মডেল : সোনিয়া
মডেল : সোনিয়া

পেলব ত্বকে রঙের ঝলক

ফাহমিদা জাবীন

ঝকঝকে পেলব, টানটান ত্বক কার না পছন্দ। সুন্দর ত্বকই সৌন্দর্যের প্রথম কথা। ত্বক যদি সুন্দর হয়, তাহলে মেকআপ না করেও হয়ে ওঠা যায় অপরূপা। ত্বক সুন্দর ঝকঝকে রাখতে প্রথমেই যে বিষয়টির কথা আসে তা হলো ত্বকের ক্লিনজিং বা পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা। প্রতিদিনের রোদ, ধুলা, ঘাম ও মেকআপ ধুয়ে মুছে পরিষ্কার করে ত্বককে ব্রিদিং করার সুযোগ দেয়া। ত্বকের ওপর থেকে ঘাম ও নিঃসৃত তেল তুলে ফেলার জন্য যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয় তাকে ক্লিনজিং বা ত্বক পরিষ্কার করা বোঝায়। প্রতিদিন অন্তত দুইবার ত্বক পরিষ্কার করা প্রয়োজন। ক্লিনজিংয়ের নানাদিক নিয়ে বলেছেন নভীন’স-এর রূপ বিশেষজ্ঞ আমিনা হক।

প্রতিদিন ত্বক পরিষ্কার না করা হলে ধুলা, ময়লা, নিঃসৃত তেল প্রভৃতি জমে ত্বকে ব্রণ, মেছতা, এজিং ও কালো দাগসহ নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে ক্লিনজিংয়ের সঠিক পদ্ধতি রয়েছে। সঠিক পদ্ধতিতে ক্লিনজিং না করা হলে ত্বকের স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা হারাবে এবং তেল নিঃসরণে বাধা সৃষ্টি করে ত্বকের মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে।

প্রতিদিন মৃদু কোনো সাবান ও হালকা গরম পানি দিয়ে মুখ পরিষ্কার করতে হবে। অথবা ক্লিনজিং মিল্ক দিয়েও পরিষ্কার করা যায়।

কিভাবে ক্লিনজিং করবেন :
যদি সাবান পানিতে করতে চান তাহলে প্রথমে মুখ পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। এরপর হাতের তালুতে সাবান ঘষে ফেনা তৈরি করুন। এই ফেনা মুখে আলতোভাবে ঘষুন। এরপর কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। তবে সাবান এক মিনিটের বেশি ত্বকে রাখবেন না এতে ত্বক শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। এ ছাড়া সরাসরি সাবান মুখমণ্ডলের ত্বকের ওপর বোলাবেন না। মুখ ভালোভাবে ধোবেন যেন ত্বকে সাবান না লেগে থাকে। পরে নরম তোয়ালে দিয়ে চেপে চেপে মুছে নিন।

ক্লিনজিং মিল্ক বা লোশন দিয়ে পরিষ্কার করার সময় অল্প লোশন নিয়ে মুখমণ্ডল, ঘাড় ও গলায় হালকাভাবে ম্যাসাজ করুন। ম্যাসাজ করার সময় বাইরের দিকে টেনে ম্যাসাজ করবেন। গলার নিচ থেকে ওপরে এভাবে ম্যাসাজ করবেন। দুই মিনিট ম্যাসাজ করার পর তুলা বা টিস্যু দিয়ে মুছে নিন। এরপর ভেজা তোয়ালে দিয়ে মুছে নিতে হবে। ক্লিনজিংয়ের পর অবশ্যই ত্বকে ভালো ময়শ্চারাইজিং ক্রিম ম্যাসাজ করবেন।


