শিশুর সুন্দর আচরণ : রূপ কথা

নিপা আহমেদ

রিহানের বয়স ছয় বছর। স্কুলে যাচ্ছে; কিন্তু ওর দুষ্টুমিতে বাড়িতে যেমন সারাক্ষণ সবাইকে অস্থির থাকতে হয় তেমনি স্কুল থেকেও প্রায়ই নালিশ আসে।  বাড়িতে ছোট শিশু থাকলে কখনো কখনো বাবা-মায়েদের প্রচুর ঝামেলা পোহাতে হয়। আসলে বকে বা মেরে কিন্তু শিশুকে সবসময় ঠিক আর ভুলটা শেখানো যায় না। শিশুরা তো দুষ্টুমি করবেই। অনেক সময় জেদ ধরে, কথা শুনতে চায় না। তবে মনে রাখতে হবে শিশুকে সঠিক শিক্ষা দেয়ার দায়িত্ব কিন্তু তার অভিভাবকদেরই। তবে সেজন্য প্রয়োজন ধৈর্য ও মমতা। রিহানের বয়স ছয় বছর। স্কুলে যাচ্ছে; কিন্তু ওর দুষ্টুমিতে বাড়িতে যেমন সারাক্ষণ সবাইকে অস্থির থাকতে হয় তেমনি স্কুল থেকেও প্রায়ই নালিশ আসে।  বাড়িতে ছোট শিশু থাকলে কখনো কখনো বাবা-মায়েদের প্রচুর ঝামেলা পোহাতে হয়। আসলে বকে বা মেরে কিন্তু শিশুকে সবসময় ঠিক আর ভুলটা শেখানো যায় না। শিশুরা তো দুষ্টুমি করবেই। অনেক সময় জেদ ধরে, কথা শুনতে চায় না। তবে মনে রাখতে হবে শিশুকে সঠিক শিক্ষা দেয়ার দায়িত্ব কিন্তু তার অভিভাবকদেরই। তবে সেজন্য প্রয়োজন ধৈর্য ও মমতা। 
কী করবেন
শিশুকে শেখানোর দায়িত্ব প্রধানত পরিবারের সদস্যদের ওপরই পড়ে। তাই সঠিক আচার-আচরণ শেখাতে হলে প্রথমে শিশুকে বুঝাতে হবে। সব শিশু এক প্রকৃতির হয় না। কাউকে বোঝালে সে বোঝে আবার কেউ বকা দিলে আরো জেদি হয়ে ওঠে। তাই শিশুকে বোঝানো বা শিখানোর সময় অভিভাবকের আচরণ কেমন হবে সে বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। হ বকাঝকা না করে বরং শান্ত হয়ে তাকে বোঝান, তাকে কেমন আচরণ করতে হবে। কিভাবে সবার সাথে কথা বলতে হবে বিভিন্ন বিষয়। হ শিশুরা দুষ্টুমি করবেই; তবে সেই দুষ্টুমির জন্য যেন কারো ক্ষতি না হয় সে বিষয়ে তাকে সতর্ক করে দেয়াটা অভিভাবকদেরই কাজ। শিশু বুঝতে শেখার পর থেকেই গুড ম্যানার্সের খুঁটিনাটি শেখানো শুরু করুন। হ সময়ের কাজ সময়ে করা, বড়দের সম্মান করা, নিজের জিনিসপত্র গুছিয়ে রাখার মতো কাজগুলো তাকে ধীরে ধীরে শেখাতে হবে। বড়রাই আসলে ছোটদের শিক্ষক। তাই তাদের শেখানোর আগে নিজেদেরও সেই কাজগুলো করতে হবে যেন ওরা বড়দের অনুসরণ করতে পারে।হ শিশুর মধ্যে ন্যায় অন্যায়বোধ গড়ে উঠলে সে খারাপ কাজ করার আগে দু’বার ভাববে। তবে ছোটরা কোনো খারাপ আচরণ করে ফেললেও তাকে ক্ষমা চাইতে শেখান।হ স্বাভাবিকভাবেই শিশুরা দুরন্ত হয়। ছোটাছুটি করতে পছন্দ করে। তাই তাকে প্রতিদিন কিছুক্ষণ ছোটাছুটি করে খেলতে দিন। এতে সে বাকি সময়টা কিছুটা শান্ত থাকবে। হ অন্য শিশু না থাকলে অভিভাবকেরাও তার সাথে কিছুটা ক্রিকেট বা বাস্কেটবল খেলতে পারেন।হ বেশি শাসন করলে শিশুরা অনেক সময় জেদি হয়ে যায়। তাই সবসময় শাসন না করে বরং শিশুকে বুঝিয়ে বলুন, কোন কাজের কী ফল হতে পারে। কেন তাকে ভালো কাজটা করতে হবে।হ সবসময় এটা করো, ওটা করো নাÑ এভাবে না বলে বরং কোনো কাজ না করতে চাইলে সেটা কৌশলে করিয়ে নিন। তাহলে শিশু ধীরে ধীরে বুঝতে পারবে তাকে কী করতে হবে। জেদ করার সুযোগ পাবে না।হ একটু বড় শিশুদের নিজের কাজ কিছু কিছু করতে শেখান। এভাবে তাদের মধ্যে দায়িত্ববোধ তৈরি হবে।হ ভালো কাজের জন্য শিশুদের প্রশংসা করুন। এতে সে উৎসাহ পাবে।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.