঠাতা ভারতের নাগরিক বিন্দেশ্বর পাথক। এটি দিল্লিতে। এ মিউজিয়ামে শুধু প্রসাধন ও শৌচাগারে ব্যবহৃত সামগ্রী দর্শনার্থীদের প্রদর্শনে রাখা আছে। প্রসাধন ও শৌচাগারে ব্যবহৃত সামগ্রীর ছবি এবং মডেল এ মিউজিয়ামে সংগৃহীত আছে।
মিউজিয়াম অব মনস্ত্র“শ ক্রিয়েচার : এটি সরীসৃপ গোত্রের প্রাণীদের জাদুঘর। এখানে একাধিক অদ্ভুত ও বিরল সরীসৃপ জাতের দেহাবশেষ ও ফসিল সংগৃহীত আছে। প্রতি বছর রিপাবলিক চেকোস্লাভাকিয়ার রাজধানী প্রাগের জাদুঘরটিতে প্রচুর দর্শনার্থীর সমাগম ঘটে।
গার্বেজ মিউজিয়াম : এ অদ্ভুত জাদুঘরে বোস্টনের সুখ্যাতিসম্পন্ন ব্যক্তিদের ময়লা আবর্জনা সংগ্রহ করে তা প্রদর্শনের জন্য রাখা হয়েছে। কৌতুক করতে হোক বা অত্যধিক শ্রদ্ধা বা স্নেহ দেখানোর জন্যই হোক সেলিব্রেটিদের ময়লা আবর্জনা রাস্তার ডাস্টবিন থেকে তুলে দর্শকদের দেখানোর উদ্দেশ্যে মিউজিয়ামটি নির্মাণ করা হয়েছে।
ডেভিল মিউজিয়াম : ডেভিল মিউজিয়াম অর্থাৎ শয়তানের জাদুঘরটি লিথুয়ানিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর কাউনাশে অবস্থিত। এ জাদুঘরে এমন সব ভৌতিক ভাস্কর্য ও ছবি রয়েছে যা দর্শকদের অতীতে দেখা কোনো ভয়াল দুঃস্বপ্ন ও আতঙ্কের কথা স্মরণ করিয়ে দিতে পারে। ইন্টারনেট।

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.