ঈদের আগের দিন কে কী কাজে ব্যস্ত ছিল

হাসান ইনাম

শিশুদের ব্যস্ততাÑ
(শিশু দুই ধরনের : ১. জিরো থেকে তিন বছর, ২. তিন থেকে পাঁচ বছর)
প্রথম ধরনের শিশুদের ব্যস্ততা প্রচুর। সারা দিন আঙুল চোষণ এবং ক্রন্দন ছাড়াও মা-খালার শরীর ভেজাতে তারা খুবই ব্যস্ত ছিল।
দ্বিতীয় ধরনের শিশুরা কী কাজে ব্যস্ত ছিল তার কিছু নমুনা প্রশ্ন নি¤েœ দেয়া হলোÑ
১. গরুর শিং দুইটা কেন?
২. আমাদের গরুটার আম্মু কোথায়?
৩. গরুর আম্মু কি এখন কাঁদছে?
৪. গরুটা কি চিপস খায়?
৫. গরুটার লেজ এ রকম কেন?
(সংিেপত)
কিশোরদের ব্যস্ততাÑ
দলবল নিয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে গরু দেখে বেড়াতে ব্যস্ত ছিল কিশোররা। শিডিউল শেষ হয়নি। নতুন গরু এসেছে অনেক। গরুর দাম নিয়ে নিজেদের মধ্যে একতরফা ঝগড়াঝাঁটিও করেছে।

উঠতি যুবকের ব্যস্ততাÑ
উঠতি বয়সের যুবকের দল ব্যস্ত ছিল সুন্দরীদের বাড়ির গরু দেখতে। যেই বাড়িতে সুন্দরী মেয়ে আছে কেবল সেই বাড়িতেই তাদের পদচারণা ছিল। এই সুযোগে যদি কাউকে পটানো যায়।

যুবকের ব্যস্ততাÑ
যুবকেরা গরু নিয়ে ব্যস্ত ছিল। কসাই ঠিক করা থেকে শুরু করে গরুর ঘাস কেনা পর্যন্ত সব করেছে তারা। এই ব্যস্ততার জন্য গার্লফ্রেন্ডকে সময় দিতে পারেনি। অনেকের গার্লফ্রেন্ড বলেই দিয়েছে ‘তুমি থাকো তোমার গরু নিয়ে... আমাকে আর কল করবা না।’

আংকেলদের ব্যস্ততাÑ
আংকেলরা এখন যার যার গরুর সামনে দাঁড়িয়ে ভুঁড়ি তাগিয়ে বলছেন ‘কী ভাই! জিতছি না... ’

আপুদের ব্যস্ততাÑ
আপুদের মধ্যে যারা সাইজে ছোট তারা মেহেদি নিয়েছেন। আর যারা সাইজে বড় তারা মেহেদি দিয়েছেন।

আন্টিদের ব্যস্ততাÑ
আন্টিরা স্টোর রুম থেকে বড় বড় পাতিল আর ডেকচি বের করতে ব্যস্ত ছিলেন। মশলাপাতি গোছাতে ব্যস্ত ছিলেন।
ঢাকা

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.