পোশাক পরিবর্তন এবং অনন্তের জবাব
পোশাক পরিবর্তন এবং অনন্তের জবাব

যে কারণে দুবাইয়ে পোশাকি পরিবর্তন অনন্তের

বিনোদন প্রতিবেদক

অনন্ত জলিল। নায়ক হিসাবে যতটা জনপ্রিয়তা পেয়েছেন তারচেয়ে বেশি তিনি আলোচনায় নানান কর্মকাণ্ড এবং কথা-বার্তার জন্য। বর্তমানে তার হাতে কোনো ছবি নেই, কিন্ত আলোচনায় আছেন। বেশ কিছু দিন ধরে তিনি ধর্মের প্রতি বেশ মনোযোগ দিয়েছেন। ভক্তদের দাওয়াত দিচ্ছেন ইসলামের পথে। নিয়মিত জুব্বা আলখাল্লা পরে চলাফেরা করছেন। বিভিন্ন মসজিদে তাবলিগ করছেন। সেসব আবার ফেসবুকের মাধ্যমে আপডেটও জানাচ্ছেন।

তবে কদিন আগে অনন্ত গিয়েছেন দুবাই। সেখানে যাওয়ার পর তার কিছু ফরমাল ড্রেসের ছবি দেখা যায়। দেশ ছেড়ে যাওয়ার পরই অনন্ত নিজেকে বদলে নিলেন! এমন গুঞ্জন ছড়াতে থাকে ছবিগুলো দেখে। অনেকেই সমালোচনা করেন। তবে এর পেছনে কি কারণ রয়েছে, সেটা অনন্ত নিজেই জানিয়েছেন।

ফেসবুকে জুব্বা ও আলখেল্লা পরিহিত কয়েকটি ছবি আপলোড করেছেন অনন্ত। সাথে লিখেছেন, ‘বন্ধুগণ, আসসালামু আলাইকুম। দুবাইতে আমি জুব্বা পরেই গিয়েছিলাম এবং সবখানেই জুব্বা পরেই ঘুরেছি। আমি এখন ইসলামিক পোশাকেই স্বাচ্ছন্দ বোধ করি। বুর্জ আল আরব এ ২৮ তলায় ফ্রান্স রেস্টুরেন্টে ফ্রান্সের বায়ারদের সঙ্গে বিজনেস মিটিং ও ডিনারের আয়োজন ছিল। সেখানে ড্রেস কোড নির্দিষ্ট থাকার কারণে জুব্বা পরে যাইনি। আল্লাহ হাফেজ’।

অাগের খবর:::::::::::::::

অনন্ত জলিলের ভিন্ন রূপ
আলমগীর কবির | ৩১ জুলাই ২০১৭, সোমবার

পরিচয়টা অভিনেতা হলেও অনন্ত জলিল আলোচনায় এসেছেন নানা মন্তব্য আর চলচ্চিত্রে বড় অঙ্কের বিনিয়োগের কারণে। পেশাগতভাবে শিল্পপতি অনন্ত জলিল এবার হাজির হয়েছেন ভিন্নরূপে। কোনো সিনেমা বা বিজ্ঞাপনে নয়, বাস্তব জীবনেই দেখা মিলেছে তার নব রূপের। 

শনিবার সকাল ১০টা ৪৪ মিনিটে আলোচিত এই অভিনেতা, পরিচালক ও প্রযোজক ফেসবুকে এক ভিডিও বার্তায় বলেন, ‘বন্ধুগণ, আমি আজ (শনিবার) সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিটে আসছি ধানমণ্ডির রবীন্দ্র সরোবরে, আপনাদের/তোমাদের সাথে কিছু ইন্টারেস্টিং ব্যাপারে আলোচনা করতে। সবার উপস্থিতি একান্তভাবে কাম্য। এখানে আমার সাথে আরো কিছু ইম্পর্টেন্ট পারসন থাকবে। সো দেখা হবে সবার সাথে। ইনশাআল্লাহ।’ এরপর সবার মনেই নানা প্রশ্ন তৈরি হয়, এখানে তিনি কী করবেন? কেন তিনি এভাবে ঘোষণা দিয়েছেন? ওই ঘোষণার পর, শনিবার ধানমণ্ডির রবীন্দ্রসরোবরে অনন্ত জলিলকে যারা দেখেছেন, তারা খুবই অবাক হয়েছেন। একেবারে অন্য মানুষ। অন্য সাজ-পোশাক। আর তার সাথে যারা আছেন, অনন্ত জলিল যেসব কাজের সাথে সংশ্লিষ্ট, তারা মোটেও সেসব কাজের সাথে জড়িত কেউ নন। 

অনন্ত জলিলের মাথায় কালো পাগড়ি, গায়ে সাদা লম্বা আলখেল্লা, মুখে দাড়ি, আর তিনি বলছেন ধর্মসংক্রান্ত নানা কথা। অনন্ত জলিল বলেন, ‘ইসলাম শান্তির ধর্ম। ইসলামের প্রতিটি নিয়ম-কানুনই মানুষের শান্তির জন্য। তাই আসুন আমরা ইসলামের পথে চলি। ইসলামের বিধিবিধানগুলো মেনে চলি।’ জানা গেল, অনন্ত জলিল তাবলিগ জামাতের সাথে যুক্ত হয়েছেন। তিনি রাজধানীর ধানমণ্ডির এক মসজিদে অবস্থান করছেন।
এরপর রাত ১০টায় তিনি ফেসবুকে তার পেজে লিখেছেন, ‘বন্ধুগণ, আমার সালাম নেবেন।

আসসালামু আলাইকুম। আপনারা সবাই খুব অল্প সময়ের মধ্যে সাড়া দিয়েছেন, এজন্য আমি আপনাদের কাছে কৃতজ্ঞ। আমি শুধু আমার ফেসবুক পেজে স্ট্যাটাসের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটির ঘোষণা দিয়েছিলাম, কোনো প্রিন্ট মিডিয়া ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার মাধ্যমে জানাইনি। আইনগতভাবে অনুষ্ঠানটির জন্য যে পারমিশন প্রয়োজন হবে, তা ভাবিনি। সংক্ষিপ্ত সময়ের কারণে আইনগত পারমিশনের প্রসিডিউরগুলো করা সম্ভব হয়নি। তাই অনুষ্ঠানটি সুন্দরভাবে সম্পন্ন করা যায়নি। তারপরও আমি আপনাদের সাথে সাক্ষাৎ করে বিস্তারিত জানিয়েছি। বন্ধুগণ, অচিরেই আমি/আমরা একটি সুন্দর অনুষ্ঠান আপনাদের উপহার দিব, ইনশাআল্লাহ। আল্লাহতায়ালার কাছে আপনাদের সবার সুন্দর ও সুস্থ জীবন কামনা করি। খোদা হাফেজ।’

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.