জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষার প্রস্তুতি : বিজ্ঞান

অষ্টম অধ্যায় : রাসায়নিক বিক্রিয়া

সুপ্রিয় জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষার শিক্ষার্থী বন্ধুরা, শুভেচ্ছা নিয়ো। আজ তোমাদের বিজ্ঞান বিষয়ের ‘অষ্টম অধ্যায় : রাসায়নিক বিক্রিয়া’ থেকে   একটি নমুনা সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর নিয়ে আলোচনা করা হলো।সুপ্রিয় জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষার শিক্ষার্থী বন্ধুরা, শুভেচ্ছা নিয়ো। আজ তোমাদের বিজ্ঞান বিষয়ের ‘অষ্টম অধ্যায় : রাসায়নিক বিক্রিয়া’ থেকে   একটি নমুনা সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর নিয়ে আলোচনা করা হলো।পাশের চিত্রটি লক্ষ করো ও প্রশ্নের উত্তর দাও।

 

 


চিত্র : অক. পরমাণুর কেন্দ্রকে কী বলে? ১খ. ক্যাটায়ন বলতে কী বোঝায়? ২গ. চিত্র অ-এর গঠন ব্যাখ্যা করো। ৩ঘ. অ-তে সঞ্চিত শক্তিকে আলোক শক্তিতে রূপান্তর করা সম্ভব কি না? বিশ্লেষণ করো। ৪উত্তর : ক. পরমাণুর কেন্দ্রকে নিউক্লিয়াস বলে।খ. তড়িৎ বিশ্লেষণের সময় তড়িৎ বিশ্লেষ্যের যে সব আয়ন ক্যাথোডের দিকে যায় তাদেরকে ক্যাটায়ন বলে। ক্যাটায়ন ধনাত্মক চার্জযুক্ত। যেমনÑ সোডিয়াম ক্লোরাইডের তড়িৎ বিশ্লেষণের ক্ষেত্রে সোডিয়াম আয়ন (ঘধ+) বিদ্যুৎ প্রবাহের ফলে ক্যাথোডে গিয়ে রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে ধাতব সোডিয়াম (ঘধ) উৎপন্ন করে। এ ক্ষেত্রে ঘধ+ ক্যাটায়ন হিসেবে কাজ করে।গ. চিত্র-অ একটি শুষ্ক কোষ।শুষ্ক কোষের গঠন নিচে সংক্ষিপ্ত আকারে বর্ণনা করা হলো : প্রথমে অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড (ঘঐ৪ঈষ), কয়লার গুঁড়া এবং ম্যাঙ্গানিজ ডাই-অক্সাইড (গহঙ২) ভালোভাবে মিশিয়ে তাতে অল্প পরিমাণ পানি যোগ করে একটি পেস্ট বা লেই তৈরি করি। এ মিশ্রণটি সিলিন্ডার আকৃতির দস্তার চোঙে নিয়ে তার মধ্যে একটি কার্বনদণ্ড বসাই এমনভাবে, যাতে দণ্ডটি দস্তার চোঙকে স্পর্শ না করে। কার্বনদণ্ডের মাথায় একটি ধাতব টুপি পরানো থাকে।

 

                     
                        চিত্র : শুষ্ক কোষ
শুষ্ক কোষের ওপরের অংশ কার্বনদণ্ডটির চার পাশ পিচের আস্তরণ দিয়ে ঢেকে দেই। দস্তার চোঙটিকে একটি শক্ত কাগজ দিয়ে ঘিরে দেই। এখানে দস্তার চোঙ ঋণাত্মক তড়িৎদ্বার বা অ্যানোড হিসেবে কাজ করে আর ধাতব টুপি দিয়ে ঢাকা কার্বনদণ্ডের উপরিভাগ ধনাত্মক তড়িৎদ্বার বা ক্যাথোড হিসেবে কাজ করে।ঘ. অ-তে সঞ্চিত শক্তিকে আলোক শক্তিতে রূপান্তর করা সম্ভব।বিশ্লেষণ : অ অর্থাৎ শুষ্ক কোষে সঞ্চিত শক্তিকে আলোক শক্তিতে রূপান্তর করার জন্য একটি তামার তারের এক প্রান্ত কোষটির অ্যানোড ও অপর প্রান্ত ক্যাথোডের সাথে যুক্ত করতে হবে। এবার চিত্রের মতো করে বৈদ্যুতিক বাল্বের সাথে তার দুটি সংযোগ দিতে হবে। এর ফলে বাল্ব ও ব্যাটারির মধ্যে একটি বৈদ্যুতিক সার্কিট তৈরি হয়ে যাবে। বর্তনী তৈরি হওয়ার ফলে বাল্বটি জ্বলে আলোক শক্তি দেবে। এ আলোক শক্তি আসবে ব্যাটারি থেকে। কারণ আমরা জানি, ব্যাটারিতে দস্তা, অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড, কয়লার গুঁড়া ও ম্যাঙ্গানিজ ডাই-অক্সাইড থাকে। বর্তনী তৈরি করার ফলে এ সব রাসায়নিক পদার্থে সঞ্চিত শক্তি আলোক শক্তিতে রূপান্তরিত হবে।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.