মরিশাসের রূপকথা রাজার দীঘি রহস্যময়

রূপান্তর : হাসান হাফিজ

(গত দিনের পর)(গত দিনের পর)রাজা বড়ই নিষ্ঠুর প্রকৃতির লোক। রেহাই দেন না কাউকে।সন্ধ্যার পর সে লাঠিসোঁটা নিয়ে পাহারায় রইল। কোন শয়তান এই অপকর্ম করছে, তাকে ধরতে হবে হাতেনাতে। ধরতে পারলে আচ্ছামতো শিক্ষা দিতে হবে।রাত নেমে এলো। হালকা জোছনার রাত। পাহারাদার টের পায়, গুটি গুটি পায়ে কে যেন এগিয়ে আসছে দীঘির দিকে। সে দেখল, তার সামনে দাঁড়িয়ে আছে একটা বড়সড় খরগোশ। ও, এই তাহলে সেই আসামি! প্রহরী আপন মনে বলে, দাঁড়াও মজা টের পাবে বাছাধন। বাগে যখন পেয়েছি তোমাকে, ছাড়ছি না আজ। রোজ রোজ আমাকে বোকা বানানো। তোমার জন্যই বকা খেতে হয়েছে। চাকরি যাওয়ার উপক্রম হয়েছে আমার। আজ তো ধরা খেয়েছ। তোমার বারোটা এই বাজালাম বলে। রসো বাপধন।লাঠি বাগিয়ে খরগোশের পথ রোধ করে দাঁড়াল সে। খরগোশ বড্ড চালাক। ঘাবড়ায়নি তাই। এক গাল হেসে বলল তাকে, ও পাহারাদার ভাই। (চলবে)

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.