মরিশাসের রূপকথা

রাজার দীঘি রহস্যময়

রূপান্তর : হাসান হাফিজ

(গত দিনের পর)(গত দিনের পর)কী ভাগ্যি, আজ তোমার দেখা পেলাম। অনেক দিন ধরেই অপেক্ষা করছি। কবে যে তোমার দেখা পাবো। যাক, শেষমেশ তোমার সঙ্গে দেখা হলো। তোমার জন্য দারুণ একটা উপহার এনেছি আমি। এই যে লাউয়ের খোলটা দেখছ, এর মধ্যে আছে বুনো ফুলের তাজা মধু। ভারি সুস্বাদু খেতে। আমার বাবা-মা এই মধু পাঠিয়েছে। তার মধ্য থেকে তোমার জন্য এনেছি। ভাই রে, একটুখানি খেয়েই দেখো তুমি। যদি খারাপ লাগে তো বলো।পাহারাদার তো মহা খুশি। খরগোশ তার জন্য মধু উপহার আনবে, এমনটা সে স্বপ্নেও ভাবেনি। মধু পেয়ে সে আহ্লাদে ডগমগ। খরগোশের কাছ থেকে নিয়ে তক্ষুনি খেতে শুরু করে দেয়।লতাপাতার কী ওষুধ যে ওই মধুতে মেশানো ছিল, তা খরগোশই জানে। মধু খেয়েই পাহারাদার ঘুমিয়ে পড়ে। সঙ্গে সঙ্গেই মুদে আসে চোখের পাতা। সে কী গভীর ঘুম। জোরে জোরে নাক ডাকতে থাকে সে। আশপাশে কী ঘটছে, তা জানার উপায় নেই আর। (চলবে)

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.