শিশুর সুন্দর আচরণ : রূপ কথা
নিপা আহমেদ

রিহানের বয়স ছয় বছর। স্কুলে যাচ্ছে; কিন্তু ওর দুষ্টুমিতে বাড়িতে যেমন সারাক্ষণ সবাইকে অস্থির থাকতে হয় তেমনি স্কুল থেকেও প্রায়ই নালিশ আসে। বাড়িতে ছোট শিশু থাকলে কখনো কখনো বাবা-মায়েদের প্রচুর ঝামেলা পোহাতে হয়। আসলে বকে বা মেরে কিন্তু শিশুকে সবসময় ঠিক আর ভুলটা শেখানো যায় না। শিশুরা তো দুষ্টুমি করবেই। অনেক সময় জেদ ধরে, কথা শুনতে চায় না। তবে মনে রাখতে হবে শিশুকে সঠিক শিক্ষা দেয়ার দায়িত্ব কিন্তু তার অভিভাবকদেরই। তবে সেজন্য প্রয়োজন ধৈর্য ও মমতা। রিহানের বয়স ছয় বছর। স্কুলে যাচ্ছে; কিন্তু ওর দুষ্টুমিতে বাড়িতে যেমন সারাক্ষণ সবাইকে অস্থির থাকতে হয় তেমনি স্কুল থেকেও প্রায়ই নালিশ আসে। বাড়িতে ছোট শিশু থাকলে কখনো কখনো বাবা-মায়েদের প্রচুর ঝামেলা পোহাতে হয়। আসলে বকে বা মেরে কিন্তু শিশুকে সবসময় ঠিক আর ভুলটা শেখানো যায় না। শিশুরা তো দুষ্টুমি করবেই। অনেক সময় জেদ ধরে, কথা শুনতে চায় না। তবে মনে রাখতে হবে শিশুকে সঠিক শিক্ষা দেয়ার দায়িত্ব কিন্তু তার অভিভাবকদেরই। তবে সেজন্য প্রয়োজন ধৈর্য ও মমতা।

কী করবেন
শিশুকে শেখানোর দায়িত্ব প্রধানত পরিবারের সদস্যদের ওপরই পড়ে। তাই সঠিক আচার-আচরণ শেখাতে হলে প্রথমে শিশুকে বুঝাতে হবে। সব শিশু এক প্রকৃতির হয় না। কাউকে বোঝালে সে বোঝে আবার কেউ বকা দিলে আরো জেদি হয়ে ওঠে। তাই শিশুকে বোঝানো বা শিখানোর সময় অভিভাবকের আচরণ কেমন হবে সে বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। হ বকাঝকা না করে বরং শান্ত হয়ে তাকে বোঝান, তাকে কেমন আচরণ করতে হবে। কিভাবে সবার সাথে কথা বলতে হবে বিভিন্ন বিষয়।

শিশুরা দুষ্টুমি করবেই; তবে সেই দুষ্টুমির জন্য যেন কারো ক্ষতি না হয় সে বিষয়ে তাকে সতর্ক করে দেয়াটা অভিভাবকদেরই কাজ। শিশু বুঝতে শেখার পর থেকেই গুড ম্যানার্সের খুঁটিনাটি শেখানো শুরু করুন। হ সময়ের কাজ সময়ে করা, বড়দের সম্মান করা, নিজের জিনিসপত্র গুছিয়ে রাখার মতো কাজগুলো তাকে ধীরে ধীরে শেখাতে হবে। বড়রাই আসলে ছোটদের শিক্ষক। তাই তাদের শেখানোর আগে নিজেদেরও সেই কাজগুলো করতে হবে যেন ওরা বড়দের অনুসরণ করতে পারে।হ শিশুর মধ্যে ন্যায় অন্যায়বোধ গড়ে উঠলে সে খারাপ কাজ করার আগে দু’বার ভাববে। তবে ছোটরা কোনো খারাপ আচরণ করে ফেললেও তাকে ক্ষমা চাইতে শেখান।হ স্বাভাবিকভাবেই শিশুরা দুরন্ত হয়। ছোটাছুটি করতে পছন্দ করে। তাই তাকে প্রতিদিন কিছুক্ষণ ছোটাছুটি করে খেলতে দিন। এতে সে বাকি সময়টা কিছুটা শান্ত থাকবে। হ অন্য শিশু না থাকলে অভিভাবকেরাও তার সাথে কিছুটা ক্রিকেট বা বাস্কেটবল খেলতে পারেন।হ বেশি শাসন করলে শিশুরা অনেক সময় জেদি হয়ে যায়।

তাই সবসময় শাসন না করে বরং শিশুকে বুঝিয়ে বলুন, কোন কাজের কী ফল হতে পারে। কেন তাকে ভালো কাজটা করতে হবে।হ সবসময় এটা করো, ওটা করো না- এভাবে না বলে বরং কোনো কাজ না করতে চাইলে সেটা কৌশলে করিয়ে নিন। তাহলে শিশু ধীরে ধীরে বুঝতে পারবে তাকে কী করতে হবে। জেদ করার সুযোগ পাবে না।হ একটু বড় শিশুদের নিজের কাজ কিছু কিছু করতে শেখান। এভাবে তাদের মধ্যে দায়িত্ববোধ তৈরি হবে।হ ভালো কাজের জন্য শিশুদের প্রশংসা করুন। এতে সে উৎসাহ পাবে।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.